ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস
ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী
গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের!
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস
দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) বর্তমান পর্ষদের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি)। স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন অনুযায়ী, প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর মেয়াদ গণনা করা হয়। ২০২১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বর্তমান পর্ষদের প্রথম সভা হওয়ায় সেই হিসাবে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তবে মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পরও নিজের চেয়ার ছাড়তে নারাজ বিএনপির চট্টগ্রাম নগর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক ও বর্তমান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
মেয়রের পদে থাকার বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যাও তুলে ধরেছেন তিনি। তাঁর দাবি, আদালতের নির্দেশে তিনি ২০২৯ সালের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালনের বৈধতা পেয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত
তিনি স্বপদে বহাল থাকতে চান। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি পার্ক উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আদালতের রায়ের মাধ্যমে আগের মেয়রের পুরো সময়কাল অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমি যেদিন শপথ নিয়েছি, সেদিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছি। সেই হিসাবে আমার মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।’ যুক্তির সপক্ষে তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আমাকে যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়েছে, তার মেয়াদও পাঁচ বছরের। তাছাড়া, আমি প্রশাসককে সরিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি, তাই এখন আর চসিকে নতুন করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার আইনি সুযোগ নেই।’ ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারির চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে
মেয়র নির্বাচিত হন। সেখানে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন পান ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তিনি। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম আত্মগোপনে চলে যান। পরে ১৯ আগস্ট তাঁকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত ১ অক্টোবর আদালত ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে রায় দেন। ৮ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন তাঁকে মেয়র ঘোষণার সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং ৫ নভেম্বর শপথ নিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদের দাবি করলেও দ্রুত একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষেও
মত দিয়েছেন ডা. শাহাদাত। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে কখনো উৎসবমুখর ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন মোকাবিলার সুযোগ পাইনি। চট্টগ্রামের ২২ লাখ ভোটারের কতজন আমাকে সমর্থন করেন, তা আমি গণতান্ত্রিক ভোটের মাধ্যমেই জানতে চাই।’ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে এবং দল মনোনয়ন দিলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনী মাঠে নামবেন বলেও জানান তিনি। শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকাতেও দ্রুত নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ডা. শাহাদাত। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হলে মেয়রের দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। তবে বর্তমান মেয়র যেহেতু আদালতের রায়ে দায়িত্ব পেয়েছেন, তাই এখানে আইনি অস্পষ্টতা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে
এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রজ্ঞাপন আসেনি। মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তিনি নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র। পাশাপাশি, নগরবাসীর সুবিধার্থে আগামী মাস থেকে ‘ডোর টু ডোর’ বর্জ্য অপসারণের জন্য ধার্যকৃত ফি মওকুফ করে চসিক নিজস্ব অর্থায়নে এ কার্যক্রম চালাবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
তিনি স্বপদে বহাল থাকতে চান। গতকাল দুপুরে চট্টগ্রামের হালিশহরে একটি পার্ক উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘আদালতের রায়ের মাধ্যমে আগের মেয়রের পুরো সময়কাল অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আমি যেদিন শপথ নিয়েছি, সেদিন থেকে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছি। সেই হিসাবে আমার মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।’ যুক্তির সপক্ষে তিনি আরও বলেন, ‘সরকার আমাকে যে কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়েছে, তার মেয়াদও পাঁচ বছরের। তাছাড়া, আমি প্রশাসককে সরিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি, তাই এখন আর চসিকে নতুন করে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ার আইনি সুযোগ নেই।’ ২০২১ সালের ২৭ জানুয়ারির চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট পেয়ে
মেয়র নির্বাচিত হন। সেখানে বিএনপির প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন পান ৫২ হাজার ৪৮৯ ভোট। নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে ওই বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন তিনি। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সাবেক মেয়র রেজাউল করিম আত্মগোপনে চলে যান। পরে ১৯ আগস্ট তাঁকে অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে গত ১ অক্টোবর আদালত ডা. শাহাদাত হোসেনকে মেয়র ঘোষণা করে রায় দেন। ৮ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন তাঁকে মেয়র ঘোষণার সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করে এবং ৫ নভেম্বর শপথ নিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৯ সাল পর্যন্ত মেয়াদের দাবি করলেও দ্রুত একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষেও
মত দিয়েছেন ডা. শাহাদাত। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় চার দশকের রাজনৈতিক জীবনে কখনো উৎসবমুখর ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন মোকাবিলার সুযোগ পাইনি। চট্টগ্রামের ২২ লাখ ভোটারের কতজন আমাকে সমর্থন করেন, তা আমি গণতান্ত্রিক ভোটের মাধ্যমেই জানতে চাই।’ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হলে এবং দল মনোনয়ন দিলে মেয়রের পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচনী মাঠে নামবেন বলেও জানান তিনি। শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকাতেও দ্রুত নির্বাচন হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন ডা. শাহাদাত। স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশোধিত আইন অনুযায়ী মেয়াদ পূর্ণ হলে মেয়রের দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। তবে বর্তমান মেয়র যেহেতু আদালতের রায়ে দায়িত্ব পেয়েছেন, তাই এখানে আইনি অস্পষ্টতা রয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে
এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত বা প্রজ্ঞাপন আসেনি। মন্ত্রণালয়ের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তিনি নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র। পাশাপাশি, নগরবাসীর সুবিধার্থে আগামী মাস থেকে ‘ডোর টু ডোর’ বর্জ্য অপসারণের জন্য ধার্যকৃত ফি মওকুফ করে চসিক নিজস্ব অর্থায়নে এ কার্যক্রম চালাবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।



