ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
সাতক্ষীরায় মন্দিরে চুরি: স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের টাকা লুট, আতঙ্কে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়
সাতক্ষীরার একটি হিন্দু মন্দির কমপ্লেক্সে বড় ধরনের চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। দুর্বৃত্তরা একাধিক মন্দিরে ঢুকে দেবদেবীর স্বর্ণালংকার এবং দানবাক্সের নগদ অর্থ চুরি করেছে।
মন্দির কর্তৃপক্ষের মতে, বুধবার গভীর রাতে সাতক্ষীরা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত “মায়ের বাড়ি” নামে পরিচিত মন্দির কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা মন্দির প্রাঙ্গণের ভেতরে থাকা একাধিক মন্দিরের তালা কেটে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চুরি সংঘটিত করে।
সাতক্ষীরা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, চোরেরা কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধা গোবিন্দ মন্দির এবং জগন্নাথ মন্দিরে জোরপূর্বক ঢুকে মূল্যবান সামগ্রী লুট করে।
তিনি বলেন,
“তারা তালা ভেঙে মন্দিরে ঢুকে পড়ে। দেবদেবীর মূর্তি থেকে স্বর্ণালংকার খুলে
নিয়ে যায় এবং দানবাক্স ভেঙে ভেতরের নগদ অর্থ নিয়ে যায়।” মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রায় চার ভরি ওজনের দুই জোড়া সোনার বালা, প্রায় এক ভরি ওজনের দুই জোড়া সোনার শাঁখা, এক জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার চেইন, একটি নাকফুল এবং প্রায় পাঁচ ভরি রুপার অলংকার। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ১৮ লাখ টাকারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সংখ্যালঘুদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মন্দির কমিটির নির্বাহী সদস্য দীপা সিন্ধু তরফদার জানান, শহরের কাটিয়া এলাকায় অবস্থিত আরেকটি মন্দিরেও মাত্র দুই দিন আগে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, “বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়ের
মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং উপাসনালয়গুলোর জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানাই।” মন্দিরের আরেক কর্মকর্তা অসীম দাস সোনা জানান, মন্দির প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ফুটেজে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র ধরা পড়েছে, যা অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা চন্দন চৌধুরী অভিযোগ করেন, এ ঘটনা হয়তো হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কাজ করা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের অংশ হতে পারে। তিনি বলেন, “এটি কোনো গোপন অপরাধী চক্রের কাজ হতে পারে, যারা পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এমন ঘটনা আরও বাড়তে পারে।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক এসআই রেজাউল করিম বলেন,
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে আমরা প্রাথমিক কিছু সূত্র পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।” এই ঘটনার পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি আবারও জোরালো হয়েছে। সম্প্রদায়ের নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, মন্দিরে বারবার হামলা বা চুরির ঘটনা ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা দুটোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
নিয়ে যায় এবং দানবাক্স ভেঙে ভেতরের নগদ অর্থ নিয়ে যায়।” মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে প্রায় চার ভরি ওজনের দুই জোড়া সোনার বালা, প্রায় এক ভরি ওজনের দুই জোড়া সোনার শাঁখা, এক জোড়া সোনার কানের দুল, একটি সোনার চেইন, একটি নাকফুল এবং প্রায় পাঁচ ভরি রুপার অলংকার। মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে ১৮ লাখ টাকারও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় এলাকায় বসবাসকারী হিন্দু সংখ্যালঘুদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। মন্দির কমিটির নির্বাহী সদস্য দীপা সিন্ধু তরফদার জানান, শহরের কাটিয়া এলাকায় অবস্থিত আরেকটি মন্দিরেও মাত্র দুই দিন আগে চুরির ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, “বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়ের
মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। আমরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং উপাসনালয়গুলোর জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার দাবি জানাই।” মন্দিরের আরেক কর্মকর্তা অসীম দাস সোনা জানান, মন্দির প্রাঙ্গণের সিসিটিভি ফুটেজে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সূত্র ধরা পড়েছে, যা অপরাধীদের শনাক্ত করতে সহায়তা করতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দা চন্দন চৌধুরী অভিযোগ করেন, এ ঘটনা হয়তো হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে কাজ করা কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের অংশ হতে পারে। তিনি বলেন, “এটি কোনো গোপন অপরাধী চক্রের কাজ হতে পারে, যারা পরিকল্পিতভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনালয়গুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এমন ঘটনা আরও বাড়তে পারে।” পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক এসআই রেজাউল করিম বলেন,
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রাথমিক আলামত সংগ্রহ করেছে। তিনি বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে আমরা প্রাথমিক কিছু সূত্র পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।” এই ঘটনার পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি আবারও জোরালো হয়েছে। সম্প্রদায়ের নেতারা সতর্ক করে বলেছেন, মন্দিরে বারবার হামলা বা চুরির ঘটনা ধর্মীয় সম্প্রীতি এবং জনসাধারণের নিরাপত্তা নিয়ে আস্থা দুটোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।



