ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাকিস্তানের মাধ্যমে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান
১১ দেশকে নিয়ে বিশাল সামরিক মহড়ার ঘোষণা ভারতের
ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ‘এরিয়া ৫১’এ ভয়ঙ্কর কাঁপন
নতুন জোটে যোগ দিতে বিদেশি সরকারদের চাপ দেবে মার্কিন দূতাবাস
ইরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়, আইনি জটিলতার মুখে ট্রাম্প
ইরানে ফের সামরিক হামলার সম্ভাবনা প্রবল: মার্কিন সিনেটর
প্রথম বিমানবাহী রণতরি বানাচ্ছে তুরস্ক, কী থাকছে এতে?
পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ চলবে: ট্রাম্প
ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই সঙ্গে সাফ জানিয়েছেন, পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে। এদিকে ইরানের আইআরজিসি জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগে শত্রুপক্ষের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা করা হচ্ছে। ফের আগ্রাসন হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
এই মুহূর্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য’ যুদ্ধবিরতি চলছে যা গত সপ্তাহে ট্রাম্প একতরফাভাবে ঘোষণা দেন। তবে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর নজরদারির বিপরীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ ঘিরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে।
এদিকে সোমবার (২৭ এপ্রিল) হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে, ট্রাম্প ও তার জাতীয় নিরাপত্তা দল যুদ্ধের অবসানের জন্য ইরানের পক্ষ থেকে একটি নতুন প্রস্তাব পেয়েছে। যদিও কোনো পক্ষই প্রস্তাবটির বিস্তারিত প্রকাশ করেনি।
তবে
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই প্রস্তাবে যুদ্ধাবসানের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী কোনো তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাম্প এই প্রস্তাবে ‘অসন্তুষ্ট’ বলে জানান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দুই মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই সঙ্গে তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে এবং ওয়াশিংটনের উদ্বেগের সমাধান করতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধও অব্যাহত থাকবে। গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান নেতা আরও দাবি করেন, ইরান অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চায়, যা
তার মতে ‘বোমা হামলার চেয়েও বেশি কার্যকর’। ট্রাম্প আরও জানান, মার্কিন অবরোধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি তার অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে না পারায় তাদের তেল সংরক্ষণাগার এবং পাইপলাইনগুলো ‘বিস্ফোরণের দ্বারপ্রান্তে’ পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, ‘বোমাবর্ষণের চেয়ে অবরোধটা কিছুটা বেশি কার্যকর। তাদের দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে চলেছে। ওরা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা এখন মীমাংসা করতে চায়। তারা চায় না আমি অবরোধটা অব্যাহত রাখি। তবে আমি অবরোধ তুলতে চাই না, কারণ আমি চাই না ওদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক।’ ইরানের সঙ্গে ফোনে আলোচনা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এখন
হার মেনে নেওয়ার এবং ‘আমরা আত্মসমর্পণ করছি’ বলার সময় এসেছে। আলোচনায় অচলাবস্থা ভাঙার আশায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ওপর একটি ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরান সরকারকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে এবং আরও নমনীয়তা দেখাতে চাপ দেবে। মার্কিন হুঁশিয়ারির জবাবে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগে তারা তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ঠিক করছে। আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি আবারও কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের ইরানের সম্পূর্ণ নতুন সামরিক কৌশল ও নজিরবিহীন প্রতিরোধ মোকাবিলা করতে হবে।’ এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের শুনানিতে অংশ নিয়ে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের
সমরমন্ত্রী পিট হেগসেথ। এক ডেমোক্র্যাট সদস্য এই যুদ্ধকে ‘কৌশলগত ভুল’ এবং ‘চোরাবালি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। শুনানিতে এক আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেন, ঘাঁটিটি ইরানের লক্ষ্যবস্তু তালিকায় থাকার পরও মার্কিন সেনাদের সেখানে পাঠিয়ে ঝুঁকি বাড়ানো হয়েছে। তবে হেগসেথ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেনাদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। পেন্টাগনের শীর্ষ আর্থিক কর্মকর্তা জুলস ‘জেই’ হার্স্ট কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং শত শত সেনা আহত হয়েছেন। বিপুল এই খরচের বড় একটি অংশ গেছে অস্ত্রশস্ত্র
ও ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জামের পেছনে, যা এখন মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই প্রস্তাবে যুদ্ধাবসানের বিনিময়ে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা পরবর্তী কোনো তারিখে অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাম্প এই প্রস্তাবে ‘অসন্তুষ্ট’ বলে জানান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে দুই মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই সঙ্গে তিনি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে এবং ওয়াশিংটনের উদ্বেগের সমাধান করতে রাজি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধও অব্যাহত থাকবে। গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিপাবলিকান নেতা আরও দাবি করেন, ইরান অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চায়, যা
তার মতে ‘বোমা হামলার চেয়েও বেশি কার্যকর’। ট্রাম্প আরও জানান, মার্কিন অবরোধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি তার অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করতে না পারায় তাদের তেল সংরক্ষণাগার এবং পাইপলাইনগুলো ‘বিস্ফোরণের দ্বারপ্রান্তে’ পৌঁছে গেছে। তিনি বলেন, ‘বোমাবর্ষণের চেয়ে অবরোধটা কিছুটা বেশি কার্যকর। তাদের দমবন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাদের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে চলেছে। ওরা পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।’ ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা এখন মীমাংসা করতে চায়। তারা চায় না আমি অবরোধটা অব্যাহত রাখি। তবে আমি অবরোধ তুলতে চাই না, কারণ আমি চাই না ওদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক।’ ইরানের সঙ্গে ফোনে আলোচনা হচ্ছে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর এখন
হার মেনে নেওয়ার এবং ‘আমরা আত্মসমর্পণ করছি’ বলার সময় এসেছে। আলোচনায় অচলাবস্থা ভাঙার আশায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ওপর একটি ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ হামলার পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস। এই হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরান সরকারকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে এবং আরও নমনীয়তা দেখাতে চাপ দেবে। মার্কিন হুঁশিয়ারির জবাবে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির সুযোগে তারা তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকা ঠিক করছে। আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি আবারও কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের ইরানের সম্পূর্ণ নতুন সামরিক কৌশল ও নজিরবিহীন প্রতিরোধ মোকাবিলা করতে হবে।’ এদিকে ইরান যুদ্ধ নিয়ে প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের শুনানিতে অংশ নিয়ে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের
সমরমন্ত্রী পিট হেগসেথ। এক ডেমোক্র্যাট সদস্য এই যুদ্ধকে ‘কৌশলগত ভুল’ এবং ‘চোরাবালি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও ওঠে। শুনানিতে এক আইনপ্রণেতা অভিযোগ করেন, ঘাঁটিটি ইরানের লক্ষ্যবস্তু তালিকায় থাকার পরও মার্কিন সেনাদের সেখানে পাঠিয়ে ঝুঁকি বাড়ানো হয়েছে। তবে হেগসেথ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেনাদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। পেন্টাগনের শীর্ষ আর্থিক কর্মকর্তা জুলস ‘জেই’ হার্স্ট কংগ্রেসকে জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই যুদ্ধে ১৩ মার্কিন সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এবং শত শত সেনা আহত হয়েছেন। বিপুল এই খরচের বড় একটি অংশ গেছে অস্ত্রশস্ত্র
ও ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জামের পেছনে, যা এখন মার্কিন রাজনীতিতে একটি বড় ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। সূত্র: রয়টার্স



