ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
টাকায় বাঘের দুধ না মিললেও ১৫ মিনিটেই মিলছে যে কারও এনআইডি, কললিস্ট, কারেন্ট লোকেশনসহ সকল নথিপত্র
শেখ হাসিনা: উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করে বাংলাদেশে জঙ্গিদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে
ধানের ন্যায্যমূল্য পায় না কৃষক, দামে ধস অথচ চালের বাজার ঊর্ধ্বমুখী!
২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের ‘নেট মিটারিং নীতি’ নতুন মোড়কে ‘রুফটপ সোলার’ রূপে হাজির!
হাসপাতালে সাড়ে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং
বিমানবন্দরে ৪৭৫ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ আটক ২
বাজারে দেশি প্যাকেটজাত চিনির আকাল, ছেয়ে গেছে আমদানি করা বস্তার চিনি — অস্তিত্ব সংকটে দেশের চিনি পরিশোধন শিল্প
১২ ও ৪ বছর আগে প্রয়াত দুই আওয়ামী লীগ নেতাকেও মামলার আসামি করল পুলিশ
মারা গেছেন একজন ১২ বছর আগে, আরেকজন ৪ বছর আগে। অথচ যশোরে পুলিশের দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার এজাহারে তাদের দুজনকেই রাখা হয়েছে আসামির তালিকায়।
১১৩ জনের বিরুদ্ধে করা ওই মামলায় মৃত দুই আওয়ামী লীগ নেতার নাম থাকায় আসামি তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
গত ৩০শে আগস্ট যশোর কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি করেন পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শফিকুল ইসলাম। মামলায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও ৫ সংসদ সদস্যসহ মোট ১১৩ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে ৫৬ নম্বর আসামি হিসেবে রয়েছে উপশহর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. তবিবর রহমানের নাম। তবে তিনি ২০২২ সালে মারা গেছেন। অন্যদিকে ৭৭ নম্বর আসামি
আনসার আলী মারা যান ২০১৪ সালে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮শে আগস্ট যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সরকারবিরোধী ‘নাশকতামূলক বিক্ষোভ মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ঘটনায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও ৫ এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। তবে যে দুই ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, তাদের একজনের মৃত্যুর ৪ বছর এবং অন্যজনের মৃত্যুর প্রায় ১২ বছর পার হয়েছে। পুলিশের করা মামলার এজাহারে তাদের নাম কীভাবে এলো, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে মামলাটি পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করায় আসামিদের নাম যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের আসামি করার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, একই
নামে অন্য কেউ থাকতে পারেন। তবে মৃত ব্যক্তির নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আনসার আলী মারা যান ২০১৪ সালে। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮শে আগস্ট যশোর শহরের কাজীপাড়া এলাকায় সরকারবিরোধী ‘নাশকতামূলক বিক্ষোভ মিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়। ওই ঘটনায় সাবেক এক প্রতিমন্ত্রী ও ৫ এমপিসহ ১১৩ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। তবে যে দুই ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে, তাদের একজনের মৃত্যুর ৪ বছর এবং অন্যজনের মৃত্যুর প্রায় ১২ বছর পার হয়েছে। পুলিশের করা মামলার এজাহারে তাদের নাম কীভাবে এলো, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে মামলাটি পুলিশ বাদী হয়ে দায়ের করায় আসামিদের নাম যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। মৃত ব্যক্তিদের আসামি করার বিষয়ে জানতে চাইলে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মাসুম খান বলেন, একই
নামে অন্য কেউ থাকতে পারেন। তবে মৃত ব্যক্তির নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



