ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে
সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস
ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ
‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী
গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের!
দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস
রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে ক্ষমতা ছাড়ার আগে দেশবিরোধী চুক্তি করে যান শান্তিতে নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ নিয়ে মুখ খুলেছেন খোদ রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে কালেরকণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, না, ওই চুক্তির বিষয়ে কোনো কিছুই আমি জানি না। এ রকম রাষ্ট্রীয় একটা চুক্তি অবশ্যই আমাকে জানানো দরকার ছিল। এটা ছোটখাটো হোক আর বড় কিছু হোক, অবশ্যই পূর্ববর্তী সরকারপ্রধানরা রাষ্ট্রপতিকে জানিয়েছেন। আর এটি হলো সাংবিধানিক একটা বাধ্যবাধকতা। কিন্তু তিনি তো তা করেননি। মৌখিকভাবেও জানাননি, লিখিতভাবেও জানাননি। আসেনওনি। আর এমনিতেই তো উনার আসার কথা!
যে কারণে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেননি ইউনূস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড.
মুহাম্মদ ইউনূস তার মেয়াদের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন এক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছিলেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই ‘রিসিপোকাল ট্রেড’ বা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির শর্তগুলো বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল একটি সাধারণ বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়ার এক নীল নকশা। সমালোচকরা একে ‘দেশবিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও অভিহিত করছেন। চুক্তিটির বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করলে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যে ভয়াবহ ক্ষতির দিকগুলো ফুটে ওঠে, তা নিচে তুলে ধরা হলো: জাতীয় ক্রয় ও আমদানির ওপর কঠিন বাধ্যবাধকতা চুক্তির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে
বাংলাদেশ কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট পণ্য ও সেবা কেনার চরম শর্ত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রয় ক্ষমতাকে কার্যত পরাধীন করা হয়েছে: বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা: বাংলাদেশ বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানির বিশাল বোঝা: আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (LNG) কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলেও বাংলাদেশকে চড়া মূল্যে মার্কিন গ্যাস কিনতে হবে, যার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর পড়বে। কৃষিখাতে আঘাত: বছরে ৭ লাখ টন গম এবং ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিনসহ মোট ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। এটি দেশীয় কৃষকদের পথে বসিয়ে দেওয়ার নামান্তর। দেশীয় শিল্প ও ভর্তুকি ধ্বংসের নীল
নকশা চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক পর্যায়ক্রমে তুলে নিতে হবে। এর চেয়েও ভয়াভহ বিষয় হলো, রাষ্ট্রীয় শিল্প সংস্থাগুলোকে সরকার আর কোনো ভর্তুকি দিতে পারবে না। ফলে বিটাক বা চিনিকলের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। মেধা সম্পদ ও ডিজিটাল বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের সমপর্যায়ের কঠোর আইপি আইন কার্যকর করার শর্তে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়বে। ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, গুগল-ফেসবুকের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টদের ওপর কোনো ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স’ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় রাষ্ট্র কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও
সার্বভৌমত্বে আঘাত চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এটি মূলত চীন বা অন্যান্য শক্তিশালী বাণিজ্যিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করার একটি কৌশল। এমনকি নির্দিষ্ট দেশ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি বা চুল্লি কেনার ক্ষেত্রেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য করা হয়েছে বাংলাদেশকে। শ্রম ও পরিবেশের দোহাই দিয়ে রপ্তানি খাতে হুমকি পোশাক খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধার আশা দেওয়া হলেও, শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে শ্রম অধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় মার্কিন মানদণ্ড সামান্য বিঘ্নিত হলেই আবারও শুল্ক আরোপ করা হবে। দেশের শিল্পকারখানাগুলোর জন্য এই হঠাৎ কড়াকড়ি সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। রাজনৈতিক
বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, তড়িঘড়ি করে সই করা এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি, জ্বালানি এবং সার্বভৌম নীতি নির্ধারণী ক্ষমতাকে বিদেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
মুহাম্মদ ইউনূস তার মেয়াদের শেষ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এমন এক বাণিজ্য চুক্তিতে সই করেছিলেন, যা নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই ‘রিসিপোকাল ট্রেড’ বা পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির শর্তগুলো বিশ্লেষণ করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল একটি সাধারণ বাণিজ্য চুক্তি নয়, বরং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব ও দেশীয় শিল্পের ভবিষ্যৎকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দেওয়ার এক নীল নকশা। সমালোচকরা একে ‘দেশবিক্রির চুক্তি’ হিসেবেও অভিহিত করছেন। চুক্তিটির বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করলে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য যে ভয়াবহ ক্ষতির দিকগুলো ফুটে ওঠে, তা নিচে তুলে ধরা হলো: জাতীয় ক্রয় ও আমদানির ওপর কঠিন বাধ্যবাধকতা চুক্তির একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে
বাংলাদেশ কর্তৃক যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট পণ্য ও সেবা কেনার চরম শর্ত। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রয় ক্ষমতাকে কার্যত পরাধীন করা হয়েছে: বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনা: বাংলাদেশ বিমানকে যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং কোম্পানি থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছে। জ্বালানির বিশাল বোঝা: আগামী ১৫ বছরে ১৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন এলএনজি (LNG) কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম কমলেও বাংলাদেশকে চড়া মূল্যে মার্কিন গ্যাস কিনতে হবে, যার দায়ভার সাধারণ জনগণের ওপর পড়বে। কৃষিখাতে আঘাত: বছরে ৭ লাখ টন গম এবং ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের সয়াবিনসহ মোট ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। এটি দেশীয় কৃষকদের পথে বসিয়ে দেওয়ার নামান্তর। দেশীয় শিল্প ও ভর্তুকি ধ্বংসের নীল
নকশা চুক্তি অনুযায়ী, মার্কিন পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের শুল্ক পর্যায়ক্রমে তুলে নিতে হবে। এর চেয়েও ভয়াভহ বিষয় হলো, রাষ্ট্রীয় শিল্প সংস্থাগুলোকে সরকার আর কোনো ভর্তুকি দিতে পারবে না। ফলে বিটাক বা চিনিকলের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলো অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ে চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। মেধা সম্পদ ও ডিজিটাল বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের সমপর্যায়ের কঠোর আইপি আইন কার্যকর করার শর্তে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প বড় ধরনের সংকটে পড়বে। ওষুধের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া, গুগল-ফেসবুকের মতো মার্কিন টেক জায়ান্টদের ওপর কোনো ‘ডিজিটাল সার্ভিস ট্যাক্স’ আরোপ না করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় রাষ্ট্র কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে। বৈদেশিক সম্পর্কের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও
সার্বভৌমত্বে আঘাত চুক্তির ৪.৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো দেশের সাথে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করে, তবে যুক্তরাষ্ট্র এই চুক্তি বাতিল করতে পারবে। এটি মূলত চীন বা অন্যান্য শক্তিশালী বাণিজ্যিক দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নষ্ট করার একটি কৌশল। এমনকি নির্দিষ্ট দেশ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি বা চুল্লি কেনার ক্ষেত্রেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মানতে বাধ্য করা হয়েছে বাংলাদেশকে। শ্রম ও পরিবেশের দোহাই দিয়ে রপ্তানি খাতে হুমকি পোশাক খাতে শুল্কমুক্ত সুবিধার আশা দেওয়া হলেও, শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে যে শ্রম অধিকার ও পরিবেশ রক্ষায় মার্কিন মানদণ্ড সামান্য বিঘ্নিত হলেই আবারও শুল্ক আরোপ করা হবে। দেশের শিল্পকারখানাগুলোর জন্য এই হঠাৎ কড়াকড়ি সামলানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। রাজনৈতিক
বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, তড়িঘড়ি করে সই করা এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের কৃষি, জ্বালানি এবং সার্বভৌম নীতি নির্ধারণী ক্ষমতাকে বিদেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।



