ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আটক সাংবাদিকদের বিষয়ে ৬৩ বিশিষ্ট জনের উদ্বেগ প্রকাশ
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে ভাঙনের সুর; ‘রাজসাক্ষী’ বানিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: আবু সাইয়ীদ সাগরসহ দেড় শতাধিক আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রস্তুতি সভা রূপ নিল মিলনমেলায়
ট্রাইবুনালে ভুয়া সাক্ষ্য উপস্থাপন: অপসারিত চিফ প্রসিকিউটর তাজুলের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি
‘ইউনূস সরকার আমাকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল, এখন আমি সম্পূর্ণ চাপমুক্ত’: একান্ত সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
টাকার বস্তার বিনিময়ে খুনিদের রাজসাক্ষী বানাচ্ছে ‘তাজুল সিন্ডিকেট’! নিজ সহকর্মীর চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস
নিজস্ব প্রতিবেদক: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে ভয়াবহ দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য এবং আসামিদের টাকার বিনিময়ে দায়মুক্তি দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। খোদ ট্রাইব্যুনালেরই আরেক প্রসিকিউটর বি.এম. সুলতান মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মন্তব্য করে এই ‘তাজুল-শিশির মনির সিন্ডিকেট’-এর গোমর ফাঁস করেছেন।
সম্প্রতি আদালতে সাভারের লাশ পোড়ানো মামলার এক আসামির ‘টাকা দিতে না পারায় ফাঁসি হয়েছে’—এমন চিৎকারের পর প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদের এই বিস্ফোরক মন্তব্য ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা নিয়ে গভীর প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
‘ভারী ব্যাগ’ এবং আফজালের দায়মুক্তি
ফেসবুক পোস্টে দেওয়া মন্তব্যে প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ অভিযোগ করেন, গত বছরের নভেম্বরের শেষ দিকে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো মামলার আসামি আফজালের স্ত্রী সন্ধ্যার
দিকে একটি ‘ভারী ব্যাগ’ নিয়ে তামিম নামের একজনের রুমে প্রবেশ করেন। বিষয়টি হাতেনাতে দেখার পর সুলতান মাহমুদ তাৎক্ষণিকভাবে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে জানান। কিন্তু তাজুল ইসলাম কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদের বকাঝকা করেন। পরবর্তীতে তামিম সবার সামনে আফজালের স্ত্রীর তার রুমে আসার কথা স্বীকার করলেও, চিফ প্রসিকিউটর শুধু ‘কেন এসেছিল’ তা জিজ্ঞেস করেই দায়িত্ব শেষ করেন। সুলতান মাহমুদের দাবি, টাকার এই লেনদেনের কারণেই পরবর্তীতে খুনি আফজালকে রাজসাক্ষী বানিয়ে চূড়ান্ত বিচারে খালাস দেওয়া হয়। আইজিপি মামুনকে নিয়ে ‘রাজসাক্ষীর নাটক’ সুলতান মাহমুদ তার মন্তব্যে আরও ভয়ংকর অভিযোগ এনেছেন সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নিয়ে। শত শত ছাত্র-জনতা হত্যার সরাসরি নির্দেশদাতা এই পুলিশ প্রধানকে রাজসাক্ষী
বানানোর নেপথ্যেও বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লেখেন, "ধানমন্ডি তদন্ত সংস্থায় বসে তাজুল ও শিশির মনির সিন্ডিকেট সাবেক আইজিপি মামুনকে রাজসাক্ষীর নাটক বানায়। সাবেক আইজিপি মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত সংস্থায় আনলে সেখানে শিশির মনির উপস্থিত থাকতো।" তার দাবি, এই সিন্ডিকেটের কারণেই দাগি খুনি পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার না করে নিরাপদে পালানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য মামলার আসামিদের ছাড় শুধু আশুলিয়া বা আইজিপি মামুন নয়, টাকার বিনিময়ে আরও অনেক খুনিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে: চানখাঁরপুল হত্যা মামলা: এসআই আশরাফুল সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিচ্ছেন—এমন ভিডিও থাকার পরও তাকে আসামি না করে সাক্ষী করা হয়েছে। (ভিডিওটি সুলতান মাহমুদের
কাছে সংরক্ষিত আছে বলে তিনি জানান)। রংপুরের আবু সাঈদ হত্যা মামলা: আদালতে সাক্ষীরা সরাসরি ইমরানের নাম বলার পরও তাকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ার এখন ‘টাকা কামানোর হাতিয়ার’ প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে জানান, ৩-৪ জনের একটি সিন্ডিকেট শুরু থেকেই এই চক্রে জড়িত। তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, "চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে টাকা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে তৈরি করে রেখেছে এই তাজুল সিন্ডিকেট।" যারা এই সিন্ডিকেটের সাফাই গাইছেন, তারা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ নামের এক ব্যক্তি
কমেন্টে সুলতান মাহমুদকে প্রশ্ন করেন, "ভাই আপনি নিজেও তো একজন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর। আপনার দায় এড়াবেন কীভাবে?" জবাবে সুলতান মাহমুদ অসহায়ত্ব প্রকাশ করে লেখেন, "আমি বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েছি, শহীদ পরিবারকে নিয়ে মাঠে নেমেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।" খোদ ট্রাইব্যুনালের ভেতরের একজন প্রসিকিউটরের কাছ থেকে চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ (ভারী ব্যাগ বা টাকার লেনদেন, খুনিদের রাজসাক্ষী বানানো এবং তদন্তে হস্তক্ষেপ) বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থায় বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিচারের নামে ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নিজেদের পকেট ভারী করছে কি না, তা নিয়ে এখন জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহের সৃষ্টি
হয়েছে।
দিকে একটি ‘ভারী ব্যাগ’ নিয়ে তামিম নামের একজনের রুমে প্রবেশ করেন। বিষয়টি হাতেনাতে দেখার পর সুলতান মাহমুদ তাৎক্ষণিকভাবে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলামকে জানান। কিন্তু তাজুল ইসলাম কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো তাদের বকাঝকা করেন। পরবর্তীতে তামিম সবার সামনে আফজালের স্ত্রীর তার রুমে আসার কথা স্বীকার করলেও, চিফ প্রসিকিউটর শুধু ‘কেন এসেছিল’ তা জিজ্ঞেস করেই দায়িত্ব শেষ করেন। সুলতান মাহমুদের দাবি, টাকার এই লেনদেনের কারণেই পরবর্তীতে খুনি আফজালকে রাজসাক্ষী বানিয়ে চূড়ান্ত বিচারে খালাস দেওয়া হয়। আইজিপি মামুনকে নিয়ে ‘রাজসাক্ষীর নাটক’ সুলতান মাহমুদ তার মন্তব্যে আরও ভয়ংকর অভিযোগ এনেছেন সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনকে নিয়ে। শত শত ছাত্র-জনতা হত্যার সরাসরি নির্দেশদাতা এই পুলিশ প্রধানকে রাজসাক্ষী
বানানোর নেপথ্যেও বিশাল অঙ্কের আর্থিক লেনদেন রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি লেখেন, "ধানমন্ডি তদন্ত সংস্থায় বসে তাজুল ও শিশির মনির সিন্ডিকেট সাবেক আইজিপি মামুনকে রাজসাক্ষীর নাটক বানায়। সাবেক আইজিপি মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত সংস্থায় আনলে সেখানে শিশির মনির উপস্থিত থাকতো।" তার দাবি, এই সিন্ডিকেটের কারণেই দাগি খুনি পুলিশ কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার না করে নিরাপদে পালানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য মামলার আসামিদের ছাড় শুধু আশুলিয়া বা আইজিপি মামুন নয়, টাকার বিনিময়ে আরও অনেক খুনিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে: চানখাঁরপুল হত্যা মামলা: এসআই আশরাফুল সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিচ্ছেন—এমন ভিডিও থাকার পরও তাকে আসামি না করে সাক্ষী করা হয়েছে। (ভিডিওটি সুলতান মাহমুদের
কাছে সংরক্ষিত আছে বলে তিনি জানান)। রংপুরের আবু সাঈদ হত্যা মামলা: আদালতে সাক্ষীরা সরাসরি ইমরানের নাম বলার পরও তাকে কেন অব্যাহতি দেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এছাড়া, আওয়ামী লীগ নেতাদের বিচারপ্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করে জনগণকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ার এখন ‘টাকা কামানোর হাতিয়ার’ প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে জানান, ৩-৪ জনের একটি সিন্ডিকেট শুরু থেকেই এই চক্রে জড়িত। তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, "চিফ প্রসিকিউটরের চেয়ারকে টাকা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে তৈরি করে রেখেছে এই তাজুল সিন্ডিকেট।" যারা এই সিন্ডিকেটের সাফাই গাইছেন, তারা শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। কাজী মোস্তাফিজুর রহমান আহাদ নামের এক ব্যক্তি
কমেন্টে সুলতান মাহমুদকে প্রশ্ন করেন, "ভাই আপনি নিজেও তো একজন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর। আপনার দায় এড়াবেন কীভাবে?" জবাবে সুলতান মাহমুদ অসহায়ত্ব প্রকাশ করে লেখেন, "আমি বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েছি, শহীদ পরিবারকে নিয়ে মাঠে নেমেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।" খোদ ট্রাইব্যুনালের ভেতরের একজন প্রসিকিউটরের কাছ থেকে চিফ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে এমন সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ (ভারী ব্যাগ বা টাকার লেনদেন, খুনিদের রাজসাক্ষী বানানো এবং তদন্তে হস্তক্ষেপ) বিচার বিভাগের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থায় বড় ধরনের ফাটল ধরাতে পারে। জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের রক্তের বিচারের নামে ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নিজেদের পকেট ভারী করছে কি না, তা নিয়ে এখন জনমনে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহের সৃষ্টি
হয়েছে।



