ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
খুলনায় ডিউটিরত অবস্থায় নিজের মাথায় এসএমজি ঠেকিয়ে গুলি কনস্টেবলের
সশস্ত্র হামলায় ইউপিডিএফ নেতা ধর্মসিং চাকমা নিহত, ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ২ বোন
বাগেরহাটে কুমিরের মুখে কুকুর ছুঁড়ে দেওয়ার প্রমাণ মেলেনি: তদন্ত কমিটি
জামালপুর জেলে বন্দি আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: কারা হেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইঙ্গিত দিচ্ছে
যশোরে বিএনপির সন্ত্রাসী হামলা গুরুতর আহত ফুল চাষি নেতা আব্দুর রহিম
মানুষের হাতে আহত হনুমান প্রথমে থানায়, পরে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে হাজির!
কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় মামলা
সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ৩ কৃষকের মৃত্যু, আহত ২
সুনামগঞ্জের হাওরে ধানকাটার শুরুতেই বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় জামালগঞ্জের পাগনার হাএর ও ধর্মপাশা উপজেলায় টগার হাওরে ধান কাটার সময় দুই কৃষক ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। এদিকে তাহিরপুরে হাসের খামারে কাজ করার সময় একজন কৃষক নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে) হাওরে কাজ করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে আলাদা স্থানে বজ্রপাতে হতাহতের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী এলাকাবাসী ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে হাওরে ধানকাটা শুরু হয়ে গেছে পয়লা বৈশাখ থেকে। জলাবদ্ধতার কারণে কম্বাইন হার্ভেস্টরে ধান কাটা যাচ্ছেনা। তাই শ্রমিকই ভরসা। কিন্তু বজ্রপাতের কারণসহ নানা কারণে এখন শ্রমিকরাও ধান কাটতে চাননা। তারপরও স্থানীয় শ্রমিক ও কৃষকরা হাওরে
গিয়ে পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন। শনিবার দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামের বাসিন্দা কৃষক নুরুজ্জামান বজ্রপাতে মারা যান। পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি ও তার চাচাতো ভাই তোফাজ্জল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তোফাজ্জলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক হাবিবুর রহমান নিহত হয়েছেন। তিনি পাইকুরহাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনিও হাওরে ধান কাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এদিকে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের একটি হাসের খামারে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আবুল কালাম ওরফে কালা
মিয়া (২৮) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের নূর মোহাম্মদ (২৪)। জামলাবাজ গ্রামের একটি খামারে কাজ করছিলেন তারা। হঠাৎ বজ্রপাতে তারা আহত হন। আহত নূর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ও আহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, হাওরে শনিবার পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৫১ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। ধান কাটার উপযুক্ত হলেও হার্ভেস্টর পানির কারণে জমিতে
নামছেনা। তাই শ্রমিকই ভরসা। স্থানীয় শ্রমিকের পাশাপাশি বাইরের জেলার শ্রমিক নিযে আসতেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে বজ্রপাত ও ঝড় বৃষ্টির ভয়ে অনেকে ধান কাটতে হাওরে নামতে চায়না।
গিয়ে পাকা ধান কাটতে শুরু করেছেন। শনিবার দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চাঁনপুর (গজারিয়া হাটি) গ্রামের বাসিন্দা কৃষক নুরুজ্জামান বজ্রপাতে মারা যান। পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে তিনি ও তার চাচাতো ভাই তোফাজ্জল গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা উদ্ধার করে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তোফাজ্জলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে ধর্মপাশা উপজেলার টগার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক হাবিবুর রহমান নিহত হয়েছেন। তিনি পাইকুরহাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা। তিনিও হাওরে ধান কাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এদিকে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের একটি হাসের খামারে কাজ করার সময় বজ্রপাতে আবুল কালাম ওরফে কালা
মিয়া (২৮) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। তিনি সদর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের আবু বকরের ছেলে। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের জামলাবাজ গ্রামের নূর মোহাম্মদ (২৪)। জামলাবাজ গ্রামের একটি খামারে কাজ করছিলেন তারা। হঠাৎ বজ্রপাতে তারা আহত হন। আহত নূর মোহাম্মদকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মতিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহত ও আহতদের পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. ওমর ফারুক বলেন, হাওরে শনিবার পর্যন্ত ৫ হাজার ৫৫১ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়েছে। ধান কাটার উপযুক্ত হলেও হার্ভেস্টর পানির কারণে জমিতে
নামছেনা। তাই শ্রমিকই ভরসা। স্থানীয় শ্রমিকের পাশাপাশি বাইরের জেলার শ্রমিক নিযে আসতেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে বজ্রপাত ও ঝড় বৃষ্টির ভয়ে অনেকে ধান কাটতে হাওরে নামতে চায়না।



