ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
২০ বছর পর বাংলাদেশের মাটিতে জিন্নাহ উৎসব: স্বাধীনতাবিরোধীদের নতুন বার্তা
ইতিহাসের সত্য এখানে একেবারেই স্পষ্ট। মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তানের জাতির পিতা—স্বাধীন বাংলাদেশের নন। স্বাধীন বাংলাদেশের একমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এই মৌলিক সত্য অস্বীকার করা মানেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, শহীদের আত্মত্যাগ এবং রাষ্ট্রের জন্মকথার সঙ্গে সরাসরি বিশ্বাসঘাতকতা।
বাংলাদেশের মানুষ ভুলে যায়নি—বিএনপি–জামায়াত শাসনামলে কীভাবে জিন্নাহর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী ঘিরে বিতর্কিত আয়োজন হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর আবারও ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পাকিস্তানের জাতির পিতার জন্মদিন পালনের ঘোষণা শুধু বিস্ময়কর নয়, এটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় আদর্শের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর শামিল। ২৫ ডিসেম্বর জিন্নাহর জন্মদিন পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে—এমন ঘোষণাই প্রমাণ করে, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি শুধু সক্রিয় নয়, বরং
প্রকাশ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এটি কোনো নিরীহ সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়। এটি একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা। যে বার্তা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা ভয়ংকরভাবে পরিষ্কার—পাকিস্তানপ্রীতি আজও একটি সংগঠিত রাজনৈতিক প্রকল্প। যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন মোড়কে জিন্নাহকে আদর্শ হিসেবে দাঁড় করিয়ে ইতিহাসের চাকা উল্টো ঘোরাতে চাইছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তিনটি লক্ষ্য স্পষ্টভাবে সামনে আসে—এক, স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি; দুই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দুর্বল করা; তিন, নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা। যাদের রাজনীতির ভিত্তিই পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য, তারা জিন্নাহকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে তুলে ধরে নিজেদের অবস্থান আবারও নগ্নভাবে প্রকাশ করছে। এতে আর কোনো সন্দেহ থাকে না—তাদের রাজনীতি বাংলাদেশের পক্ষে নয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সবচেয়ে
উদ্বেগজনক দিক হলো—বর্তমান সরকারের নীরবতা এবং কিছু স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠনের প্রকাশ্য তৎপরতা। রাষ্ট্র যদি এই ধরনের আয়োজনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়, তবে সেটি শুধু রাজনৈতিক দুর্বলতা নয়—এটি স্বাধীনতার চেতনার প্রতি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পাকিস্তানের জাতির পিতার বন্দনা রাষ্ট্রীয় আদর্শের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। স্বাধীন বাংলাদেশে এই ধরনের আয়োজন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের প্রশ্ন নয়—এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় আত্মপরিচয়ের ওপর সরাসরি আঘাত। আজ এই বাস্তবতায় জাতির সামনে প্রশ্ন একটাই— আমরা কি ইতিহাসের সত্য রক্ষা করব, নাকি স্বাধীনতাবিরোধীদের নীরব প্রশ্রয় দেব? উত্তর একটাই— পাকিস্তানপ্রীতি ও স্বাধীনতাবিরোধী রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় অবস্থান নিতে হবে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে
হবে।
প্রকাশ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এটি কোনো নিরীহ সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়। এটি একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা। যে বার্তা জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে তা ভয়ংকরভাবে পরিষ্কার—পাকিস্তানপ্রীতি আজও একটি সংগঠিত রাজনৈতিক প্রকল্প। যারা ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ নতুন মোড়কে জিন্নাহকে আদর্শ হিসেবে দাঁড় করিয়ে ইতিহাসের চাকা উল্টো ঘোরাতে চাইছে। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে তিনটি লক্ষ্য স্পষ্টভাবে সামনে আসে—এক, স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি; দুই, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দুর্বল করা; তিন, নতুন প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করা। যাদের রাজনীতির ভিত্তিই পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য, তারা জিন্নাহকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে তুলে ধরে নিজেদের অবস্থান আবারও নগ্নভাবে প্রকাশ করছে। এতে আর কোনো সন্দেহ থাকে না—তাদের রাজনীতি বাংলাদেশের পক্ষে নয়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে। সবচেয়ে
উদ্বেগজনক দিক হলো—বর্তমান সরকারের নীরবতা এবং কিছু স্বাধীনতাবিরোধী সংগঠনের প্রকাশ্য তৎপরতা। রাষ্ট্র যদি এই ধরনের আয়োজনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়, তবে সেটি শুধু রাজনৈতিক দুর্বলতা নয়—এটি স্বাধীনতার চেতনার প্রতি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পাকিস্তানের জাতির পিতার বন্দনা রাষ্ট্রীয় আদর্শের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। স্বাধীন বাংলাদেশে এই ধরনের আয়োজন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এটি রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনের প্রশ্ন নয়—এটি স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় আত্মপরিচয়ের ওপর সরাসরি আঘাত। আজ এই বাস্তবতায় জাতির সামনে প্রশ্ন একটাই— আমরা কি ইতিহাসের সত্য রক্ষা করব, নাকি স্বাধীনতাবিরোধীদের নীরব প্রশ্রয় দেব? উত্তর একটাই— পাকিস্তানপ্রীতি ও স্বাধীনতাবিরোধী রাজনীতির বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় অবস্থান নিতে হবে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে
হবে।



