ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
আমি একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা: সংসদে জামায়াত নেতা তাহের
একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধে জড়িত দল জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের নিজেকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ দাবি করেছেন।
আজ ৩০শে এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
তাহের বলেন, আমরা এখানে যারা বসে আছি, আমরা কেউ রাজাকার ছিলাম না, কেউ আল-বদর ছিলাম না। উই আর দ্য লিডারশিপ ইন জামায়াতে ইসলাম। যদি আপনি সেভাবে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন, আমিও একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা।
তিনি বলেন, আমার বাড়ি বর্ডারে। যুদ্ধের সময় যারা ইন্ডিয়ায় মাইগ্রেট হতো, তারা আমাদের উঠোনে আশ্রয় নিতো। আমরা তাদের নাস্তা খাওয়াতাম। আর ‘সেনাবাহিনী’ টহল দিচ্ছে কিনা পাহারা দিতাম, যখন ‘সেনাবাহিনী’
টহল দূরে থাকত, আমরা তাদেরকে গাইড করতাম- তারা যেন ইন্ডিয়া পার হয়ে যেতে পারে। জামায়াত নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের এমন বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধকে হাস্যকর পর্যায়ে টেনে নামানোর শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সংসদে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এসব হাস্যকর আলোচনা এবং ইতিহাস বিকৃতির সমালোচনা চলছে। খুলনা অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কাশেম এ প্রসঙ্গে বলেন, জামায়াতের নেতারা এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করতে। তিনি বলেন, সংসদে প্রতিটি আলোচনা দাঁড়ি-কমাসহ লিপিবদ্ধ করা হয়। জামায়াতের এই কুলাঙ্গারদের কথাগুলো ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার কাজে রসদ যোগাচ্ছে। একাত্তরের রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত কী করেছে, আমরা সবই জানি। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রাণ
বাঁচাতে ভারতে চলে যেতে চাইত, তাদের ধরিয়ে দিয়ে নির্বংশ করত আর তাদের বাড়িঘর জমিজমা সম্পদ লুটপাট করে নিত। এমন অসংখ্য জমিজমা তারা দখল করে নিয়েছে।
টহল দূরে থাকত, আমরা তাদেরকে গাইড করতাম- তারা যেন ইন্ডিয়া পার হয়ে যেতে পারে। জামায়াত নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের এমন বক্তব্য মুক্তিযুদ্ধকে হাস্যকর পর্যায়ে টেনে নামানোর শামিল বলে মন্তব্য করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সংসদে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এসব হাস্যকর আলোচনা এবং ইতিহাস বিকৃতির সমালোচনা চলছে। খুলনা অঞ্চলের বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কাশেম এ প্রসঙ্গে বলেন, জামায়াতের নেতারা এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করতে। তিনি বলেন, সংসদে প্রতিটি আলোচনা দাঁড়ি-কমাসহ লিপিবদ্ধ করা হয়। জামায়াতের এই কুলাঙ্গারদের কথাগুলো ভবিষ্যতে মুক্তিযুদ্ধকে বিতর্কিত করার কাজে রসদ যোগাচ্ছে। একাত্তরের রণাঙ্গনের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াত কী করেছে, আমরা সবই জানি। যারা মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রাণ
বাঁচাতে ভারতে চলে যেতে চাইত, তাদের ধরিয়ে দিয়ে নির্বংশ করত আর তাদের বাড়িঘর জমিজমা সম্পদ লুটপাট করে নিত। এমন অসংখ্য জমিজমা তারা দখল করে নিয়েছে।



