ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান
হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা
চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ
মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্টি (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকিন আহমেদ বলেছেন, ব্যবসা পরিচালনার বিভিন্ন স্তরে অনানুষ্ঠানিক চাঁদা এখন নিয়মিত চর্চায় পরিণত হয়েছে। পুলিশ, সিটি করপোরেশন, আয়কর দপ্তরসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে ধাপে ধাপে। এতে ব্যবসার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে এবং নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি বলেন, ইউনূস সরকারের সময় দেশে চাদাবাজি আরো ৫০ শতাংশ বেড়েছিল।
সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
তাসকিন আহমেদ নতুন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বহু
ধরনের চাঁদাবাজির পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অন্যথায় এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, সরকারি খাতে স্বচ্ছতা না থাকায় কর-জিডিপি অনুপাত প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন। তাই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। ডিসিসিআই সভাপতি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আরো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি কমেনি বলেও
অভিযোগ করেন তিনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারকে জরুরি উল্লেখ করে তিনি এনবিআর পৃথকীকরণ ও দ্রুত অটোমেশন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, কার্যকর উদ্যোগ নিলে আট মাসের মধ্যেই অটোমেশন সম্পন্ন করা সম্ভব। কর কাঠামো সহজ করতে টার্নওভার কর ০.৬ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবও দেন তিনি। ব্যাংকঋণ গ্রহণে অতিরিক্ত কাগজপত্র ও জটিল প্রক্রিয়াকে ব্যবসা সম্প্রসারণের বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিনিয়োগ সহজ করতে ইধহমষধফবংয ওহাবংঃসবহঃ উবাবষড়ঢ়সবহঃ অঁঃযড়ৎরঃু (বিডা)-এর ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। আর্থিক খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাসকিন আহমেদ বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ
শ্রেণিকরণে গ্রেস পিরিয়ড ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৩ মাসে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতে খেলাপি ঋণ কৃত্রিমভাবে বেড়ে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশ। পাশাপাশি ঋণের সুদহার ১৬ থেকে ১৭ শতাংশে পৌঁছায় প্রকৃত ব্যবসাগুলো কার্যকরী মূলধনের সংকটে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতি সুদহার কমানো এবং প্রকৃত ব্যবসার জন্য ভর্তুকিযুক্ত ঋণ সুবিধা চালুর আহ্বান জানান তিনি। মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ ঋণ ব্যয়ের কারণে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন।
ধরনের চাঁদাবাজির পাশাপাশি সরকারি দপ্তরের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। অন্যথায় এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, সরকারি খাতে স্বচ্ছতা না থাকায় কর-জিডিপি অনুপাত প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে না। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে অনেক উদ্যোক্তা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন। তাই আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। ডিসিসিআই সভাপতি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আরো ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও সরকারি দপ্তরে দুর্নীতি কমেনি বলেও
অভিযোগ করেন তিনি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সংস্কারকে জরুরি উল্লেখ করে তিনি এনবিআর পৃথকীকরণ ও দ্রুত অটোমেশন সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, কার্যকর উদ্যোগ নিলে আট মাসের মধ্যেই অটোমেশন সম্পন্ন করা সম্ভব। কর কাঠামো সহজ করতে টার্নওভার কর ০.৬ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবও দেন তিনি। ব্যাংকঋণ গ্রহণে অতিরিক্ত কাগজপত্র ও জটিল প্রক্রিয়াকে ব্যবসা সম্প্রসারণের বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। বিনিয়োগ সহজ করতে ইধহমষধফবংয ওহাবংঃসবহঃ উবাবষড়ঢ়সবহঃ অঁঃযড়ৎরঃু (বিডা)-এর ‘সিঙ্গেল উইন্ডো’ ব্যবস্থা কার্যকর করার দাবি জানান ব্যবসায়ীরা। আর্থিক খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাসকিন আহমেদ বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ
শ্রেণিকরণে গ্রেস পিরিয়ড ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৩ মাসে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এতে খেলাপি ঋণ কৃত্রিমভাবে বেড়ে প্রায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট ঋণের প্রায় ৩৬ শতাংশ। পাশাপাশি ঋণের সুদহার ১৬ থেকে ১৭ শতাংশে পৌঁছায় প্রকৃত ব্যবসাগুলো কার্যকরী মূলধনের সংকটে পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে নীতি সুদহার কমানো এবং প্রকৃত ব্যবসার জন্য ভর্তুকিযুক্ত ঋণ সুবিধা চালুর আহ্বান জানান তিনি। মুদ্রার অবমূল্যায়ন ও উচ্চ ঋণ ব্যয়ের কারণে ব্যবসা পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন।



