বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ |
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ‘রিডিং হেবিট’ প্রকল্পের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রভাব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের মধ্যে পাল্টাপাল্টি যুক্তি-তর্ক শুরু হয়েছে। নওফেলের অভিযোগ, প্রকল্পের বিপুল অর্থ প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে ব্যয় না হয়ে রাজধানীর বিলাসবহুল অফিস ও এনজিও কাঠামোর পেছনে খরচ হয়েছে। সম্প্রতি আনিসুল হক তার ফেসবুক পেজে দাবি করেন, বঙ্গবন্ধুর বই তালিকায় না থাকায় সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ফাইল আটকে দিয়েছিলেন। এর জবাবে নওফেল তার ভেরিফায়েড পেজে একটি দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করেন। তিনি জানান, ফাইল আটকানোর বিষয়টি কেবল বঙ্গবন্ধু বা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ

ছিল না। বরং এর পেছনে গভীর আর্থিক ও কৌশলগত কারণ ছিল। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেল তার পোস্টে উল্লেখ করেন যে, প্রকল্পের ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট বা প্রভাব মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতি বছর সরকারের কাছ থেকে প্রায় ৪০-৫০ কোটি টাকা গ্রহণ করত। এই অর্থের একটি বড় অংশ ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিচালনা, উচ্চ কনসালটেন্সি ফি এবং বিশাল এনজিও কাঠামোর পেছনে ব্যয় হতো। নওফেল দাবি করেন, রাজধানীর এলিট শ্রেণির জন্য কিছু কার্যক্রম আকর্ষণীয় মনে হলেও গ্রাম ও মফস্বলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকল্পের কোনো কার্যকর প্রভাব পড়েনি। সাবেক প্রভাবশালী আমলা ও সুশীল সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশ এই অর্থের প্রবাহ সচল রাখতে তদবির করত বলে তিনি অভিযোগ

করেন। তিনি মনে করেন, এই বিপুল অর্থ ঢাকার একটি নির্দিষ্ট সংস্থাকে না দিয়ে জেলা পর্যায়ের সরকারি পাঠাগারগুলোকে দিলে সারা দেশে সত্যিকারের পাঠাভ্যাস গড়ে উঠত। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে ব্যক্তিগতভাবে সম্মান জানিয়েও নওফেল বলেন, “আলোকিত মানুষ গড়ার মিষ্টি কথার আড়ালে কোটি কোটি টাকার হিসাব অস্বচ্ছ থাকলে তার জবাবদিহি প্রয়োজন।” তিনি আরও ইঙ্গিত দেন যে, বড় বড় ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট দিয়ে সত্যিকারের পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা সম্ভব নয়। নওফেলের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তরুণ সমাজকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নিষ্ক্রিয় করার পেছনে কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে

বৈদেশিক পুরস্কারপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর রাজনৈতিক ও আদর্শিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী তার এই ২০০ দিনের মেয়াদে এই ‘শুভংকরের ফাঁকি’ পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারাকে নিজের ব্যর্থতা হিসেবেও স্বীকার করে নিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখার সময় পর্যন্ত বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র বা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কান উৎসবে প্রাধান্য পাচ্ছেন স্বাধীন নির্মাতারা যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুললে পাকিস্তানে ইরানের প্রতিনিধি দল যাবে না ১২ কেজি এলপিজির দাম বেড়ে ১৯৪০ টাকা প্রতিনিধিরা আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন, শান্তি চুক্তি ‘হবে’ : ট্রাম্প দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব: জ্বালানিমন্ত্রী ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আইএমএফের সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তোলা পর্যন্ত হরমুজ বন্ধ থাকবে: আইআরজিসি বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে নতুন বিতর্কে থালাপতি বিজয় শেখ মুজিবকে প্রাপ্ত সম্মান দিতে হবে: শাহাদাত হোসেন চবিতে পোস্টার হাতে ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী উৎপাদন বন্ধ হয়ে অচল দেশের সার কারখানাগুলো, আমদানি নির্ভরতায় বাংলাদেশ: জানালেন শিল্পমন্ত্রী এবার বন্ধ হয়ে গেল দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানাটিও জ্বালানি তেলের সংকট: দেশীয় কোম্পানির ট্যাংকারে উপচে পড়ছে পেট্রোল-অকটেন, নিচ্ছে না সরকার দুই সপ্তাহ ব্যবধানে নজিরবিহীন দুই দফা দাম বৃদ্ধি: ১২ কেজির এলপিজি এখন ১৯৪০ শরীফুলের স্পেলই নাকি কিউইদের মিরপুর জয়ের পথ দেখিয়েছে! তথ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে স্ক্রল আকারে সংবাদ প্রকাশের সমালোচনায় সাংবাদিক সায়ের বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের টাকায় এনজিও অভিযোগ সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলের