ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
একাত্তরের রণাঙ্গনে মুজিব বাহিনী: বিকৃত ইতিহাসের বিপরীতে দালিলিক সত্য
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতীয় জীবনের শ্রেষ্ঠতম অধ্যায়। এই জনযুদ্ধের প্রতিটি ধাপে অসংখ্য মানুষ তাদের রক্ত ও শ্রম দিয়ে স্বাধীনতার লাল সূর্যকে ছিনিয়ে এনেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে স্বাধীনতার দীর্ঘ সময় পরেও স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী মহল মুক্তিযুদ্ধের প্রতিষ্ঠিত ইতিহাসকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে এখনও। সম্প্রতি সমঝোতার সংসদের তথাকথিত বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম সংসদে দাঁড়িয়ে মুজিব বাহিনী বা বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স (বিএলএফ) সম্পর্কে যে ধৃষ্টতাপূর্ণ এবং ভিত্তিহীন মন্তব্য করেছেন তা কেবল ঐতিহাসিক সত্যের অপলাপই নয় বরং এটি তাকে সরাসরি স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপাত্র হিসেবে জাতির সামনে চিহ্নিত করেছে আবারো। তিনি দাবি করেছেন যে মুজিব বাহিনী অন্তর্ঘাত তৈরির
জন্য গঠিত হয়েছিল এবং তারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি। এই ধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচার সেই সব বীর সন্তানদের চরম অপমান যারা সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী মুজিব বাহিনী ছিল একটি উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গেরিলা বাহিনী। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেরাদুনের পার্বত্য অঞ্চলে এই বাহিনীর সদস্যদের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের মান এতই উন্নত ছিল যে এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে একেকজন বিশেষ যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছিল। দালিলিক প্রমাণ বলছে মুজিব বাহিনী কেবল পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধই করেনি বরং যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ঢাকা চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের পাকিস্তানি রসদ
সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিয়ে বিজয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন যে মুজিব বাহিনী আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্য রাজনৈতিক পক্ষের লোকদের হত্যা করেছিল। এটি মূলত ইতিহাসের একটি জঘন্য বিকৃতি। মুজিব বাহিনী গঠিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে এবং তাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট কমান্ডের অধীনে মুক্তিযুদ্ধকে পরিচালনা করা। যুদ্ধের ময়দানে তাদের বীরত্বগাথা আজও দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে আছে। মূলত যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল নাহিদ ইসলাম আজ তাদেরই ভাষা ব্যবহার করে নিজের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। পরিশেষে এটি স্পষ্ট যে মুজিব বাহিনী ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অনিবার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। দালিলিক প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী এই
বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। নাহিদ ইসলামের মতো স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপাত্ররা যতই মিথ্যাচার করুক না কেন ইতিহাসের সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। মুজিব বাহিনীর বীরত্ব গাঁথা বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় চিরকাল অম্লান থাকবে। আকিব হোসেন জাবির তরুন লেখক, ছাত্রনেতা এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থী।
জন্য গঠিত হয়েছিল এবং তারা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেনি। এই ধরনের নির্লজ্জ মিথ্যাচার সেই সব বীর সন্তানদের চরম অপমান যারা সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেছিলেন। ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী মুজিব বাহিনী ছিল একটি উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত গেরিলা বাহিনী। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর মেজর জেনারেল সুজন সিং উবানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেরাদুনের পার্বত্য অঞ্চলে এই বাহিনীর সদস্যদের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের মান এতই উন্নত ছিল যে এই বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকে একেকজন বিশেষ যোদ্ধা হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছিল। দালিলিক প্রমাণ বলছে মুজিব বাহিনী কেবল পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধই করেনি বরং যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে ঢাকা চট্টগ্রাম ও খুলনা অঞ্চলের পাকিস্তানি রসদ
সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ পঙ্গু করে দিয়ে বিজয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। নাহিদ ইসলাম দাবি করেছেন যে মুজিব বাহিনী আওয়ামী লীগ ব্যতীত অন্য রাজনৈতিক পক্ষের লোকদের হত্যা করেছিল। এটি মূলত ইতিহাসের একটি জঘন্য বিকৃতি। মুজিব বাহিনী গঠিত হয়েছিল বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতি অবিচল আস্থা রেখে এবং তাদের লক্ষ্য ছিল একটি নির্দিষ্ট কমান্ডের অধীনে মুক্তিযুদ্ধকে পরিচালনা করা। যুদ্ধের ময়দানে তাদের বীরত্বগাথা আজও দেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে আছে। মূলত যারা স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল নাহিদ ইসলাম আজ তাদেরই ভাষা ব্যবহার করে নিজের স্বরূপ উন্মোচন করেছেন। পরিশেষে এটি স্পষ্ট যে মুজিব বাহিনী ছিল মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অনিবার্য এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শক্তি। দালিলিক প্রমাণ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী এই
বাহিনীর অবদান অনস্বীকার্য। নাহিদ ইসলামের মতো স্বাধীনতা বিরোধীদের মুখপাত্ররা যতই মিথ্যাচার করুক না কেন ইতিহাসের সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া সম্ভব নয়। মুজিব বাহিনীর বীরত্ব গাঁথা বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় চিরকাল অম্লান থাকবে। আকিব হোসেন জাবির তরুন লেখক, ছাত্রনেতা এবং আইন বিভাগের শিক্ষার্থী।



