১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ। গ্রাম থেকে শহর, নদী থেকে জনপদ সবখানে কান্না, আগুন আর প্রতিরোধ। সেই সময় একদল মানুষ বুক পেতে দাঁড়িয়েছিল স্বাধীনতার পক্ষে, আর আরেকদল দাঁড়িয়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পাশে রাজাকার, আলবদর, আলশামস হয়ে। ২৫ মার্চের কালরাতে যখন নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী, তখন কে কোন পাশে ছিল ইতিহাস তা স্পষ্ট করে রেখেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে লাখো শহীদ প্রাণ দিয়ে প্রমাণ করেছেন, এই দেশ মাথা নত করবে না। বিজিয় ছিনিয়ে এনেছে, বাংলাদেশকে শত্রু মুক্ত করে স্বাধীন করেছে। কিন্তু আজ? যারা সেই স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, যারা এই লাল-সবুজ

পতাকাকে মেনে নেয়নি, তাদের আদর্শের উত্তরাধিকারীরা যদি স্বাধীন বাংলাদেশের সংসদে যায় এটা কি শুধু রাজনৈতিক ঘটনা? না, এটা ইতিহাসের কালো অধ্যায়। এই সংসদে দাঁড়িয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, বাংলাদেশে রাজাকারদের কোনো স্থান নেই। জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইন করে। সেই বিচার শুধু আদালতের রায় ছিল না, ছিল জাতির আত্মসম্মানের পুনরুদ্ধার। অথচ ষড়যন্ত্রকারীদের কালো থাবায় আজ আবার সেই অন্ধকার শক্তি, দেশবিরোধী রাজাকারেরা সংসদের দরজায় কড়া নাড়ছে। তাহলে প্রশ্ন জাগে আমরা কি ভুলে গেছি বধ্যভূমির হাহাকার? আমরা কি ভুলে গেছি মায়ের কান্না, বোনের আর্তনাদ, শহীদের রক্ত? সংসদ কেবল ক্ষমতার আসন নয়, এটি শহীদদের আত্মত্যাগের উপর দাঁড়িয়ে থাকা এক পবিত্র প্রতিষ্ঠান। সংসদ হচ্ছে

একটি জাতির মর্যাদার প্রতীক। আর সেখানে স্বাধীনতার বিরোধী আদর্শের প্রতিনিধিত্ব মানে ৭১-এর চেতনাকে অস্বীকার করা। মুক্তিযুদ্ধকে কলঙ্কিত করা। সংসদে দাঁড়িয়ে আইন প্রণয়ন করবে এমন কেউ, যে আদর্শগতভাবে এই দেশের জন্মের বিরোধী ছিল এটা কি শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা নয়? রাজাকার সংসদে যাবে এ খবর শুনে শুধু রাজনৈতিক ক্ষোভ নয়, হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়। কারণ এটা দলীয় প্রশ্ন নয়, এটা অস্তিত্বের প্রশ্ন। স্বাধীনতার প্রশ্ন। ইতিহাসের প্রশ্ন। এই লজ্জা শুধু একজন বাঙালির নয়, একটি দলের নয়, এ লজ্জা পুরো জাতির। আজ যদি আমরা চুপ থাকি, তাহলে আগামী প্রজন্ম জিজ্ঞেস করবে "তোমরা কীভাবে মেনে নিলে?” এই নীরবতা হবে বিশ্বাসঘাতকতা। তাই স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, রাজাকারদের জন্য এই সংসদ নয়। স্বাধীনতা

বিরোধীদের জন্য এই বাংলাদেশ নয়। আজ নীরব থাকা মানে ইতিহাসের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা। আজ চুপ থাকা মানে শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করা। স্বাধীনতার পক্ষের সকল শক্তিকে একতাবদ্ধ হতে হবে। আমরা বীরের জাতি, আমাদের কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবেনা। এই দেশবিরোধী রাজাকারদের উচ্ছেদ করতেই হবে, জাতিকে আবারও কলঙ্কমুক্ত করতেই হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
৭৯ জনের বিশাল লটবহর নিয়ে ইউনূসের আজারবাইজান সফরে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থব্যয় চবি শাটল ট্রেনে রাজবন্দিদের মুক্তি চেয়ে ছাত্রলীগের পোস্টার দেখে উত্তপ্ত ক্যাম্পাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প সম্পর্কে অসত্য তথ্য দিচ্ছেন মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো প্রাণ বাঁচাতে পালাচ্ছেন নিহত উক্যছাইং-এর পিতা প্রতি সিগারেট সর্বনিম্ন ১৭, সর্বোচ্চ ৩৫ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব ২৪-২৫ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের ৪৫ হাজার কোটি টাকা থেকে ইউনূস-নুরজাহান জুটির ব্যয় মাত্র ১৭% পৃথিবীর কোনো দেশ আমাদের মতো দ্রুত টিকা যোগাড় করতে পারেনি, দাবি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চট্টগ্রামে বেপরোয়া শিবির-সাজ্জাদের বাহিনী: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা না দিলে শরীর ঝাঁজরা করে দেওয়ার হুমকি বৈদেশিক ঋণে জর্জরিত পাকিস্তান, ৯ মাসে বৃদ্ধি ২০ শতাংশ: বাড়ছে দাতা সংস্থার চাপও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের সরে দাঁড়ানোর কারণ খুঁজতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি ‘ব্যাগ ভরে টাকা নিলে মিলছে পকেট ভরা বাজার’, লাগামহীন দামে মেজাজ চড়া ক্রেতাদের বিবাহবিচ্ছেদের পর যেভাবে শাহিদকে বড় করে তোলেন নীলিমা আজিম ইসরাইলি ড্রোন হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত পরিকল্পিতভাবে মুসলিম ভোট সরিয়ে কি বিজেপিকে জেতানো হলো? ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনা সাজানো মনে করেন মার্কিনিরা কে-পপের পথেই এবার কে-বিউটি চালু হচ্ছে ‘ই-লোন’ সেবা, ঘরে বসেই মিলবে ব্যাংক ঋণ চীনা প্রেসিডেন্টের চার দফা শান্তি প্রস্তাবে সমর্থন ইরানের স্কুলে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে ৪ ছাত্রী নিখোঁজ আইসিসির সুখবর পেলেন সৈকত