ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘অর্থকষ্টে’ সরকার!
দিনে ৭-১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং, শহরের চেয়ে গ্রামে সংকট তীব্রতর
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ
স্বাস্থ্য খাতে ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেটে হরিলুট! কাঠগড়ায় ড. ইউনূস টিকা না কিনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে আবেদন
মহামারিতে পরিণত হাম পরিস্থিতি, সন্নিকটে মানবিক বিপর্যয়
নববর্ষ কবে থেকে শুরু ও বাংলা মাসের নামকরণ কীভাবে হলো
বৈশাখের শোভাযাত্রা
মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে ভুল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী
মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের কোনো প্রয়োজন ছিল না, নাম পরিবর্তন করে অন্তর্বর্তী সরকার ভুল করেছে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম নিয়ে যা করেছে, সেটা তো আমরা রাখব না। তারা যেটা ভুল করেছে সেটা আমরা জানি, যা ভালো করেছে সেটাও আমরা জানি। মঙ্গল শোভাযাত্রার পরিবর্তে আনন্দ শোভাযাত্রা নাম দিয়েছে, ধন্যবাদ জানাই। কিন্তু এটা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না।’
পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম অনুষঙ্গ ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা।
‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামে খ্যাতি পেলেও সাড়ে তিন দশক আগে ১৯৮৯ সালে যাত্রা শুরুর সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের আয়োজনটির
নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। পরের বছর থেকে এটি মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত হয়। ২০১৬ সালে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা অন পহেলা বৈশাখ’ শিরোনামে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে এই শোভাযাত্রাটি ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত হয়। ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর মঙ্গল শোভাযাত্রা নতুন মাত্রা পায়। গত বছরের ১১ এপ্রিল শোভাযাত্রাটির আয়োজন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে এর নাম পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ করার সিদ্ধান্ত জানায়। শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘যথাযথভাবে চিরায়ত ধারায় পহেলা বৈশাখ পালিত হবে। আনন্দ বা মঙ্গল শোভাযাত্রা যে নামই হোক, শোভাযাত্রা হবে। আনন্দ নাম হলে সমস্যা কী? আনন্দ তো হবে। আনন্দ শোভাযাত্রা ও মঙ্গল
শোভাযাত্রা বিতর্ক দেশকে বিভক্ত করবে। এটা অনর্থক। ফ্যাসিবাদী চিন্তাচেতনা ও মৌলবাদী ধ্যানধারণার বিরুদ্ধে সরকার।’ মঙ্গল শোভাযাত্রার স্বীকৃতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বিষয় না। আমাদের সংস্কৃতি আমাদের মতো পালন করব। হাজার হাজার বছর ধরে পহেলা বৈশাখ চলে আসছে। বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য এনে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ চাই। বিএনপি সরকার সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে চায়।’
নাম ছিল ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। পরের বছর থেকে এটি মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত হয়। ২০১৬ সালে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা অন পহেলা বৈশাখ’ শিরোনামে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে এই শোভাযাত্রাটি ইউনেস্কোর তালিকাভুক্ত হয়। ইউনেস্কোর স্বীকৃতির পর মঙ্গল শোভাযাত্রা নতুন মাত্রা পায়। গত বছরের ১১ এপ্রিল শোভাযাত্রাটির আয়োজন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ সম্মেলনে এর নাম পরিবর্তন করে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ করার সিদ্ধান্ত জানায়। শুরু থেকেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘যথাযথভাবে চিরায়ত ধারায় পহেলা বৈশাখ পালিত হবে। আনন্দ বা মঙ্গল শোভাযাত্রা যে নামই হোক, শোভাযাত্রা হবে। আনন্দ নাম হলে সমস্যা কী? আনন্দ তো হবে। আনন্দ শোভাযাত্রা ও মঙ্গল
শোভাযাত্রা বিতর্ক দেশকে বিভক্ত করবে। এটা অনর্থক। ফ্যাসিবাদী চিন্তাচেতনা ও মৌলবাদী ধ্যানধারণার বিরুদ্ধে সরকার।’ মঙ্গল শোভাযাত্রার স্বীকৃতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ইউনেস্কোর স্বীকৃতি বিষয় না। আমাদের সংস্কৃতি আমাদের মতো পালন করব। হাজার হাজার বছর ধরে পহেলা বৈশাখ চলে আসছে। বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য এনে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ চাই। বিএনপি সরকার সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার করতে চায়।’



