ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে বাড়ল ৫ টাকা
খেলাপি ঋণ বাড়ল আরও ১৮ হাজার কোটি টাকা
সর্বোচ্চ বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার, সর্বনিম্ন ২০ হাজার টাকা
সেপ্টেম্বর মাসের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ
ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পোশাক রপ্তানিতে বড় ধস: ‘সারা বিশ্ব বাংলাদেশে আসছে না’, বরং মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে
ভোলার বাজারে কমেছে ইলিশের দাম, বেড়েছে সরবরাহ
ব্যাংক ঋণে রেকর্ড গড়ল ইউনূস-তারেক সরকার: পরিমাণ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা
রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে স্বস্তি
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ইতিবাচক ধারায় ছিল রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয়। গত জুলাই ও আগস্ট মাসে মোট ৫৮৩ কোটি ডলার সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৪৯০ কোটি ডলার। এ সময়ে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯৩ কোটি ডলার; যা ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এর আগের দুই অর্থবছরে ধারাবাহিকতায় নতুন অর্থবছরের শুরুতেও রেমিট্যান্সপ্রবাহে ভালো প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি দিচ্ছে। এদিকে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ বেড়েছে।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছর প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠান। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা ৫২৬ কোটি ডলার বা ১৭ দশমিক ৩৪ শতাংশ
বেশি। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল ৬৪২ কোটি ডলার বা ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থ পাচারে কড়াকড়ির কারণে হুন্ডিপ্রবণতা কমেছে। যে কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রেমিট্যান্সে উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর ১২৩ টাকার আশপাশে রয়েছে। গত মাসের শুরুর দিকে যা ১২৩ টাকা ৮০ পয়সায় উঠেছিল। এর আগে ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডলারের দর ৮৪ টাকার নিচে ছিল। সেখান থেকে দ্রুত বেড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর আমদানিতে ৭ হাজার ৫২৭ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে, যা আগের
অর্থবছরের তুলনায় ১০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বেশি। রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৮৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ কম। এরপরও বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় যেখানে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। সেখান থেকে বেড়ে এ পর্যায়ে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে করোনা-পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হয়। চাপ সামলাতে
প্রচুর ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। তবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি শুরু করে। পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান আছে। রপ্তানি আয়: গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। সক্ষমতার অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আসছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এই বাস্তবতার মধ্যেও গত আগস্ট মাসে গত বছরের একই মাসের চেয়ে রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। জুলাই ও আগষ্ট মাস মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল বুধবার আগস্ট মাসের রপ্তানির তথ্যউপাত্ত প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, নতুন অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসে পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে ৪৪৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের আগস্ট মাসে ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। গত বছরের আগস্টের দুর্বল ভিত্তির কারণে বড় অঙ্কের রপ্তানি না হওয়ার পরও রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেল। প্রকৃতপক্ষে আগস্ট মাসের রপ্তানি গত জুলাই মাসের চেয়ে ৩০ কোটি ডলার কম। গত মাসে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের আগস্ট মাসের দুর্বল ভিত্তি অর্থাৎ রপ্তানি কম হওয়ার কারণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কহার নিয়ে অনিশ্চয়তা। আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
সে কারণে আগের মাস জুলাইয়ে রাতদিন কাজ করে শুল্কারোপ কার্যকর করার আগেই পণ্য জাহাজীকরণের চেষ্টা ছিল রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের। এছাড়া আগস্টের ১ তারিখে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক ঘোষণার আগ পর্যন্ত শুল্কহার কত হতে পারে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতের শুল্ক কমতে পারে বলে একটা অনুমান ছিল। সে কারণে বেশ কিছু রপ্তানি আদেশ স্থগিত রাখে মার্কিন ব্র্যান্ড-ক্রেতারা। সে কারণে গত বছরের আগস্টে রপ্তানি কম ছিল। ইপিবির প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসের গড় রপ্তানি হারের চেয়ে একক পণ্য হিসেবে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাড়ার হার বেশি। পণ্যটির রপ্তানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। মোট ৩৬১ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে
মাসটিতে। অবশ্য গত মাসে এটি ছিল ৩৮৯ কোটি ডলার। জুলাই-আগস্ট মাস মিলে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট ৭৫০ কোটি ডলার।
বেশি। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স বেড়েছিল ৬৪২ কোটি ডলার বা ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ বেশি। মূলত আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অর্থ পাচারে কড়াকড়ির কারণে হুন্ডিপ্রবণতা কমেছে। যে কারণে রেমিট্যান্স বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, রেমিট্যান্সে উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা স্বস্তি রয়েছে। আন্তঃব্যাংকে ডলারের দর ১২৩ টাকার আশপাশে রয়েছে। গত মাসের শুরুর দিকে যা ১২৩ টাকা ৮০ পয়সায় উঠেছিল। এর আগে ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত ডলারের দর ৮৪ টাকার নিচে ছিল। সেখান থেকে দ্রুত বেড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর আমদানিতে ৭ হাজার ৫২৭ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে, যা আগের
অর্থবছরের তুলনায় ১০ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ বেশি। রপ্তানি আয় হয়েছে ৪ হাজার ৩৮৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা শূন্য দশমিক ২৫ শতাংশ কম। এরপরও বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৪১ বিলিয়ন ডলার। নিট রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের সময় যেখানে বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। সেখান থেকে বেড়ে এ পর্যায়ে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে করোনা-পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যের আড়ালে অর্থ পাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হয়। চাপ সামলাতে
প্রচুর ডলার বিক্রি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে ধারাবাহিকভাবে কমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। তবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়ে অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি শুরু করে। পাচার করা অর্থ ফেরত আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ চলমান আছে। রপ্তানি আয়: গ্যাস-বিদ্যুতের সংকটে শিল্প উৎপাদন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। সক্ষমতার অর্ধেকের বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আসছেন শিল্পোদ্যোক্তারা। এই বাস্তবতার মধ্যেও গত আগস্ট মাসে গত বছরের একই মাসের চেয়ে রপ্তানি বেড়েছে ১৩ শতাংশেরও বেশি। জুলাই ও আগষ্ট মাস মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাস রপ্তানি আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেড়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) গতকাল বুধবার আগস্ট মাসের রপ্তানির তথ্যউপাত্ত প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, নতুন অর্থবছরের দ্বিতীয় মাসে পরিমাণে রপ্তানি হয়েছে ৪৪৩ কোটি ডলার, যা গত বছরের আগস্ট মাসে ছিল ৩৯২ কোটি ডলার। গত বছরের আগস্টের দুর্বল ভিত্তির কারণে বড় অঙ্কের রপ্তানি না হওয়ার পরও রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি দেখা গেল। প্রকৃতপক্ষে আগস্ট মাসের রপ্তানি গত জুলাই মাসের চেয়ে ৩০ কোটি ডলার কম। গত মাসে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৩ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের আগস্ট মাসের দুর্বল ভিত্তি অর্থাৎ রপ্তানি কম হওয়ার কারণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কহার নিয়ে অনিশ্চয়তা। আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
সে কারণে আগের মাস জুলাইয়ে রাতদিন কাজ করে শুল্কারোপ কার্যকর করার আগেই পণ্য জাহাজীকরণের চেষ্টা ছিল রপ্তানিকারক উদ্যোক্তাদের। এছাড়া আগস্টের ১ তারিখে ২০ শতাংশ হারে শুল্ক ঘোষণার আগ পর্যন্ত শুল্কহার কত হতে পারে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতের শুল্ক কমতে পারে বলে একটা অনুমান ছিল। সে কারণে বেশ কিছু রপ্তানি আদেশ স্থগিত রাখে মার্কিন ব্র্যান্ড-ক্রেতারা। সে কারণে গত বছরের আগস্টে রপ্তানি কম ছিল। ইপিবির প্রতিবেদন বলছে, চলতি অর্থবছরের আগস্ট মাসের গড় রপ্তানি হারের চেয়ে একক পণ্য হিসেবে তৈরি পোশাকের রপ্তানি বাড়ার হার বেশি। পণ্যটির রপ্তানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৯২ শতাংশ। মোট ৩৬১ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে
মাসটিতে। অবশ্য গত মাসে এটি ছিল ৩৮৯ কোটি ডলার। জুলাই-আগস্ট মাস মিলে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে মোট ৭৫০ কোটি ডলার।



