ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দাগনভূঞায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে সাংবাদিক-পুলিশসহ আহত ২০
অস্ত্র হাতে সংঘর্ষে জড়াল নেতাকর্মীরা
“দেশ বাঁচাতে প্রয়োজন, শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন” ব্যানার যোগে কুমিল্লা নগরীতে ছাত্রলীগের প্রথম মিছিল (ভিডিও)
‘ছাত্রলীগ’ কর্মী পরিচয়ে প্রবাসীর সোনা ডাকাতি: গ্রেপ্তারের পর জানা গেল ছাত্রদল সভাপতি-সম্পাদক ও বিএনপি সভাপতি
দিল্লিতে এফসিসি সেমিনার বাতিল নিয়ে দেশের গণমাধ্যমে অপপ্রচার: আওয়ামী লীগের তীব্র প্রতিবাদ
বিএনপি নেতাকে চাঁদা না দেওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা বাড়িছাড়া ও মারধরের শিকার
‘জামায়াত-আওয়ামী লীগ একসাথে মাঠে নামছে’, রাশেদের উদ্ভট দাবি নিয়ে নেটিজেনদের হাস্যরস
‘৬ মাসে ২ লাখ বাংলাদেশি নেবে মালয়েশিয়া’: শাহে আলমের বক্তব্যকে ভিত্তিহীন বলল মালয়েশিয়ান সরকার
আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ করা হবে—বাংলাদেশের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের এমন বক্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে মালয়েশিয়ান সরকারের মুখপাত্র।
বিএনপি সরকারের এই প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য মালয়েশিয়ান সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয় বলেও জানিয়েছেন দেশটির সরকারি মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে ফাহমি ফাদজিল বলেন, মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামানান তাকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা একজন মন্ত্রীর নিজস্ব বক্তব্য। একে মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। এর কোনো ভিত্তি নেই।
এর আগে মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দাবি করেন, আগামী ছয় মাসে
মালয়েশিয়া প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নিয়োগ করা হবে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রমবাজার খুলতে বাংলাদেশের অনুরোধ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ এর আগে জানিয়েছিলেন তারেক রহমান। গত জুনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ অনুরোধ জানান। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পেছনে শ্রমিক শোষণ ও নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। শ্রমিকদের শোষণ, ঋণের দায়ে জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি ছাড়াই
কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করে মালয়েশিয়া। এদিকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সম্ভাব্য সংখ্যা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগও নিচ্ছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগের মধ্যেই নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের এই দাবি সামনে এসেছে। ফলে আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের যে তথ্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে, সেটি মালয়েশিয়া সরকারের প্রকৃত পরিকল্পনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ—তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা কী আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।
মালয়েশিয়া প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নিয়োগ করা হবে। সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রমবাজার খুলতে বাংলাদেশের অনুরোধ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ এর আগে জানিয়েছিলেন তারেক রহমান। গত জুনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ অনুরোধ জানান। বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পেছনে শ্রমিক শোষণ ও নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে নানা অভিযোগ ছিল। শ্রমিকদের শোষণ, ঋণের দায়ে জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি ছাড়াই
কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করে মালয়েশিয়া। এদিকে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের সম্ভাব্য সংখ্যা নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, তখন মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগও নিচ্ছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগের মধ্যেই নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের এই দাবি সামনে এসেছে। ফলে আগামী ছয় মাসে প্রায় দুই লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের যে তথ্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে, সেটি মালয়েশিয়া সরকারের প্রকৃত পরিকল্পনার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ—তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এখন বিষয়টি নিয়ে মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা কী আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।



