ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন, কমেছে লেনদেন
সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা বেড়েছে ৪১ শতাংশ: পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, বেড়েছে অর্থপাচার
ইরান থেকে তেল কেনার উদ্যোগ
স্বর্ণের দাম বাড়ল ভরিতে ২৫০৮ টাকা
৮০ ডলারের নিচে নামল তেলের দাম
চার দফা কমার পর বাড়ল স্বর্ণের দাম
রোববার থেকে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটে যাচ্ছেন বেনাপোল বন্দরের শ্রমিকরা
ভ্যাট বৃদ্ধির প্রভাবে রডের দাম টনপ্রতি বেড়েছে ২ হাজার টাকা
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ইস্পাত খাতে ভ্যাট বৃদ্ধির প্রস্তাবের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাজারে। বাজেট ঘোষণার পর থেকেই দেশে ধাপে ধাপে বাড়ছে রডের দাম। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহে টনপ্রতি রডের দাম ১ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, উৎপাদন ব্যয়ের চাপ পুরোপুরি সমন্বয় হলে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্মাণ খাতে চাহিদা পুনরুদ্ধার হলে উৎপাদন ব্যয়ের জমে থাকা চাপ দ্রুত বাজারে প্রতিফলিত হতে পারে। সেক্ষেত্রে রডের দাম আরও বাড়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা আবাসন ও অবকাঠামো খাতের ব্যয় বাড়িয়ে দিতে পারে।
ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৭৫ গ্রেডের এমএস রডের মিলগেট মূল্য টনপ্রতি ৯০
হাজার থেকে ৯২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৯২ হাজার থেকে ৯৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবারের বাজারে বিএসআরএমের রড বিক্রি হয়েছে ৯৪ হাজার টাকায়, কেএসআরএম ৯২ হাজার ৫০০ টাকা এবং জিপিএইচ ও একেএস ৯২ হাজার টাকায়। একই সময়ে ৬০ গ্রেডের রডের দামও টনপ্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা বেড়ে ৮৮ হাজার থেকে ৮৯ হাজার টাকায় উঠেছে। বাজারে আল আকসা, মুনতাহা, কদমতলী, ডিএসআরএম ও জেএসআরএম ব্র্যান্ডের রড বিক্রি হচ্ছে ৮৮ হাজার ৫০০ টাকার আশপাশে। তুলনামূলক কম দামের ব্র্যান্ডগুলো ৮৮ হাজার টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে। বাজারে এ অস্থিরতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইস্পাত খাতের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবকে। বাজেটে
ফেরো অ্যালয়, স্ক্র্যাপ, বিলেট, ইনগট ও এমএস রড উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন ধাপে মোট ভ্যাট ২ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় উন্নীত হতে পারে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বাজেট ঘোষণার পরপরই বড় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন দর কার্যকর করতে শুরু করে। চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ এলাকার রড ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন বলেন, বাজেট প্রস্তাবের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় কোম্পানিগুলো নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করেছে। তাঁর মতে, শুধু বড় ব্র্যান্ড নয়, মাঝারি ও ছোট মিলগুলোর রডের দামও সমানভাবে বাড়ছে। তিনি আশঙ্কা করেন, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সামনে আরও মূল্যবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভ্যাট বৃদ্ধিই
একমাত্র চাপ নয়। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক এবং বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়িয়েছে। এর সম্মিলিত প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বাজারদরে প্রতিফলিত হচ্ছে। বিএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত জানান, আগে প্রতি টন রডে গড়ে ২ হাজার ৭০০ টাকা ভ্যাট ছিল, যা নতুন প্রস্তাবে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় উন্নীত হবে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী শুধু ভ্যাটেই টনপ্রতি ৭০০ টাকা বাড়তি খরচ তৈরি হচ্ছে। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট উৎপাদন ব্যয় টনপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) বলছে, বিদ্যুৎ, কেমিক্যাল ও রিফ্র্যাক্টরি সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিসহ সব মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় টনপ্রতি ১১ থেকে
১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে বাজারে চাহিদা দুর্বল থাকায় এই ব্যয়ের পুরো চাপ এখনই ভোক্তা পর্যায়ে যাচ্ছে না। মেট্রোসেম ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ জানান, বর্তমানে আবাসন খাতের মন্দা এবং সরকারি প্রকল্পের ধীরগতির কারণে রডের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে উৎপাদকেরা পুরো ব্যয় একবারে বাজারে সমন্বয় করতে পারছেন না।
হাজার থেকে ৯২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৯২ হাজার থেকে ৯৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবারের বাজারে বিএসআরএমের রড বিক্রি হয়েছে ৯৪ হাজার টাকায়, কেএসআরএম ৯২ হাজার ৫০০ টাকা এবং জিপিএইচ ও একেএস ৯২ হাজার টাকায়। একই সময়ে ৬০ গ্রেডের রডের দামও টনপ্রতি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা বেড়ে ৮৮ হাজার থেকে ৮৯ হাজার টাকায় উঠেছে। বাজারে আল আকসা, মুনতাহা, কদমতলী, ডিএসআরএম ও জেএসআরএম ব্র্যান্ডের রড বিক্রি হচ্ছে ৮৮ হাজার ৫০০ টাকার আশপাশে। তুলনামূলক কম দামের ব্র্যান্ডগুলো ৮৮ হাজার টাকার কাছাকাছি অবস্থান করছে। বাজারে এ অস্থিরতার প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে ইস্পাত খাতের উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট কাঠামো পুনর্বিন্যাসের প্রস্তাবকে। বাজেটে
ফেরো অ্যালয়, স্ক্র্যাপ, বিলেট, ইনগট ও এমএস রড উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে নির্দিষ্ট ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে বিভিন্ন ধাপে মোট ভ্যাট ২ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় উন্নীত হতে পারে। ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, বাজেট ঘোষণার পরপরই বড় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন দর কার্যকর করতে শুরু করে। চট্টগ্রামের আসাদগঞ্জ এলাকার রড ব্যবসায়ী শাহাব উদ্দিন বলেন, বাজেট প্রস্তাবের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বড় কোম্পানিগুলো নতুন মূল্যতালিকা ঘোষণা করেছে। তাঁর মতে, শুধু বড় ব্র্যান্ড নয়, মাঝারি ও ছোট মিলগুলোর রডের দামও সমানভাবে বাড়ছে। তিনি আশঙ্কা করেন, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে সামনে আরও মূল্যবৃদ্ধি দেখা যেতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভ্যাট বৃদ্ধিই
একমাত্র চাপ নয়। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি, কাঁচামালের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক এবং বন্দরের ট্যারিফ বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় আরও বাড়িয়েছে। এর সম্মিলিত প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বাজারদরে প্রতিফলিত হচ্ছে। বিএসআরএমের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন সেনগুপ্ত জানান, আগে প্রতি টন রডে গড়ে ২ হাজার ৭০০ টাকা ভ্যাট ছিল, যা নতুন প্রস্তাবে ৩ হাজার ৪০০ টাকায় উন্নীত হবে। তাঁর হিসাব অনুযায়ী শুধু ভ্যাটেই টনপ্রতি ৭০০ টাকা বাড়তি খরচ তৈরি হচ্ছে। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ মিলিয়ে মোট উৎপাদন ব্যয় টনপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ) বলছে, বিদ্যুৎ, কেমিক্যাল ও রিফ্র্যাক্টরি সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিসহ সব মিলিয়ে উৎপাদন ব্যয় টনপ্রতি ১১ থেকে
১২ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে বাজারে চাহিদা দুর্বল থাকায় এই ব্যয়ের পুরো চাপ এখনই ভোক্তা পর্যায়ে যাচ্ছে না। মেট্রোসেম ইস্পাতের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শহিদুল্লাহ জানান, বর্তমানে আবাসন খাতের মন্দা এবং সরকারি প্রকল্পের ধীরগতির কারণে রডের চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ফলে উৎপাদকেরা পুরো ব্যয় একবারে বাজারে সমন্বয় করতে পারছেন না।



