প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস আজ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১১ March, ২০২৬

প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১১ March, ২০২৬ |
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের অনেক আগেই ভাষার প্রশ্নটি সামনে আসে বাঙালি জাতির। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলা ভাষার ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় দিন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এটিই ছিল বাঙালির প্রথম সুসংগঠিত রাজপথের প্রতিরোধ। এ দিনটি বাঙালির আত্মপরিচয় রক্ষার আন্দোলনের এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসকগোষ্ঠী বাঙালির সংস্কৃতি ও ভাষার ওপর আঘাত হানে। ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত গণপরিষদ অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান, যা মুসলিম লীগ সরকার সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। এর প্রতিবাদে ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালিত হয় এবং ২ মার্চ ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম

পরিষদ’ পুনর্গঠিত হয়। পরিষদ ১১ মার্চ সারা দেশে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। পূর্বঘোষিত ধর্মঘটের ডাক অনুযায়ী ১১ মার্চ ভোর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা রাজপথে নেমে আসে। সচিবালয়, রেলওয়ে স্টেশন এবং পোস্ট অফিসের সামনে পিকেটিং শুরু হয়। ঢাকার রাজপথ সেদিন ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। আন্দোলনের তীব্রতা দেখে তৎকালীন সরকার দমন-পীড়ন শুরু করে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এতে শত শত ছাত্র আহত হন। পুলিশি বাধা সত্ত্বেও বাঙালি পিছু হটেনি, বরং আন্দোলন আরও বেগবান হয়। পুলিশ এদিন ব্যাপক আকারে ধরপাকড় শুরু করে। আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হক, অলি আহাদ, কাজী গোলাম মাহবুব এবং শওকত

আলীর মতো নেতাদের গ্রেপ্তার করা হয়। প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস আজ পে স্কেল নিয়ে সরকার কী ভাবছে? এ গণগ্রেপ্তারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে পূর্ব বাংলার সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলে ওঠে। ১১ তারিখের পর ১২ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত টানা বিক্ষোভ চলে। শেষ পর্যন্ত তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ছাত্রদের সঙ্গে আট দফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন, যেখানে গ্রেপ্তারকৃতদের মুক্তি এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে আলোচনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। ১১ মার্চের এ ধর্মঘট প্রমাণ করেছিল যে, বাঙালি জাতি তাদের মায়ের ভাষার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। এটিই ছিল ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম মূল ভিত্তি; যা বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের দিকে ধাবিত করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য শ্রীলঙ্কার কোচের হুমকি, ফারহানের জার্সি নিলে এক বছরের নিষেধাজ্ঞা সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে ফের সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনা করবে সংসদীয় ককাস যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের কারণ ইরান যুদ্ধ: জেডি ভ্যান্স কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের