ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মিরপুর স্টেডিয়ামে বসছে ২৭ হাজার স্কয়ার ফিটের ছাউনি
বিসিবির মেডিকেল প্যানেলের সদস্য হলেন অধ্যাপক এরফানুল
সুখবর পেলেন বাংলাদেশ দলের একাধিক তারকা
বিশ্বকাপে আরও এক তারকাকে পাচ্ছে না ব্রাজিল
সুখবর পেলেন নাহিদা-জ্যোতিরা
ইতিহাস গড়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সিরিজ জয়
কিউইদের বিপক্ষে হৃদয়-শামীমের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের জয়
বিসিবি’র অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে এই কমিটিকে অবৈধ ও আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. গোলাম কিবরিয়াসহ সাতজন আইনজীবী হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদনটি জমা দেন।
আইনজীবী গোলাম কিবরিয়া জানান, আগামী সপ্তাহে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
রিট আবেদনে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) চেয়ারম্যান, এর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক এবং বিসিবি’র অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বিবাদী করা হয়েছে।
আবেদন অনুযায়ী, বিসিবি’র নির্বাচিত কমিটি ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে কার্যভার গ্রহণ করেছিল এবং নির্ধারিত মেয়াদের মধ্যে
আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছিল। তবে গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা প্রয়োগ করে নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক বডি গঠন করে এনএসসি। আবেদনকারীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ধারা ২১ অনুযায়ী কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা যেতে পারে, যেমন—যখন কোনো কমিটি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় বা স্বার্থের দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। তাঁদের দাবি, বিসিবি’র নির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং এটি বিলুপ্ত করতে এই বিধানের অপপ্রয়োগ করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘এই পদক্ষেপ বেআইনি, স্বেচ্ছাচারী এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থী।’ রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে
অ্যাডহক কমিটি গঠন করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং ক্রীড়া সংস্থাগুলোর স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করে, যা সাংবিধানিক নীতি ও মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—রশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু এবং ফাহিম সিনহা। এনএসসি এর আগে জানিয়েছিল যে, তাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে আসছিল। তবে গত ৭ এপ্রিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা প্রয়োগ করে নির্বাচিত কমিটি বিলুপ্ত করে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক বডি গঠন করে এনএসসি। আবেদনকারীরা যুক্তি দিয়েছেন যে, ধারা ২১ অনুযায়ী কেবল বিশেষ পরিস্থিতিতে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা যেতে পারে, যেমন—যখন কোনো কমিটি সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয় বা স্বার্থের দ্বন্দ্বে লিপ্ত হয়। তাঁদের দাবি, বিসিবি’র নির্বাচিত কমিটির বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি এবং এটি বিলুপ্ত করতে এই বিধানের অপপ্রয়োগ করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, ‘এই পদক্ষেপ বেআইনি, স্বেচ্ছাচারী এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থী।’ রিটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, নির্বাচিত কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে
অ্যাডহক কমিটি গঠন করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং ক্রীড়া সংস্থাগুলোর স্বায়ত্তশাসনকে খর্ব করে, যা সাংবিধানিক নীতি ও মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালকে অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন—রশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু এবং ফাহিম সিনহা। এনএসসি এর আগে জানিয়েছিল যে, তাদের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।



