ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে- স্লোগানে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রলীগের মিছিল
‘পুলিশ খুব দুর্বল, শেখ হাসিনার এখনই আসা উচিৎ, চলে আসলি পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না’, ফোনালাপের জেরে ওসি প্রত্যাহার
যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ চরমে: কেন মধ্যমশক্তির দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র-নির্ভরতা এড়াতে চাইছে
৭ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে বিশ্বজুড়ে কৃষিবিদদের প্রতিবাদ, রায় বাতিল ও বিচারপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবি
বিএনপি সরকারের উন্নয়ন: ১৪ কোটি টাকার সড়কে ঢালাইয়ের পরই ফাটল, মাটির দোষ দিলেন ঠিকাদার
সাত আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ে অস্ট্রেলিয়ার বঙ্গবন্ধু পরিষদের নিন্দা
মিয়ানমারে জান্তাকে গ্রাহকদের গোপন তথ্য দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে ফেঁসে গেল টেলিনর
পাঁচ দেশে অর্থপাচারসহ অবৈধ সম্পদ অর্জন: সস্ত্রীক আসিফের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও তার স্ত্রীর দেশ-বিদেশের সম্পদ, ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, দুবাই, সিঙ্গাপুর ও সুইজারল্যান্ডে জমি কেনা, সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে এসব তথ্য চাওয়া হয়েছে।
দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা মো. জাহেদ কালামের সই করা চিঠিতে আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর নামে দেশের সব ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানে থাকা হিসাবের বিস্তারিত তথ্য দিতে বলা হয়েছে।
চালু, সুপ্ত ও বন্ধ হিসাবের পাশাপাশি ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লকার, বন্ড, সঞ্চয়পত্র,
এফডিআর, ডিপিএস এবং ঋণসংক্রান্ত নথিও চেয়েছে সংস্থাটি। দুদকের এই চিঠি এমন সময়ে দেওয়া হলো, যখন আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ-বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে অর্থপাচারের একাধিক অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। ২রা সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্ব পালনের সময়কার নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিসংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ১৩ই সেপ্টেম্বর আরও কয়েকটি অভিযোগ চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করার কথা জানায় দুদক। পাঁচ দেশে সম্পদ পাচারের অভিযোগ ১৩ই সেপ্টেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে। অভিযোগে পর্তুগাল, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে সম্পদ গড়ে তোলার কথা বলা
হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের বিষয়টি বর্তমানে অভিযোগের অংশ, এর সত্যতা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করছে দুদক। অভিযোগে বিদেশে জমি বা অন্যান্য স্থাবর সম্পদ কেনা, অর্থ স্থানান্তর এবং আর্থিক সম্পদ গড়ে তোলার কথাও রয়েছে। বিএফআইইউর কাছে তথ্য চাওয়ার মাধ্যমে দুদক মূলত দেশীয় আর্থিক ব্যবস্থায় আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর লেনদেনের ধরন এবং বিদেশে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মধ্যে কোনো আর্থিক যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোতে উঠে এসেছে। যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে বিএফআইইউর কাছে পাঠানো চিঠিতে শুধু বর্তমানে চালু ব্যাংক হিসাব নয়, অতীতে খোলা ও বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের নামে বা সংশ্লিষ্টতায়
থাকা— ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লকার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও ডিপিএস, ঋণ ও ঋণসংক্রান্ত নথিসহ দেশ-বিদেশে আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে দেশে আয়, ব্যাংক লেনদেন, সম্পদ ও বিনিয়োগের সঙ্গে বিদেশে সম্পদ অর্জন বা অর্থ স্থানান্তরের কোনো অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতে পারে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের সূত্রপাত হয় তার সাবেক দায়িত্বের সময়কার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঘিরে অভিযোগ থেকে। ২রা সেপ্টেম্বর দুদক জানায়, তার বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এর
মধ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলি প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথাও দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। এ ঘটনায় আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালানোর কথা জানানো হয়। নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরও অভিযোগ ১৩ই সেপ্টেম্বর দুদক জানায়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং সেগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে সিটি করপোরেশনে নিয়োগ-পদায়ন, টেন্ডার ও কমিশন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগের একটি অংশে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগর ও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। একই অভিযোগপত্রে বিদেশে অর্থপাচার
করে বিভিন্ন দেশে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগের কথাও বলা হয়েছে। অভিযোগের আরেকটি অংশে আসিফ মাহমুদের বাবা, তার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (পিও) বিরুদ্ধে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, ঘুষ লেনদেনে তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগও বর্তমানে অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্য মূলত অভিযোগ, অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত এবং তথ্য-নথি সংগ্রহের উদ্যোগসংক্রান্ত। বিএফআইইউর কাছে ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়াও সেই অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার অংশ। আসিফ মাহমুদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলে দাবি করেছেন।
এফডিআর, ডিপিএস এবং ঋণসংক্রান্ত নথিও চেয়েছে সংস্থাটি। দুদকের এই চিঠি এমন সময়ে দেওয়া হলো, যখন আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিয়োগ-বদলি ও পদায়নকে কেন্দ্র করে আর্থিক লেনদেন এবং বিদেশে অর্থপাচারের একাধিক অভিযোগ অনুসন্ধান করছে সংস্থাটি। ২রা সেপ্টেম্বর যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে তার দায়িত্ব পালনের সময়কার নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিসংক্রান্ত অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ১৩ই সেপ্টেম্বর আরও কয়েকটি অভিযোগ চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করার কথা জানায় দুদক। পাঁচ দেশে সম্পদ পাচারের অভিযোগ ১৩ই সেপ্টেম্বর দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বিদেশে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের আওতায় এসেছে। অভিযোগে পর্তুগাল, দুবাই, সিঙ্গাপুর, অস্ট্রেলিয়া ও সুইজারল্যান্ডে সম্পদ গড়ে তোলার কথা বলা
হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের বিষয়টি বর্তমানে অভিযোগের অংশ, এর সত্যতা অনুসন্ধানের মাধ্যমে যাচাই করছে দুদক। অভিযোগে বিদেশে জমি বা অন্যান্য স্থাবর সম্পদ কেনা, অর্থ স্থানান্তর এবং আর্থিক সম্পদ গড়ে তোলার কথাও রয়েছে। বিএফআইইউর কাছে তথ্য চাওয়ার মাধ্যমে দুদক মূলত দেশীয় আর্থিক ব্যবস্থায় আসিফ মাহমুদ ও তার স্ত্রীর লেনদেনের ধরন এবং বিদেশে সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মধ্যে কোনো আর্থিক যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের জন্য তথ্য সংগ্রহ করছে বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোতে উঠে এসেছে। যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে বিএফআইইউর কাছে পাঠানো চিঠিতে শুধু বর্তমানে চালু ব্যাংক হিসাব নয়, অতীতে খোলা ও বন্ধ হয়ে যাওয়া হিসাবের তথ্যও চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের নামে বা সংশ্লিষ্টতায়
থাকা— ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাব, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, ব্যাংক লকার, বন্ড ও সঞ্চয়পত্র, এফডিআর ও ডিপিএস, ঋণ ও ঋণসংক্রান্ত নথিসহ দেশ-বিদেশে আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই তথ্যগুলো বিশ্লেষণ করে দেশে আয়, ব্যাংক লেনদেন, সম্পদ ও বিনিয়োগের সঙ্গে বিদেশে সম্পদ অর্জন বা অর্থ স্থানান্তরের কোনো অসামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হতে পারে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানের সূত্রপাত হয় তার সাবেক দায়িত্বের সময়কার যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ঘিরে অভিযোগ থেকে। ২রা সেপ্টেম্বর দুদক জানায়, তার বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করা হচ্ছে। এর
মধ্যে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলি প্রক্রিয়ায় অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথাও দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল। এ ঘটনায় আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চালানোর কথা জানানো হয়। নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরও অভিযোগ ১৩ই সেপ্টেম্বর দুদক জানায়, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং সেগুলো চলমান অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে সিটি করপোরেশনে নিয়োগ-পদায়ন, টেন্ডার ও কমিশন, বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযোগের একটি অংশে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সেতু নির্মাণ, সায়েদাবাদ পানি শোধনাগর ও শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রকল্পের ব্যয় বাড়িয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে। একই অভিযোগপত্রে বিদেশে অর্থপাচার
করে বিভিন্ন দেশে সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগের কথাও বলা হয়েছে। অভিযোগের আরেকটি অংশে আসিফ মাহমুদের বাবা, তার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তার (পিও) বিরুদ্ধে ঠিকাদারি সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, ঘুষ লেনদেনে তদবির ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব অভিযোগও বর্তমানে অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা তথ্য মূলত অভিযোগ, অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত এবং তথ্য-নথি সংগ্রহের উদ্যোগসংক্রান্ত। বিএফআইইউর কাছে ব্যাংক ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য চাওয়াও সেই অনুসন্ধান প্রক্রিয়ার অংশ। আসিফ মাহমুদ তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং অভিযোগগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত বলে দাবি করেছেন।



