ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জুনে সারাদেশে ৩৩৩ নারী-কন্যাশিশু নির্যাতিত: শীর্ষে ধর্ষণ ও ধর্ষণ-সংশ্লিষ্ট সহিংসতা
ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে প্রতিযোগিতায় ন্যায্যমূল্য না পেয়ে দিশেহারা কৃষক, ক্ষোভে পেঁয়াজ ফেলে দিচ্ছেন রাস্তায়-ডোবায়
দেশটা দিনে অচল থাকে, রাইতে হারিকেন: স্মরণকালের সর্বোচ্চ লোডশেডিং দেখল বাংলাদেশ
শেখ হাসিনার নিজস্ব অর্থায়নের সিদ্ধান্ত: সংশয়ের পদ্মা সেতুতে চার বছরে আয় ৩৩৯২ কোটি টাকা
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মিছিলে অংশ নেয়ায় ছাত্রলীগ কর্মী মাহাবুব ঢ়াড়ী-কে পিটিয়ে হত্যা
‘মাজারবিদ্বেষীদের’ সঙ্গে নিয়ে শেষ দিনে ‘মাজারে ডিসিগিরি’ করে গেলেন সারওয়ার আলম
৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ—সংগ্রাম, ঐতিহ্য ও আগামীর অঙ্গীকার
৮ ডিসেম্বর ১৯৭১
গেরিলা আক্রমণে রেল–যোগাযোগ অচল হয়ে পড়ে, পাকিস্তানি বাহিনীর সরবরাহ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত
১৯৭১ সালের ৮ ডিসেম্বর, বুধবার:
এই দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে মুক্তিবাহিনীর গেরিলা ইউনিটগুলো পাকিস্তানি বাহিনীর রেল–যোগাযোগের ওপর সমন্বিত হামলা চালিয়েছিল। রাতভর চলা এসব হামলায় বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রেললাইন, ব্রিজ ও মালবাহী ট্রেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যার ফলে পাকবাহিনীর অভ্যন্তরীণ সরবরাহ পথ কার্যত থমকে যায়।
ঢাকা, টঙ্গী, নারায়ণগঞ্জ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন রুটে বিস্ফোরণ ও রেললাইন বিচ্ছিন্ন হওয়ায় পাকিস্তানি সৈন্যদের গোলাবারুদ, খাদ্য ও জ্বালানি পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। পরবর্তী সামরিক নথিতে দেখা যায়, এই দিনের ক্ষতি পাকবাহিনীর কার্যক্ষমতাকে ব্যাপকভাবে কমিয়ে দিয়েছিল।
গোপন প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তিবাহিনীর গেরিলা ইউনিটগুলো শহর ও গ্রাম—উভয় অঞ্চলে স্থানীয় মানুষের সহায়তা পেয়েছিল।
বহু পরিবার মুক্তিযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখে, খাবার দেয় এবং পথ নির্দেশনা দেয়। সাধারণ মানুষের সমর্থন পাকিস্তানি বাহিনীর নজরদারি ব্যাহত করেছিল, ফলে গেরিলাদের গতিবিধি তারা ঠেকাতে পারেনি। পরবর্তী বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮ ডিসেম্বরের রেল–যোগাযোগ ভেঙে পড়া আগামী দিনের দ্রুত যুদ্ধপরিস্থিতি বদলে দেওয়ার অন্যতম ভিত্তি তৈরি করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী এরপর থেকে পশ্চাদপসরণের প্রবণতা দেখাতে শুরু করে।
বহু পরিবার মুক্তিযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখে, খাবার দেয় এবং পথ নির্দেশনা দেয়। সাধারণ মানুষের সমর্থন পাকিস্তানি বাহিনীর নজরদারি ব্যাহত করেছিল, ফলে গেরিলাদের গতিবিধি তারা ঠেকাতে পারেনি। পরবর্তী বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮ ডিসেম্বরের রেল–যোগাযোগ ভেঙে পড়া আগামী দিনের দ্রুত যুদ্ধপরিস্থিতি বদলে দেওয়ার অন্যতম ভিত্তি তৈরি করেছিল। পাকিস্তানি বাহিনী এরপর থেকে পশ্চাদপসরণের প্রবণতা দেখাতে শুরু করে।



