ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যমুনায় উঠছেন না প্রধানমন্ত্রী
সারা দেশে কখন কোথায় ঈদের জামাত
এনএসসিকে ‘হুমকি’ দিয়ে আরও বিপাকে বুলবুল
ঈদযাত্রায় দ্বিগুণ-তিনগুণ ভাড়া, দুই দশকের রেকর্ড ভাঙছে এবারের নৈরাজ্য: আদায় হবে অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৩০ কিলোমিটার যানজটে চরম ভোগান্তি ঈদে বাড়ি ফেরা মানুষের
রোহিঙ্গাদের জন্য তুর্কি সংস্থার দেয়া যাকাতের অর্থে জামায়াত-শিবিরের জাঁকজমকপূর্ণ ইফতার পার্টি, তুমুল সমালোচনা
ঈদযাত্রায় বাড়তি নয়, কম ভাড়া নিচ্ছে বাস: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী
গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের দাবি শেখ হাসিনার: ড. ইউনূসকে ভোটের মাঠে চ্যালেঞ্জ
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ডাক দিয়েছেন। সম্প্রতি এক অডিও বার্তায় তিনি দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সরাসরি নির্বাচনের মাঠে এসে জনপ্রিয়তা যাচাই করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচন বর্জন করতে নয়, বরং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায়। তিনি বলেন, “আমরা নির্বাচন করতে চাই। বিএনপি সবসময় নির্বাচন বর্জন করেছে, আমরা বয়কট করি না।” তিনি দাবি জানান, আওয়ামী লীগের ওপর আরোপিত অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং
দেশের অন্যতম প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলের নেতৃত্বেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের স্বাধীনতা এনেছিলেন। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই সরকার গঠন করেছে। গত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ একটি ‘উন্নয়নশীল ও বদলে যাওয়া বাংলাদেশে’ পরিণত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বক্তব্যে তিনি দলের নেতাকর্মীদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং কারাগারে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে সাবেক প্রধান বিচারপতি, সেনা
কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধা ও ১৪ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তিনি অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক হিসেবে অভিহিত করেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমি ডক্টর ইউনূসকেই চ্যালেঞ্জ করি—সে আসুক না, ইলেকশন করে দেখুক। জনগণের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাক।” তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের নামে প্রহসন করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করার চেষ্টা চলছে। বক্তব্যের শেষে শেখ হাসিনা দেশবাসীর প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমানের এই ‘অন্ধকার সময়’ কেটে যাবে এবং বাংলাদেশের মানুষের জীবনে আবারও শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে। তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ এই অন্ধকার কেটে যাবে। জনতার জয় হবেই
হবে।”
দেশের অন্যতম প্রাচীন এই রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনের সুযোগ দিতে হবে। শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে আওয়ামী লীগের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলের নেতৃত্বেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের স্বাধীনতা এনেছিলেন। তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগ সবসময় জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই সরকার গঠন করেছে। গত ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ একটি ‘উন্নয়নশীল ও বদলে যাওয়া বাংলাদেশে’ পরিণত হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। বক্তব্যে তিনি দলের নেতাকর্মীদের বর্তমান অবস্থা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং কারাগারে তাদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তিনি অবিলম্বে সাবেক প্রধান বিচারপতি, সেনা
কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য এবং মুক্তিযোদ্ধা ও ১৪ দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার এবং তাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে তিনি অবৈধ ও অগণতান্ত্রিক হিসেবে অভিহিত করেন। ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আমি ডক্টর ইউনূসকেই চ্যালেঞ্জ করি—সে আসুক না, ইলেকশন করে দেখুক। জনগণের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় যাক।” তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের নামে প্রহসন করে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করার চেষ্টা চলছে। বক্তব্যের শেষে শেখ হাসিনা দেশবাসীর প্রতি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, বর্তমানের এই ‘অন্ধকার সময়’ কেটে যাবে এবং বাংলাদেশের মানুষের জীবনে আবারও শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে। তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ এই অন্ধকার কেটে যাবে। জনতার জয় হবেই
হবে।”



