ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাসিনার আহবানে সাড়া দিয়ে দেশবাসীকে নির্বাচন বয়কটের ডাক ১৬৭৫ জন বিশিষ্টজনের, সঙ্গে ১২ দাবি
কাকে ভোট দিতে যাবেন?
জাতির সঙ্গে বেঈমানি ও প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন বর্জনের জন্য দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক সর্বোপরি দেশবাসীর প্রতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আহ্বান
সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ব্যতীত জাতীয় নির্বাচন জাতির কাছে কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কথা বলতে চাওয়া সাবেক এমপি তুহিনের মুখ ‘চেপে’ ধরলো পুলিশ
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন বর্জনের ডাক আওয়ামী লীগের
‘আপনারাই হাদিকে হত্যা করিয়েছেন, এখন নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন’: অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশে ওমর বিন হাদি
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বড় ভাই ওমর বিন হাদি অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনে বলেছেন, সরকারই ওসমান হাদিকে হত্যা করিয়েছে এবং এখন এই হত্যাকাণ্ডকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, জনগণের এই আকাঙ্ক্ষা কখনোই নস্যাৎ হতে দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আয়োজিত ‘শহীদি শপথে’ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে ওমর বিন হাদি বলেন, ‘আপনারা ওসমান হাদিকে হত্যা করিয়েছেন, আবার আপনারাই এটাকে ইস্যু করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছেন। আপনারা যদি মনে করেন নির্বাচনের দুই মাস পর রাষ্ট্রক্ষমতা ছেড়ে বিদেশে চলে যাবেন,
তবে মনে রাখবেন—এদেশের জনতা আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেই।’ তিনি জুলাই বিপ্লবের প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের আগে যারা রাষ্ট্রকে নিজেদের মনে করতেন এবং ক্ষমতাধর ছিলেন, তারা আজ দেশে নেই; পালাতে বাধ্য হয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার যদি না হয়, তবে আপনারাও বাংলাদেশ থেকে পালাতে বাধ্য হবেন।’ ওসমান হাদির রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তার ভাই বলেন, ‘ওসমান হাদি চেয়েছিল ফেব্রুয়ারিতেই দেশে নির্বাচন হোক। নির্বাচন করার জন্য সে মাঠেও নেমেছিল। তাকে হত্যা করে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’ তিনি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ যেন বিঘ্নিত না হয় এবং দ্রুত যেন খুনি চক্রকে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়। ভাইয়ের আপোষহীন মানসিকতার কথা তুলে
ধরে ওমর বিন হাদি বলেন, ‘যে এজেন্সির বা রাষ্ট্রের হয়ে আপনারা হাদিকে হত্যা করেছেন, মনে রাখবেন—হাদি কোনো এজেন্সি বা তাঁবেদারের কাছে মাথানত করেনি। সে মাথানত করলে অন্যদের মতো বিক্রি হয়ে সুখে জীবনযাপন করতে পারতো। কিন্তু সে ১৮ কোটি মানুষকে রাজপথে আন্দোলন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পথ দেখিয়েছে।’ সরকারকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘জীবিত ওসমান হাদির চেয়ে মৃত ওসমান হাদি আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসছে। আপনারা ক্ষমতায় থাকাকালীন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাই এর দায় এড়াতে পারবেন না। আজ হোক বা দশ বছর পর, আপনাদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’
তবে মনে রাখবেন—এদেশের জনতা আপনাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেই।’ তিনি জুলাই বিপ্লবের প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের আগে যারা রাষ্ট্রকে নিজেদের মনে করতেন এবং ক্ষমতাধর ছিলেন, তারা আজ দেশে নেই; পালাতে বাধ্য হয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার যদি না হয়, তবে আপনারাও বাংলাদেশ থেকে পালাতে বাধ্য হবেন।’ ওসমান হাদির রাজনৈতিক লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করে তার ভাই বলেন, ‘ওসমান হাদি চেয়েছিল ফেব্রুয়ারিতেই দেশে নির্বাচন হোক। নির্বাচন করার জন্য সে মাঠেও নেমেছিল। তাকে হত্যা করে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হচ্ছে।’ তিনি সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ যেন বিঘ্নিত না হয় এবং দ্রুত যেন খুনি চক্রকে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হয়। ভাইয়ের আপোষহীন মানসিকতার কথা তুলে
ধরে ওমর বিন হাদি বলেন, ‘যে এজেন্সির বা রাষ্ট্রের হয়ে আপনারা হাদিকে হত্যা করেছেন, মনে রাখবেন—হাদি কোনো এজেন্সি বা তাঁবেদারের কাছে মাথানত করেনি। সে মাথানত করলে অন্যদের মতো বিক্রি হয়ে সুখে জীবনযাপন করতে পারতো। কিন্তু সে ১৮ কোটি মানুষকে রাজপথে আন্দোলন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পথ দেখিয়েছে।’ সরকারকে সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘জীবিত ওসমান হাদির চেয়ে মৃত ওসমান হাদি আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসছে। আপনারা ক্ষমতায় থাকাকালীন এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাই এর দায় এড়াতে পারবেন না। আজ হোক বা দশ বছর পর, আপনাদেরও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।’



