মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




এম. নজরুল ইসলাম:
আপডেটঃ ৩ মার্চ, ২০২৬

মার্চ ১৯৭১: স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা

এম. নজরুল ইসলাম:
আপডেটঃ ৩ মার্চ, ২০২৬ |
বর্ষপরিক্রমায় আবারো ফিরে এসেছে অগ্নিঝরা মার্চ। এই মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয় পাকিস্তানি বাহিনীর ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের গণহত্যা ও বর্বরতার কথা। এই মার্চ আমাদের মনে করিয়ে দেয় কয়েক কোটি মানুষের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়ানোর কথা। শিশু সন্তানসহ অনাহারে-অর্ধাহারে দিন কাটানোর কথা। এই মার্চে মনে পড়ে যায়, এক কোটির বেশি মানুষকে দেশ ছেড়ে ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এই মার্চ মনে করিয়ে দেয়, রাস্তাঘাট, নদীনালায় অগনিত লাশ পড়ে থাকার কথা। তিরিশ লাখ শহীদের কথা। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের কথা। এই মার্চ আমাদের অহংকার করতে, গৌরব করতেও বলে। কারণ, এই মার্চেই বাংলার দামাল ছেলেরা পাকিস্তানি হায়েনাদের প্রতিরোধে অস্ত্র হাতে তুলে নিয়েছিল। জীবন বাজি

রেখে প্রতিরোধ যুদ্ধে নেমেছিল। আমাদের দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার অর্ধ শতাব্দী পরে একাত্তরের পরাজিত শক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে ষড়যন্ত্র করে চলেছে। স্বাধীনতার স্মারক ভেঙে আস্ফালন করছে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে আঘাত করছে। একাত্তরের মতোই হত্যার নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে চাইছে। পাকিস্তানিরা বাঙালিদের মানুষ মনে করত না। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছিল ওদের শোষণের ক্ষেত্র। তাই বারবার পূর্ব পাকিস্তানি তথা বাঙালিদের ওরা জনরায়কে অবজ্ঞা করেছে। ৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের সরকার ভেঙে দিয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে, কারাগারে রেখে, ভয়ভীতি দেখিয়ে, কথা বলার অধিকার কেড়ে নিয়ে এই প্রদেশের রাজনীতিবিদদের স্তব্ধ করে রাখা হতো। কিন্তু সেসব অগ্রাহ্য করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছয় দফা দিয়ে তিনি বাঙালি জাতিকে পাকিস্তানি

শোষণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। এ জন্য আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে। বঙ্গবন্ধুকে ওরা মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এবং বাধ্য হয় নির্বাচন দিতে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু আওয়ামী লীগকে সরকার গঠন করতে না দিয়ে পাকিস্তানিরা একের পর এক ষড়যন্ত্র করতে থাকে। অবশেষে নির্ধারিত হয় ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু ১ মার্চ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঘোষণা করেন জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই যেন পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হয়ে যায়। সারা

বাংলাদেশ বারুদের মতো জ্বলে ওঠে। মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এক মুহূর্তও দেরি না করে ইয়াহিয়ার বক্তব্যের উত্তরে বলেন: ‘ষড়যন্ত্র যদি আরো চলে, তাহলে বাংলাদেশ নিজ প্রশ্নের মীমাংসা করে নেবে। আগামী ৭ মার্চ আমি রেসকোর্স ময়দানে বাংলার মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করব।’ সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণার পরক্ষণেই ঢাকার রাজপথে ছাত্র-জনতার মিছিল শুরু হয়ে যায়। মিছিলে স্লোগান ছিল ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো বাংলাদেশ স্বাধীন করো।’ অল্পক্ষণের মধ্যেই পল্টন ময়দানে এক স্বতঃস্ফূর্ত জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সাবেক ছাত্রনেতা এবং তৎকালীন পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নবনির্বাচিত সাংসদ তোফায়েল আহমদ সেই সভায় বলেন: ‘আর ৬-দফা বা ১১-দফা নয়, এবার বাংলার মানুষ

এক-দফার সংগ্রাম শুরু করলো। আর এই এক-দফা হচ্ছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব।’ (দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদ, আজাদ, ২ মার্চ, ১৯৭১) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জনগণ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে ক্ষমতা হস্তান্তরে সামরিক সরকারের গড়িমসি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির সরাসরি অসহযোগিতার কারণেই বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। এর বিস্তৃতি ছিল সারা পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে। জাতি বুঝে গিয়েছিল, পাকিস্তানিদের সঙ্গে আর নয়। অবশেষে বঙ্গবন্ধু সেই ঘোষণা দিতে বাধ্য হন: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে বাঙালি জাতি চ‚ড়ান্ত দিকনির্দেশনা পেয়ে

যায়। করণীয় বুঝে যায়। সারা দেশে প্রতিরোধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে সবুজ জমিনের ওপর লাল বৃত্তের মাঝখানে সোনালি মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকা তোলা হয়েছিল। ৪ মার্চ জনগণের মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন সাংবাদিক ও শিল্পীরা। ৫ মার্চ টঙ্গীতে গুলিবর্ষণে চারজন নিহত ও ২৫ জন আহত হন। পাকিস্তানিদের দমন নীতির বিরুদ্ধে সারা দেশ ফুঁসে ওঠে। আগুনের ফুলকি ছড়াতে থাকে যেন। ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘যার যা আছে তাই নিয়ে’ প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে চূড়ান্ত সেই ঘোষণা দেন। তিনি বুঝেছিলেন, পাকিস্তানিরা কি করবে। তাঁকে ছাড়বে না। তাই তিনি

সেই ভাষণে বলেন, তোমাদের কাছে আমার অনুরোধ রইল, প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো। তোমাদের যা কিছু আছে তা-ই দিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে এবং জীবনের তরে রাস্তাঘাট যা যা আছে সব কিছু- আমি যদি হুকুম দেবার না-ও পারি, তোমরা বন্ধ করে দেবে।’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি গেরিলা যুদ্ধে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১ মার্চ বিকেল তিনটায়। ঐ দিনই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে রাত আটটায় তৎকালীন ইকবাল হলে (বর্তমানে সার্জেন্ট জহুরুল হক হল) ছাত্রলীগের তৎকালীন এবং প্রাক্তন আট নেতা এক জরুরী সভায় মিলিত হন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, শেখ ফজলুল হক মণি, তোফায়েল আহমদ, নূরে আলম সিদ্দিকী, আ স ম আবদুর রব, আবদুল কুদ্দুস মাখন ও শাজাহান সিরাজ। এ সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক বিরাট ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রস্তাব পাঠ করেন ছাত্রলীগের তৎকালীন দপ্তর সম্পাদক এম এ রশীদ। সভা-মঞ্চে ছাত্রলীগের চার নেতা নূরে আলম সিদ্দিকী, আ স ম আবদুর রব, আবদুল কুদ্দুস মাখন এবং শাজাহান সিরাজ সম্মিলিতভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকাটি উড়িয়ে দেন। ১ মার্চ সাংবাদিক সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঘোষণা করেছিলেন যে, ৭ মার্চ তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার সম্পর্কিত কর্মসূচি ঘোষণা করবেন। এরপর থেকেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, যেকোনো সময় বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তান সরকার গ্রেপ্তার করতে পারে। সম্ভবত সেইজন্যই বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ এবং শ্রমিক লীগের যৌথ-সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। তিনি প্রথমেই বলেন, ‘হয়তো এটাই আমার শেষ ভাষণ। …. আমি যদি নাও থাকি, আন্দোলন যেন থেমে না থাকে। বাঙালির স্বাধীনতার আন্দোলন যাতে না থামে। …. আমি মরে গেলেও সাত কোটি মানুষ দেখবে দেশ সত্যিকারের স্বাধীন হয়েছে।’ খবরটি ১৯৭১ সালের ৪ মার্চ প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদ, আজাদ পত্রিকায় গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হয়। এই সভায় প্রদত্ত ঘোষণা ইশতেহার আকারে প্রকাশ করা হয়। এই ইশতেহারে বলা হয়: ‘১. স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়েছে, চুয়ান্ন হাজার পাঁচ শ ছয় বর্গমাইল বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকার সাত কোটি মানুষের আবাসিক ভ‚মি হিসেবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের নাম বাংলাদেশ। ক. পৃথিবীর বুকে বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতি পূর্ণ বিকাশের ব্যবস্থা। খ. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করে কৃষকরাজ-শ্রমিকরাজ কায়েম করা। গ. বাক, ব্যক্তি ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ নির্ভেজাল গণতন্ত্র কায়েম। ২. বাংলার স্বাধীনতা আন্দোলন পরিচালনার জন্য নিন্মলিখিত কর্মপন্থা গ্রহণ করতে হবে: ক. প্রতিটি অঞ্চলে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম কমিটি’ গঠন। খ. জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। গ. মুক্তিবাহিনী গঠন। ঘ. সাম্প্রদায়িক মনোভাব পরিহার। ঙ. লুটতরাজ ও হিংসাত্মক কার্যকলাপ বন্ধকরণ। ৩. স্বাধীনতা আন্দোলনের ধারা হবে নিন্মরূপ: ক. বর্তমান সরকারকে বিদেশী সরকার গণ্য করে এর সকল আইনকে বেআইনী বিবেচনা। খ. অবাঙালি সেনাবাহিনীকে শত্রু সৈন্য হিসেবে গণ্য এবং এদের খতম করা। গ. এদের সকল প্রকার ট্যাক্স-খাজনা দেওয়া বন্ধ। ঘ. আক্রমণরত শক্তিকে প্রতিরোধ করতে সশস্ত্র প্রস্তুতি গ্রহণ। ঙ. বৈজ্ঞানিক ও গণমুখী দৃষ্টি নিয়ে সংগঠন গড়ে তোলা। চ. স্বাধীন দেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ ব্যবহৃত হবে। ছ. পশ্চিম পাকিস্তানি দ্রব্য বর্জন ও সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলন গড়ে তোলা। জ. পাকিস্তানি পতাকা পুড়িয়ে বাংলাদেশের পতাকা ব্যবহার। ঝ. স্বাধীনতা সংগ্রামরত বীরদের সাহায্য ও সহযোগিতা প্রদান। ৪. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক। (বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা ৬৬৬-৬৬৭) উ্ল্লেখিত এই ঘোষণা ছাড়াও সভা মঞ্চ থেকে আলাদাভাবে একটি প্রস্তাব পাঠ করা হয়। তাতে বলা হয়, ‘স্বাধীন বাংলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের প্রতি সমাবেশ পূর্ণ আস্থা জ্ঞাপন করছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দ্বিতীয় খন্ড, পৃষ্ঠা ৬৬৬ এ বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে এবং তাঁর নির্দেশে আসন্ন মুক্তিযুদ্ধের রণনীতি ও রণকৌশল সভামঞ্চ থেকে ঘোষণা করা হয়। আর সেটাই ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিকতা। ৩ মার্চ সুস্পষ্টভাবে স্বাধীনতার ঘোষণার পরও পাকিস্তানি সামরিক চক্র বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করেনি। এর অন্যতম কারণ ছিল, বাঙালিদের প্রতিরোধ ক্ষমতার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পর্যাপ্ত প্রস্তুতির অভাব। তাদের সার্বিক প্রস্তুতি নিতে ২৫ মার্চ পর্যন্ত লেগে গিয়েছিল। যে কারণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ, রবিবার দ্বিতীয়বার বাঙালির কাছে স্বাধীনতার ঘোষণা ও সংগ্রামের সুস্পষ্ট কর্মসূচি নিয়ে হাজির হওয়ার সুযোগ পান। তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়াদী উদ্যান) বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ হয়ে উঠেছিল স্বাধীনতার অগ্নিমন্ত্র। যুদ্ধের নয়টি মাস মুক্তিকামী বাঙালি জাতি তাদের প্রিয় নেতার ঐতিহাসিক ভাষণটি শুনে উজ্জীবিত ও প্রাণিত হয়েছে। আজ ৩ মার্চ। ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনেই বাঙালির ভবিষ্যৎ অনেকটাই নির্ধারণ হয়ে যায়। আজকের দিনে সেদিনের বীরদের স্মরণ করি। তাদের অসমাপ্ত সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করছি। দেশে আজ আবার একাত্তরের শকুনদের যে ছায়া পড়েছে, তা নির্মূল করার অঙ্গীকার করছি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নববর্ষ কবে থেকে শুরু ও বাংলা মাসের নামকরণ কীভাবে হলো দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু জেট ফুয়েল নিয়ে চট্টগ্রামে ভিড়ল জাহাজ, আসছে আরও দুই ডিজেলের চালান নববর্ষে মুমিনের আনন্দ, প্রত্যয় ও পরিকল্পনা বৈশাখের শোভাযাত্রা ৫ বিভাগে বৃষ্টি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা ১৫ মিনিট বন্ধ থাকার পর ফের চালু মেট্রো রেল যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ অবরোধ তুলে নিতে চাপ দিচ্ছে সৌদি দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত পত্রিকাটি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ ও ‘ভুয়া খবর’ পরিবেশনকারী: ট্রাম্প ‘ খেলা’ কমিয়ে দিলো দুই দেশের বৈরি সম্পর্ক কুষ্টিয়ায় ‘পীর’ শামীম হত্যার ঘটনায় মামলা পাঁচ ঘণ্টা লাইন, চার লিটার তেল, আর একটি তথাকথিত “নির্বাচিত” সরকার! সাবেক আইনমন্ত্রী ও প্রবীণ আইনজীবী শফিক আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রতিবাদে ভেনিসে সমাবেশ অনুষ্ঠিত অপশাসন, ভয় আর মামলার বোঝা—এভাবেই কি ঝরে যাবে একের পর এক প্রাণ? ইউনুস–তারেকের রাজনীতিতে কি মানুষের জীবন এতটাই তুচ্ছ হয়ে গেছে? Attack on Humanitarian Physician Professor Dr. Kamrul Islam by BNP Leader — Has the Country Become a Safe Haven for Thugs? একটি স্বেচ্ছাচারী একপাক্ষিক সংসদ কর্তৃক গণবিরোধী আইন পাশ ও দেশের নৈরাজ্যময় পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বানঃ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের প্রথম বেতার ভাষণ। ১১ এপ্রিল, ১৯৭১ ‘ড. ইউনূস ৬টি জেনারেশন ধ্বংস করে দিয়েছেন, আওয়ামী লীগের সমর্থক বাড়ছে’