বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিশ্বাসঘাতকতা ও ইতিহাস অস্বীকারই ড. ইউনুসের কৌশল

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
রাজনীতিতে দ্বিচারিতা যখন কৌশলে পরিণত হয়, তখন তা আর নেতৃত্ব থাকে না—তা হয়ে ওঠে সুপরিকল্পিত প্রতারণা। ড. ইউনুসের রাজনৈতিক অবস্থান আজ সেই প্রতারণারই প্রতীক। দেশের ভেতরে ভারতবিরোধী আবেগে আগুন জ্বালানো, আর একই সঙ্গে ভারতের রাষ্ট্র ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে একের পর এক পুরস্কার-সম্মান কুড়িয়ে নেওয়া—এটি কোনো কূটনৈতিক ভারসাম্য নয়, এটি নীতিহীনতার প্রকাশ। তথ্য নির্মমভাবে কথা বলে। ভারত থেকে পাওয়া ১৮টির বেশি পুরস্কার ও সম্মাননা, তিনটি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, গান্ধী শান্তি পুরস্কার, এবং দু’দফা নরেন্দ্র মোদীর হাত থেকে স্বর্ণপদক—এসব কি নিছক কাকতাল? না কি আন্তর্জাতিক বৈধতা কেনার সুস্পষ্ট বিনিয়োগ? নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট হাউসের সেন্ট্রাল হলে বক্তৃতার বিরল সুযোগ, একাধিক সম্মানসূচক উপাধি—সব মিলিয়ে প্রশ্নটি আরও

তীব্র হয়: ভারত যদি শত্রু হয়, তবে এই ঘনিষ্ঠতা কেন? আর যদি ভারত বন্ধু হয়, তবে দেশের মানুষের সামনে এই দ্ব্যর্থক, উসকানিমূলক নাটক কেন? এখানেই ড. ইউনুসের রাজনীতির আসল চরিত্র উন্মোচিত হয়। অভিযোগ উঠছে—একদিকে আন্তর্জাতিক মহলে গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা, অন্যদিকে ঘরোয়া রাজনীতিতে ভারতবিরোধী ভাষা ব্যবহার করে সমর্থন আদায়। এটি আদর্শের রাজনীতি নয়; এটি গোপন সমঝোতার ক্ষমতার খেলা। আরও উদ্বেগজনক হলো তাঁর ঘনিষ্ঠ সমর্থক বলয়ের তৎপরতা। ‘সেভেন সিস্টার্স’ ইস্যুতে উসকানিমূলক বক্তব্য, পাকিস্তানের সঙ্গে সান্নিধ্যের ইঙ্গিত, বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির প্রতি নীরবতা এবং ভারতবিরোধী মৌলবাদী গোষ্ঠীর উত্থান—সব মিলিয়ে একটি বিপজ্জনক প্রবণতার ছক স্পষ্ট হয়। এসব প্রশ্ন উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই, কারণ এর অভিঘাত রাজনীতির গণ্ডি ছাড়িয়ে রাষ্ট্রীয়

নিরাপত্তা পর্যন্ত পৌঁছায়। সবচেয়ে গুরুতর বিষয়টি হলো—স্বাধীনতার ইতিহাসকে খাটো করার চেষ্টা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কোনো মতামত নয়, এটি ঐতিহাসিক সত্য। সেই অবদান অস্বীকার করা মানে ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা। সমালোচকদের মতে, এই অস্বীকারও একটি কৌশল—এক শ্রেণির আবেগকে উসকে দিয়ে ক্ষমতার পথে দরজা খোলার কৌশল। বাংলাদেশের ভূরাজনীতিতে ভারত কোনো দূরবর্তী ধারণা নয়—এটি নিকটতম প্রতিবেশী ও কৌশলগত বাস্তবতা। এখানে মুখোশের রাজনীতি, সুবিধাবাদ আর দ্ব্যর্থকতা টেকসই নয়। নেতৃত্ব মানে স্পষ্টতা—বন্ধুত্ব হলে স্পষ্ট বন্ধুত্ব, বিরোধিতা হলে স্পষ্ট বিরোধিতা। মাঝখানে দাঁড়িয়ে সুবিধা নেওয়ার রাজনীতি শেষ পর্যন্ত জনগণের বিশ্বাসই ধ্বংস করে। আজ দেশের মানুষ আবেগে নয়, হিসাব করে প্রশ্ন তোলে। এই পুরস্কারগুলো সম্মান, না কি দরকষাকষির ফল? এই

ভারতবিরোধিতা আদর্শ, না কি ক্ষমতার হাতিয়ার? এটুকুই স্পষ্ট করে বলা জরুরিইতিহাস পদক দেখে নয়, অবস্থান দেখে বিচার করে। আর রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো জনগণের সামনে এক মুখ, ক্ষমতার করিডোরে আরেক মুখ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
‘ছিন্ন বিশ্বে’ একতার গান মালয়েশিয়ায় ৫ মাসে ৩০ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক হোয়াইট হাউসকে আরিয়ানার হুঁশিয়ারি, ‘বর্বর কাজে’ আমার গান ব্যবহার করবেন না ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই চিকিৎসাসামগ্রীর গুদাম শিক্ষা বাজেট বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেই: শিক্ষা অধিকার সংসদ আদ্‌-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা সিপিবির প্রতিক্রিয়া: বাজেটে নেই ব্যয় কমানোর আশাবাদ, বাড়বে বৈষম্য খুলনায় বাড়ির সামনে গুলি করে বিএনপি নেতা ঢাকাইয়া রফিককে হত্যা কার্যালয়ে চোরের হানা, নাশকতা চেষ্টার দাবি অ্যাটর্নি জেনারেল কুদ্দুসের ‘একই আকাশ, একই বাতাস’: বাংলাদেশ-ভারতের অভিন্ন স্বপ্নের কথা বললেন নতুন ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী শিশু ফাহিমা ধর্ষণ-হত্যা: ৩৩ দিন পর আদালতে চার্জশিট আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন প্রতিবেশীর শয়নকক্ষে মিলল শিশু ‘রাকার’ বস্তাবন্দি লাশ বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ফাইনাল দেখতে চান বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশ বিশ্বকাপের মাঝেই চলে গেলেন ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী তারকা ব্রিতো মেক্সিকো সিটিতে বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধন ৩ লাল কার্ডের নাটকীয় উদ্বোধনী ম্যাচে দ. আফ্রিকাকে হারাল মেক্সিকো পিছিয়ে পড়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারালো দক্ষিণ কোরিয়া