ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হরমুজ প্রণালিতে নতুন নিয়ম চালু করল ইরান
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
পাকিস্তানে পুলিশ ফাঁড়ি উড়িয়ে দিলো অজ্ঞাত পক্ষ, ১৫ পুলিশ সদস্য নিহত
ফ্যাক্ট চেক: ‘ভারতে হিন্দুরা মসজিদে বাদ্যযন্ত্র বাজাচ্ছে’ দাবিটি গুজব, ঘটনাস্থল বাংলাদেশ
যেসব ভুলের কারণে ইরান যুদ্ধে হারতে বসেছে যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব দিল ইরান
ইরান কখনোই শত্রুর সামনে মাথা নত করবে না: পেজেশকিয়ান
মরিশাসের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপপুঞ্জ তুলে দিচ্ছে যুক্তরাজ্য
অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পর ভারত মহাসাগরের বিতর্কিত চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব মরিশাসের হাতে তুলে দিতে চলেছে যুক্তরাজ্য।
কয়েকবছরের আলোচনার পর একটি চুক্তির আওতায় এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্য দ্বীপপুঞ্জটি মরিশাসের কাছে হস্তান্তর করবে।
বিবিসি জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনও চূড়ান্ত হওয়া বাকি। তবে দুই পক্ষই যত দ্রুত সম্ভব চুক্তি চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ও মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী এক যৌথ ঘোষণায় বলেছেন, কয়েক দশক ধরে চলে আসা বিরোধের অবসান হতে চলেছে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে।
এই দ্বীপপুঞ্জে আছে দিয়েগো গার্সিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় প্রবালপ্রাচীর। এটি যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার নৌবাহিনীর জাহাজ এবং দূরপাল্লার বোমারু বিমানের সামরিক ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করে।
তবে মরিশাসকে চাগোস
ফিরিয়ে দেওয়া হলেও এর অন্তর্ভুক্ত ছোট ও প্রবালসমৃদ্ধ দিয়েগো গার্সিয়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে যাবে। এই ঘাঁটি সেখানে রেখে দেওয়ার শর্তেই মরিশাসের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব ফিরে পাওয়ার চুক্তিটি সামনে এগুতে পেরেছে; বিশেষ করে, অঞ্চলটিতে পশ্চিমা দেশগুলো এবং ভারত ও চীনের মধ্যকার ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে থাকার এই সময়ে। ১৯৬৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্য চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় এবং এখানে বসবাসরত ১ হাজার অধিবাসীকে জোর করে উচ্ছেদ করে। এ ঘটনার জন্য যুক্তরাজ্য পরে ক্ষমাও চেয়েছে। মরিশাস সরকারের অভিযোগ ছিল, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার বিনিময়ে তাদেরকে বেআইনিভাবে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছে। ওই সময় ব্রিটিশ সরকার গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি
চুক্তিও করে ফেলেছিল। যার আওতায় দিয়াগো গার্সিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে দু’পক্ষ একমত হয়েছিল। তবে পরে দ্বীপপুঞ্জটি আর কৌশলগত উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনীয় না হওয়ায় যুক্তরাজ্য এটি মরিশাসের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও অতিসম্প্রতি যুক্তরাজ্য জোর দিয়েই বলে এসেছে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর মরিশসের কোনো বৈধ দাবি নেই।
ফিরিয়ে দেওয়া হলেও এর অন্তর্ভুক্ত ছোট ও প্রবালসমৃদ্ধ দিয়েগো গার্সিয়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি থেকে যাবে। এই ঘাঁটি সেখানে রেখে দেওয়ার শর্তেই মরিশাসের চাগোস দ্বীপপুঞ্জের সার্বভৌমত্ব ফিরে পাওয়ার চুক্তিটি সামনে এগুতে পেরেছে; বিশেষ করে, অঞ্চলটিতে পশ্চিমা দেশগুলো এবং ভারত ও চীনের মধ্যকার ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে থাকার এই সময়ে। ১৯৬৮ সাল থেকে যুক্তরাজ্য চাগোস দ্বীপপুঞ্জ নিজেদের দখলে নিয়ে নেয় এবং এখানে বসবাসরত ১ হাজার অধিবাসীকে জোর করে উচ্ছেদ করে। এ ঘটনার জন্য যুক্তরাজ্য পরে ক্ষমাও চেয়েছে। মরিশাস সরকারের অভিযোগ ছিল, যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার বিনিময়ে তাদেরকে বেআইনিভাবে চাগোস দ্বীপপুঞ্জ ছেড়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছে। ওই সময় ব্রিটিশ সরকার গোপনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি
চুক্তিও করে ফেলেছিল। যার আওতায় দিয়াগো গার্সিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি হিসাবে ব্যবহার করতে দেওয়ার বিষয়ে দু’পক্ষ একমত হয়েছিল। তবে পরে দ্বীপপুঞ্জটি আর কৌশলগত উদ্দেশ্য সাধনের জন্য প্রয়োজনীয় না হওয়ায় যুক্তরাজ্য এটি মরিশাসের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যদিও অতিসম্প্রতি যুক্তরাজ্য জোর দিয়েই বলে এসেছে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপর মরিশসের কোনো বৈধ দাবি নেই।



