ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার বাণী
আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
বাংলা একাডেমির ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ
দুই যুগে ডায়াবেটিক রোগী ৮ গুণ
১ নভেম্বর: ইতিহাসের এই দিনে আলোচিত যত ঘটনা
মোগল সম্রাট আকবরের রাজত্বকালের সূচনা
ফিরে দেখা ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪: যা কিছু ঘটেছিল এদিন
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ এবং একজন হতদরিদ্র পঙ্গু ‘মনোয়ারা বিবি’
৭ মার্চ রোববার, ১৯৭১ সাল। লাখো মানুষের দ্রো/হে সেদিন শামিল ছিলেন হতদরিদ্র একজন নারী ‘মনোয়ারা বিবি’। তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়, ৮ মার্চ ১৯৭১ সালে প্রকাশিত সংবাদপত্র মারফত। সেখানে উল্লেখ আছে, বঙ্গবন্ধু উপস্থিত হওয়ার পূর্বে তিনি সেদিন গান গেয়ে মাতিয়ে রেখেছিলেন জনতাকে।
একাত্তরের ৭ই মার্চের তীব্র দ্রো/হের উজ্জ্বলতম ইতিহাসের একটি অংশ ধারণ করছে এই ছবিটি। দেশ স্বাধীন হলে এই নারীর কি এমন হতো, অথবা স্বাধীনতা পরবর্তীতে কি হয়েছে আমরা জানি না।
তবে, নিশ্চিতভাবেই বঙ্গভবন অথবা গণভবনে দাওয়াত প্রাপ্তদের কাতারে তিনি বা তাঁর মত অগণিতজনরা নেই। এটুকু অবশ্যই বলতেই পারি, একটি ভালো পোশাক আর তিনবেলা দু’মুঠো খাবার আর রাতে ঘুমাবার জন্য একটা ঘর,
এসবই ছিল তাঁর কাছে ‘স্বাধীনতার সমার্থক। আকাশ ছোঁয়া প্রত্যাশা নেই, কিন্তু তবুও তিনি হাজির হয়েছিলেন রেসকোর্সের ময়দানে। কেন? কোন যাদুকরের আহ্বানে, কেমন ছিল সেই ডাক? যেজন্য তিনি পঙ্গু হয়েও রেসকোর্সের মাঠে গেলেন। তাঁর মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমরা অনেক বাক্য কপ চাতে পারি কিন্তু নিশ্চিতভাবেই উপসংহার টানতে পারি না। যে বাঁশটি ধরে সেদিন মনোয়ারা বিবি দাঁড়িয়েছিলেন, সেটার মাথায় কালো পতাকা দৃশ্যমান। প্রতিবাদে তিনি শামিল হয়েছিলেন ধনী-নির্ধন বৈষম্য ঘুচিয়ে। সেদিনের লক্ষ্য ছিল সবার একটিই ‘স্বাধীনতা ও স্বাধিকার’। আমরা কি এই মানুষটির স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি? রাষ্ট্র কী নিশ্চিত করতে পেরেছে সকল নাগরিকের জন্য মৌলিক সব অধিকার? ৫৫ বছর যাবত, যে যার যার ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষায় এতই
বুঁদ হয়ে আছি যে, মানুষে মানুষে মহাসঙ্গমের লেশমাত্র নেই। সবাই যার যার খাঁচায় বাঁদর নৃত্য করছি! ‘গৌরব ও বেদনার একাত্তর’ তখনই সফল হবে, সার্থক হবে, যখন আমরা প্রকৃতভাবেই একটি মানবিক ও জন কল্যাণকর রাষ্ট্র-সমাজ গঠন করতে সক্ষম হবো। আজ যেন আমরা ভুলে না যাই, ‘বাংলা’ নামের দেশটি দাঁড়িয়ে আছে ত্রিশ লক্ষাধিক শহীদের রক্তস্নাত অবস্থায়। স্বাধীনতা এত সস্তা নয়, নয় এত ঠুনকো। ত্রিশ লক্ষাধিক শহীদের রক্ত মিশে আছে বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি জমিনে। যে জমিনে পা রাখছেন, খেলছেন, আত্মঅহমে দাবড়ে বেড়াচ্ছেন, সেই জমিনের মতো পবিত্র কোন ভূখণ্ড এই পৃথিবীতে নাই।বাংলাদেশি সংস্কৃতি মনোয়ারা বিবিরা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যান, যদিও তাঁরাই ইতিহাসের নির্মাতা। আজকের দিনে যার
উদাত্ত আহ্বানে লাখো জনতা রেসকোর্স ময়দানে সমবেত হয়েছিল, সেই অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ, মনোয়ারা বিবিদের মত হারিয়ে যাওয়া সকল অবদানকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। সৌজন্যে: গিরিধর দে/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র
এসবই ছিল তাঁর কাছে ‘স্বাধীনতার সমার্থক। আকাশ ছোঁয়া প্রত্যাশা নেই, কিন্তু তবুও তিনি হাজির হয়েছিলেন রেসকোর্সের ময়দানে। কেন? কোন যাদুকরের আহ্বানে, কেমন ছিল সেই ডাক? যেজন্য তিনি পঙ্গু হয়েও রেসকোর্সের মাঠে গেলেন। তাঁর মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমরা অনেক বাক্য কপ চাতে পারি কিন্তু নিশ্চিতভাবেই উপসংহার টানতে পারি না। যে বাঁশটি ধরে সেদিন মনোয়ারা বিবি দাঁড়িয়েছিলেন, সেটার মাথায় কালো পতাকা দৃশ্যমান। প্রতিবাদে তিনি শামিল হয়েছিলেন ধনী-নির্ধন বৈষম্য ঘুচিয়ে। সেদিনের লক্ষ্য ছিল সবার একটিই ‘স্বাধীনতা ও স্বাধিকার’। আমরা কি এই মানুষটির স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি? রাষ্ট্র কী নিশ্চিত করতে পেরেছে সকল নাগরিকের জন্য মৌলিক সব অধিকার? ৫৫ বছর যাবত, যে যার যার ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থ রক্ষায় এতই
বুঁদ হয়ে আছি যে, মানুষে মানুষে মহাসঙ্গমের লেশমাত্র নেই। সবাই যার যার খাঁচায় বাঁদর নৃত্য করছি! ‘গৌরব ও বেদনার একাত্তর’ তখনই সফল হবে, সার্থক হবে, যখন আমরা প্রকৃতভাবেই একটি মানবিক ও জন কল্যাণকর রাষ্ট্র-সমাজ গঠন করতে সক্ষম হবো। আজ যেন আমরা ভুলে না যাই, ‘বাংলা’ নামের দেশটি দাঁড়িয়ে আছে ত্রিশ লক্ষাধিক শহীদের রক্তস্নাত অবস্থায়। স্বাধীনতা এত সস্তা নয়, নয় এত ঠুনকো। ত্রিশ লক্ষাধিক শহীদের রক্ত মিশে আছে বাংলাদেশের প্রতি ইঞ্চি জমিনে। যে জমিনে পা রাখছেন, খেলছেন, আত্মঅহমে দাবড়ে বেড়াচ্ছেন, সেই জমিনের মতো পবিত্র কোন ভূখণ্ড এই পৃথিবীতে নাই।বাংলাদেশি সংস্কৃতি মনোয়ারা বিবিরা ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে যান, যদিও তাঁরাই ইতিহাসের নির্মাতা। আজকের দিনে যার
উদাত্ত আহ্বানে লাখো জনতা রেসকোর্স ময়দানে সমবেত হয়েছিল, সেই অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ, মনোয়ারা বিবিদের মত হারিয়ে যাওয়া সকল অবদানকারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি। সৌজন্যে: গিরিধর দে/ বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র



