‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ মে, ২০২৬

‘৫০০ টাকা আয় করে ১২০০ টাকা খরচে বিচার চাইতে হয়’

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ মে, ২০২৬ |
'একজন শ্রমিক থানায় অভিযোগ করতে গেলেই লিখতে খরচ হয় ৩০০ টাকা, থানায় জমা দিতে লাগে আরও ৩০০ টাকা, আইনি সহায়তা নিতে গিয়ে খরচ হয় ৬০০ টাকা। অথচ একজন শ্রমিকের দৈনিক আয় মাত্র ৫০০ টাকা। তাহলে আমরা কীভাবে বিচার পাব, কীভাবে দাঁড়াব?'-এই আক্ষেপের মধ্য দিয়ে নিজের ও সহকর্মীদের বাস্তবতা তুলে ধরেন পটিয়ার দর্জি শ্রমিক ও শারীরিকভাবে কর্মক্ষম মিজানুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মহান মে দিবস উপলক্ষে পটিয়া মে দিবস উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মিজানুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকরা শুধু কম মজুরির সঙ্গেই লড়াই করে না, বরং ন্যায্য অধিকার আদায়ের পথেও তাদেরকে নানা বাধা পেরোতে

হয়। থানায় অভিযোগ করা থেকে শুরু করে আইনি সহায়তা পাওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে অর্থ খরচের চাপ শ্রমিকদের জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা যারা দিন এনে দিন খাই, তাদের পক্ষে এই খরচ বহন করা প্রায় অসম্ভব। ফলে অনেকেই অন্যায়ের শিকার হয়েও নীরবে সহ্য করে যায়। শ্রমিকদের জন্য সহজ ও স্বল্প খরচে আইনি সহায়তা নিশ্চিত না হলে ন্যায়বিচার শুধুমাত্র কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’ তার মতে, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর উচিত শ্রমিকবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। পটিয়া মে দিবস উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক জয়নাল আবেদীনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠক আবদুর রহমান রুবেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় দক্ষিণ জেলা সিপিবির সভাপতি অধ্যাপক কানাই লাল দাশ,

অ্যাডভোকেট শওকত আলী, সিহাব উদ্দিন সাইফু, কৃষিবিদ শ্যামল বিশ্বাস এবং উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব মদিনা বেগমসহ অনেকে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক নিরাপত্তা এবং আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। আলোচনা সভা শেষে একটি লাল পতাকা মিছিল পটিয়া সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয় “বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট টেলিটক ও নগদ ‘কিনতে’ চায় বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওন! অভিযুক্তের বাড়িতে উত্তেজিত জনতার আগুন, নিহত ৩ হাসপাতালে অসুস্থ শিশুর মাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর… বাজেট: যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে বাজেট: যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ