হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৮ September, ২০২৬

হুথিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন সমঝোতা: মার্কিন জাহাজকে বাধা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৮ September, ২০২৬ |
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে, ওয়াশিংটন যদি সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোটের পক্ষে সরাসরি সামরিক অভিযানে না জড়ায়, তাহলে তারা লোহিত সাগরে মার্কিন জাহাজ চলাচলে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের মার্চে হুথিদের একটি বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যায় এবং লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলে হুথি হামলা বন্ধে দুই মাসের মার্কিন হামলার পর ২০২৫ সালের মে মাসে একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়। রয়টার্সের বরাত দিয়ে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হুথিদের সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক অভিযানের কয়েকদিন পরই মার্কিন কর্মকর্তারা ওমানে হুথি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। গত রোববার ওমানের রাজধানী মাস্কাটে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে

এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হুথিরা মার্কিন কর্মকর্তাদের জানায় যে তারা ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে অটল রয়েছে এবং মার্কিন জাহাজে হামলার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, বৈঠকে হুথিরা বলেছে তারা মার্কিন জাহাজে হামলা চালানোর ইচ্ছা রাখে না এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ২০২৫ সালের যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলবে। এছাড়া হুথি প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেছেন, সৌদি ও ইয়েমেন সরকারের মধ্যে পুনরায় শুরু হওয়া লড়াইয়ের অংশ হিসেবে তাদের হামলা কেবল সৌদি জাহাজকে লক্ষ্য করেই পরিচালিত হয়েছিল, এবং তারা বাব এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে অন্য সব জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এই আলোচনার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছে

হুথিদের সাম্প্রতিক ভূখণ্ডগত অগ্রগতির মধ্য দিয়ে। হুথিরা সম্প্রতি ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূলের কার্যত নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মোখা বন্দর এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালীর পেরিম দ্বীপ। এই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হওয়ায় তেল রপ্তানি আরও বিপর্যস্ত হতে পারে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে ইরানকে নতুন কূটনৈতিক ও কৌশলগত সুবিধা এনে দিতে পারে। গত জুলাই মাস থেকে পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের মধ্যে জুলাই মাসে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ নৌ-অবরোধ ঘোষণা করে এবং বাব এল-মান্দেব প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী সৌদি সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা শুরু করে। এরপর গত বৃহস্পতিবার হুথিরা মোখা বন্দর শহর দখল করে

নেয়, যা সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের জন্য একটি বড় ধাক্কা। বিশ্লেষকরা এই ঘটনাকে গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করছেন। হুথিদের এই অগ্রগতিতে সৌদি আরব ক্রমেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করে হুথিদের অগ্রগতির প্রেক্ষাপটে মার্কিন সামরিক সহায়তা চেয়েছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ পর্যন্ত সৌদি আরবের সামরিক হস্তক্ষেপের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে আসছে, কারণ ওয়াশিংটন লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ জাহাজ চলাচলের পথ খোলা রাখতে চায়, কিন্তু সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত হুথিদের মধ্যকার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে চায় না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেও এই বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি

শনিবার বলেন, হুথিরা তার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্রকে ইয়েমেন যুদ্ধ থেকে দূরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সোমবার জানান, ওয়াশিংটন সরাসরি হুথিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র এই আলোচনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল স্বার্থের মধ্যে রয়েছে লোহিত সাগর ও এই অঞ্চলে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাসবাদ রপ্তানি প্রতিরোধ করা, আর ট্রাম্প প্রশাসন ইরান ও তার মিত্রদের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এসব স্বার্থ রক্ষায় সুস্পষ্টভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, হুথিরা তাদের সাম্প্রতিক সামরিক অর্জনকে কাজে লাগিয়ে সৌদি আরবের কাছ থেকে আরও বড় ছাড় আদায় করার চেষ্টা

করছে। এর মধ্যে থাকতে পারে সৌদি আরবের কাছ থেকে সরকারি খাতের বেতন প্রদানের অর্থায়ন, ইয়েমেনের তেল ও গ্যাস সম্পদ থেকে আয়ে প্রবেশাধিকার, এবং হুথি-নিয়ন্ত্রিত বন্দরগুলোতে বিমান ও জাহাজ চলাচলে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা না রাখা। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, অতীতে শক্তিশালী অবস্থানে থাকাকালে হুথিরা বারবার আরও ছাড়ের দাবি জানিয়েছে, তাই বর্তমানে কোনো সমঝোতা হলেও ইয়েমেন যুদ্ধ পুরোপুরি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভবিষ্যতে তারা আবারও উত্তেজনা বাড়াতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র ও হুথিদের মধ্যকার এই কথিত সমঝোতা এখনো সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়নি এবং উভয় পক্ষের কেউই প্রকাশ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করেনি। তবে এই প্রতিবেদনগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হলেও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক

সংশ্লিষ্টতা এড়িয়ে কূটনৈতিক পথে নিজেদের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের