ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে- স্লোগানে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল
‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে
পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল, মাটির দোষ দিলেন ঠিকাদার
সাত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে অস্ট্রেলিয়ার বঙ্গবন্ধু পরিষদের নিন্দা
মিয়ানমারে জান্তাকে গ্রাহকদের গোপন তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফেঁসে গেল টেলিনর
৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ কর্তৃক আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সাত নেতাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্বজুড়ে মুজিব আদর্শের কৃষিবিদ কমিউনিটি।
১৫ই সেপ্টেম্বর দেওয়া ওই রায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ এ এফ এম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগ সভাপতি মো. সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।
সাতজনই অনুপস্থিতিতে বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
বিশ্বজুড়ে মুজিব আদর্শের কৃষিবিদদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাজনৈতিক
অভিসন্ধি চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এই বিচার এবং বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বৈধতা, ন্যায্যতা ও বিচারিক স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। বিবৃতিতে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে বিচার, আত্মপক্ষসমর্থনের অধিকার, প্রতিরক্ষার সুযোগ, সাক্ষীদের জেরা এবং প্রমাণের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। কৃষিবিদদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এ ধরনের বিচারপ্রক্রিয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিচার ও ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যকে উপেক্ষা করে প্রশ্নবিদ্ধ বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন, ভয় দেখানো কিংবা নীরব করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অধিকারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কৃষিবিদ সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, “বিচার কখনো
প্রতিশোধের ভাষা হতে পারে না।” রাষ্ট্রের শক্তি বিরোধীমত দমনের মধ্যে নয়, বরং ভিন্নমতের মানুষের অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসনের স্বার্থে রায়টি বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধেরও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে মুজিব আদর্শের কৃষিবিদ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশের ৫০ জনেরও বেশি বরেণ্য কৃষিবিদ স্বাক্ষর করেছেন।
অভিসন্ধি চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত এই বিচার এবং বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বৈধতা, ন্যায্যতা ও বিচারিক স্বাধীনতা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে। বিবৃতিতে অভিযুক্তদের অনুপস্থিতিতে বিচার, আত্মপক্ষসমর্থনের অধিকার, প্রতিরক্ষার সুযোগ, সাক্ষীদের জেরা এবং প্রমাণের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। কৃষিবিদদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এ ধরনের বিচারপ্রক্রিয়া মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিচার ও ন্যায়বিচারের উদ্দেশ্যকে উপেক্ষা করে প্রশ্নবিদ্ধ বিচারপ্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমন, ভয় দেখানো কিংবা নীরব করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের অধিকারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কৃষিবিদ সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, “বিচার কখনো
প্রতিশোধের ভাষা হতে পারে না।” রাষ্ট্রের শক্তি বিরোধীমত দমনের মধ্যে নয়, বরং ভিন্নমতের মানুষের অধিকার রক্ষার মধ্য দিয়ে প্রকাশ পায় বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। বিবৃতিতে সাত নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসনের স্বার্থে রায়টি বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধেরও দাবি জানানো হয়। বিবৃতিতে বিশ্বজুড়ে মুজিব আদর্শের কৃষিবিদ কমিউনিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন দেশের ৫০ জনেরও বেশি বরেণ্য কৃষিবিদ স্বাক্ষর করেছেন।



