মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে ভুমিকা রেখেছিল নদী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে ভুমিকা রেখেছিল নদী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
'নিউইয়র্ক টাইমস'-এর দিল্লি সংবাদদাতা সিডনি শনবার্গ (আগরতলা, ভারত, ১৩ এপ্রিল ১৯৭১) তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, '...বাঙালিরা নির্ভর করছে বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টির ওপর, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যা শুরু হবে। পূর্ব পাকিস্তানের গ্রামাঞ্চলের জটিল পথ-গাঙ্গেয় ব্রহ্মপুত্র জলধারা ও সহস্রোত নদীর আঁকিবুঁকি-পশ্চিম প্রদেশের শুষ্ক ও পার্বত্য অঞ্চল থেকে আগত পাঞ্জাবি ও পাঠানদের কাছে অপরিচিত। বর্ষায় যখন নদী ফুলে-ফেঁপে উঠবে এবং মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বন্যায় পূর্ব পাকিস্তানের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়বে, তখন এ অপরিচিতি আরও বাড়বে।' বর্ষায় মুক্তিবাহিনীর প্রস্তুতির বিষয়ে এক বাঙালি কর্মকর্তা তাকে বলেন, 'আমরা এখন বর্ষার অপেক্ষায় রয়েছি...। তারা পানিকে এতো ভয় পায়, আপনি ভাবতেই পারবে না এবং আমরা হচ্ছি জলের

রাজা। তারা তখন ভারী কামান ও ট্যাংক নিয়ে চলতে পারবে না, জঙ্গি বিমান উড়াতে পারবে না। প্রকৃতি হবে আমাদের দ্বিতীয় বাহিনী।' (ডেটলাইন বাংলাদেশ: ১৯৭১, সিডনি শনবার্গ, অনুবাদ: মফিদুল হক) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৩ এপ্রিল ভারতের আগরতলার পত্রিকা 'দৈনিক সংবাদ' তাদের সম্পাদকীয়তে পশ্চিম পাকিস্তানিদের পরাজয়ের সম্ভাব্য কারণ বিশ্লেষণ করে। পরাজয়ের অনেকগুলো কারণের মধ্যে বর্ষায় বৃষ্টির পানি ও নদ-নদী, খাল-বিল যে তাদের জন্য ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে তাও আলোচনায় আসে। পত্রিকাটি লিখেছিল, '...আসন্ন বর্ষায় ওদের অবস্থা হবে আরও শোচনীয়। বাংলাদেশের নদী নালা খালে বিলে এখন পাঞ্জাবী সৈন্যের ডুবে মরা ছাড়া গত্যন্তর থাকবে না। শহর ছেড়ে গ্রামের দিকে গেলেই তাদের মৃত্যু অনিবার্য।' হয়েছেও তাই। বর্ষায় বৃষ্টির

পানি ও বাংলার নদ-নদী পাকিস্তানিদের পরাজয় মানতে বাধ্য করে। শুধু পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদীর তীরের স্থাপিত নৌ-কমান্ডো ক্যাম্প থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে আসা যোদ্ধারাই নয়, লাখো সাধারণ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিবাহিনী তাদের নিজস্ব কৌশল ব্যবহার করে নদীতে সংগঠিত যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। নয় মাসব্যাপী যুদ্ধে বিশেষত বর্ষাকালে নদী ব্যবহারের সুবিধা ভোগ করে মুক্তিযোদ্ধারা। এ সময় নদীগুলোও তাদের সহযোদ্ধা হয়ে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
বাঁচানো গেল না হাম আক্রান্ত শিশু সাদমানকে, মরদেহ নিয়ে ফেরার ছবি ভাইরাল ইরানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় পাকিস্তান ৫ বিভাগে শিলাবৃষ্টির আভাস সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ ঝিনাইদহে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত জামিন পেলেন দেড় মাসের সন্তানসহ কারাগারে যাওয়া সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী সোনারগাঁয়ে ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ২৫ হাজার ৪০৮ জন অনুপস্থিত, বহিষ্কৃত ৬ লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আসলে ‘বাণিজ্য অস্ত্র’, দেশকে পঙ্গু করার ষড়যন্ত্র: মাহবুব কামাল ‘নতুন বন্দোবস্তের’ ফল মিলতে শুরু করেছে, সরকার ঋণনির্ভর হয়ে পড়েছে: মোহাম্মদ আলী আরাফাত নৌবাহিনী প্রধান ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান: বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য অপরাধ জগতে নতুন আতঙ্ক দেখতে সাধারণ কলম, আসলে ভয়ংকর পিস্তল! পাকিস্তান থেকে জঙ্গিদের হাতে আসছে নতুন অস্ত্র অন্তর্বর্তী সরকারের ‘ক্যাঙ্গারু কোর্ট নিয়ে আইপিইউর উদ্বেগ, সমর্থন জানাল আরআরএজিও ‘নোবেলের টাকা ও কর নিয়ে ইউনূস মারাত্মক অ্যালার্জি আছে’, দাবি সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যানের ১৮ মাস কারাবন্দী ডাবলু সরকার মায়ের মৃত্যুতেও প্যারোল মেলেনি, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উন্মত্ত জনতাকে দিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যার ‘গোপন ব্লু-প্রিন্ট’ ছিল ৫ আগস্ট: নর্থইস্ট নিউজ আওয়ামী লীগ নেতাদের সিম বন্ধ করে বিক্রির ‘বাণিজ্য’, ছাত্রলীগ নেতা জাকিরের চাঞ্চল্যকর দাবি