ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে দলীয় কোন্দল: ফেনী জেলা বিএনপির নেতাকে হত্যাচেষ্টা
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
ছিলেন জুলাই আন্দোলনের সমর্থক, ধর্ষণের হুমকি পেয়ে তাকেই ছাড়তে হলো খেলা
তাসমাতি এমা ছিলেন পেশাদার শ্যুটার, জাতীয় শ্যুটিং দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ‘ছিলেন’ বলতে হচ্ছে কারণ এখন জাতীয় দল দূরে থাক পেশাদার শ্যুটিং সার্কিটেই থাকতে পারছেন না তিনি। খোদ শ্যুটিং ফেডারেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদ তাকে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দিয়েছেন। এখন খেলাধুলো ছেড়ে দিতে হয়েছে তাকে। তবে নারী ক্রীড়াবিদদের উপর যৌন হয়রানির ইস্যুতে মুখ খুলেছেন তিনি।
এমা গত ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় স্বপ্ন দেখেছিলেন নতুন বাংলাদেশের। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আন্দোলনে আরও অনেকের মতন সামিল হয়ে পরে বোকা হয়েছেন তিনিও। সেই সময় ফেসবুকে বেশ এক্টিভ দেখা যেত তাকে।
তবে জুলাইর পট পরিবর্তনের কিছুদিনের মধ্যেই টের পান সর্বনাশ হয়ে গেছে। ক্রীড়া
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে শ্যুটিং ফেডারেশনে পদ পান সাজ্জাদ। যুগ্ম সম্পাদক হলেও তিনিই মূলত হর্তা কর্তা। এমা একটি গণমাধ্যমে জানান, ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তা তাকে যৌন হেনস্থার চেষ্টা চালান। এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। কারণ জানতে চাইলে সাজ্জাদের কাছে গেলে এমাকে তার মায়ের সামনে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেন সাজ্জাদ। এমা বলেন, ‘আমার মায়ের সামনে আমাকে বলেছে তোকে রেইপ করব। এরপর আমি আর ফেডারেশনের ধারেকাছে যাই না। এখন খেলা থেকে দূরে আছি। আমার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে।’ দেশের কিংবদন্তি শ্যুটার সাবরিনা সুলতানা জানান ফেডারেশনের পরিবেশ এতই বাজে তিনি তার ছেলেকেও সেখানে আর পাঠান না, আমার ছেলে ছোট এরপরও কিছু
কিছু বিষয় সে শুনেছে। অস্বস্তির জন্য শুটিং থেকে ফিরে সে এখন পড়াশোনায় মনোযোগী। একজন ছেলের যদি এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে মেয়েরা কতটা চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে শ্যুটিং ফেডারেশনে পদ পান সাজ্জাদ। যুগ্ম সম্পাদক হলেও তিনিই মূলত হর্তা কর্তা। এমা একটি গণমাধ্যমে জানান, ফেডারেশনের কিছু কর্মকর্তা তাকে যৌন হেনস্থার চেষ্টা চালান। এই বিষয়ে কথা বলতে গেলে তাকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। কারণ জানতে চাইলে সাজ্জাদের কাছে গেলে এমাকে তার মায়ের সামনে ‘ধর্ষণের’ হুমকি দেন সাজ্জাদ। এমা বলেন, ‘আমার মায়ের সামনে আমাকে বলেছে তোকে রেইপ করব। এরপর আমি আর ফেডারেশনের ধারেকাছে যাই না। এখন খেলা থেকে দূরে আছি। আমার স্বপ্ন ভেঙ্গে গেছে।’ দেশের কিংবদন্তি শ্যুটার সাবরিনা সুলতানা জানান ফেডারেশনের পরিবেশ এতই বাজে তিনি তার ছেলেকেও সেখানে আর পাঠান না, আমার ছেলে ছোট এরপরও কিছু
কিছু বিষয় সে শুনেছে। অস্বস্তির জন্য শুটিং থেকে ফিরে সে এখন পড়াশোনায় মনোযোগী। একজন ছেলের যদি এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে মেয়েরা কতটা চ্যালেঞ্জে পড়তে হয়।’



