ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন
নতুন জটিলতায় পে স্কেল, গেজেট কবে?
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
জুলাই স্তম্ভ ময়লার ভাগাড়ে পরিণত, ক্ষোভ জানালেন ফারুকী
ঢাকার ব্যস্ত রাস্তার ঠিক পাশেই একটা জুলাই স্তম্ভ। ২০২৪ সালে বৈছা আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরায় নিহত হন মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শাকিল হোসেন। এটি তার নামে নির্মিত জুলাই স্তম্ভ। তবে এরইমধ্যে স্তম্ভটি পরিণত হয়েছে আবর্জনা ফেলার স্থান হিসেবে। এর গোড়ায় ময়লার স্তূপ, রীতিমত ময়লার ভাগাড়।
এমন ছবি শেয়ার করে সাবেক সংস্কৃতিব উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ক্ষোভ জানান। এ বিষয়ে সংসদে আলোচনার জন্য সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রস্তাব রাখেন তিনি।
আজ ৩০শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার দুপুরে তার ফেসবুক পোস্টে দেখা যায়, শাকিলের গোড়ায় ময়লার স্তূপের ছবি! ফারুকী লিখেছেন, মাননীয় সংসদ সদস্যগণ, আপনাদের মধ্যে কেউ কি আজ বিধি অনুসরণ করে সংসদে একটা জরুরি বিষয়
আলোচনায় আনতে পারেন? যাদের রক্তের ওপরে এই সংসদ, তাদের স্মৃতিস্মারক যখন ময়লার ভাগাড় হয়ে যায় এই ক’মাসেই—এর চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে? শুধু শাকিলের স্তম্ভই নয়, মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছে। ফারুকীর ভাষ্য, এটা একটা তুলনামূলক ভালো অবস্থার ছবি। আরও অনেক জায়গার ছবি পাই, যার দিকে তাকানো যায় না। এই স্মারকগুলো ছাড়াও সারাদেশের প্রতি জেলায় জুলাই স্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানেও ময়লা জমেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভসহ বিভিন্ন নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ফারুকীর বিরুদ্ধে। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন করেন, জুলাইকে অপমান করতে চাচ্ছে কে বা কারা? সারাদেশের জুলাই স্তম্ভগুলোর রক্ষণাবেক্ষনের দাবি জানিয়ে ফারুকী লেখেন, এই স্মারকগুলো ব্যবস্থাপনার একটা বিহিত
করা যাবে না এই বাংলাদেশে? যাদের কারণে আজকের এই পার্লামেন্ট মুক্ত হয়েছে? সাবেক উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পাশাপাশি আমি জুলাইয়ের ভাই-বোনদের একটা অনুরোধ জানাতে চাই। জুলাই আপনারাই এনেছেন। আপনাদের বন্ধুরাই মারা গেছে। প্রত্যেক এলাকায় কমিটি করে এগুলোর দিকে নজর দেয়া যায়? কোথাও অব্যবস্থাপনা দেখলে স্থানীয় প্রশাসনকে বলা যায়?
আলোচনায় আনতে পারেন? যাদের রক্তের ওপরে এই সংসদ, তাদের স্মৃতিস্মারক যখন ময়লার ভাগাড় হয়ে যায় এই ক’মাসেই—এর চেয়ে হৃদয়বিদারক আর কী হতে পারে? শুধু শাকিলের স্তম্ভই নয়, মাঝেমধ্যে এমন ঘটনা গণমাধ্যমের শিরোনামে উঠে এসেছে। ফারুকীর ভাষ্য, এটা একটা তুলনামূলক ভালো অবস্থার ছবি। আরও অনেক জায়গার ছবি পাই, যার দিকে তাকানো যায় না। এই স্মারকগুলো ছাড়াও সারাদেশের প্রতি জেলায় জুলাই স্তম্ভ স্থাপন করা হয়েছে। সেখানেও ময়লা জমেছে। সাম্প্রতিক সময়ে জুলাই জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভসহ বিভিন্ন নির্মাণে বিপুল দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে ফারুকীর বিরুদ্ধে। তিনি তার ফেসবুক পোস্টে প্রশ্ন করেন, জুলাইকে অপমান করতে চাচ্ছে কে বা কারা? সারাদেশের জুলাই স্তম্ভগুলোর রক্ষণাবেক্ষনের দাবি জানিয়ে ফারুকী লেখেন, এই স্মারকগুলো ব্যবস্থাপনার একটা বিহিত
করা যাবে না এই বাংলাদেশে? যাদের কারণে আজকের এই পার্লামেন্ট মুক্ত হয়েছে? সাবেক উপদেষ্টা বলেন, সরকারের পাশাপাশি আমি জুলাইয়ের ভাই-বোনদের একটা অনুরোধ জানাতে চাই। জুলাই আপনারাই এনেছেন। আপনাদের বন্ধুরাই মারা গেছে। প্রত্যেক এলাকায় কমিটি করে এগুলোর দিকে নজর দেয়া যায়? কোথাও অব্যবস্থাপনা দেখলে স্থানীয় প্রশাসনকে বলা যায়?



