ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস
ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী
গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের!
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস
দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামকে তাঁর পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলামের নাম সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের বিবেচনায় রয়েছে বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট একটি উচ্চপদস্থ সূত্র জানায়, গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনের বেলা তাজুল ইসলামকে নিজের কার্যালয়ে ডেকে পাঠান আইন উপদেষ্টা। সেখানে তাঁকে নতুন চিফ প্রসিকিউটর নিয়োগে সরকারের উচ্চমহলের আগ্রহের কথা অনানুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়। আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এ–সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানা গেছে।
তবে অপসারণের বিষয়ে জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমের কাছে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। সরকারের মুখপাত্রদের কাছ থেকেও এখন পর্যন্ত এ
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে যাঁর নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে, সেই অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ওই মামলায় দণ্ডিত হয়ে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল। ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানও গতকাল রোববার রাতে তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পরিবর্তনের এই খবরটি প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, অপসারণের গুঞ্জনের মধ্যেই গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে বা প্রসিকিউশন দলের অন্য কোনো সদস্যকে অপসারণের কোনো ইঙ্গিত তিনি পাননি। তখন তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়
কাজ চলবে।’ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচারের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত গুমের মামলাগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রসিকিউটরের পদে আকস্মিক এই পরিবর্তন বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ও আইনি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে জুলাই গণহত্যার
মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মামলাগুলোর অগ্রগতি, তদন্তের ধারা এবং ট্রাইব্যুনালের নীতিগত অবস্থান নিয়ে আইনাঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।
বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে যাঁর নাম জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে, সেই অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলায় তাঁর আইনজীবী প্যানেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ওই মামলায় দণ্ডিত হয়ে তাঁকে কারাবরণও করতে হয়েছিল। ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানও গতকাল রোববার রাতে তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পরিবর্তনের এই খবরটি প্রকাশ করেছেন। উল্লেখ্য, অপসারণের গুঞ্জনের মধ্যেই গত ২০ ফেব্রুয়ারি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তাজুল ইসলাম বলেছিলেন, সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে বা প্রসিকিউশন দলের অন্য কোনো সদস্যকে অপসারণের কোনো ইঙ্গিত তিনি পাননি। তখন তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন, ‘ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায়
কাজ চলবে।’ ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচারের উদ্যোগ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে অ্যাটর্নি জেনারেলের সমমর্যাদায় চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। বর্তমানে এই ট্রাইব্যুনালে বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে সংঘটিত গুমের মামলাগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া চলছে। বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি আইনি প্রতিষ্ঠানের প্রধান প্রসিকিউটরের পদে আকস্মিক এই পরিবর্তন বিচারপ্রক্রিয়ায় প্রশাসনিক ও আইনি প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে জুলাই গণহত্যার
মতো গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মামলাগুলোর অগ্রগতি, তদন্তের ধারা এবং ট্রাইব্যুনালের নীতিগত অবস্থান নিয়ে আইনাঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে।



