ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চ্যাম্পিয়ন দল কেন গোলপোস্টের জাল কেটে নেয়?
মেসিকেই বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা
বিশ্বকাপজয়ী রদ্রির পিঠে অস্ত্রোপচার, ম্যানচেস্টার সিটিতে অনিশ্চয়তা
কাভা পুরুষ ভলিবল চ্যাম্পিয়নশিপে উজবেকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ
বিশ্বকাপ ফাইনালে পারাদেস কান্ডঃ লাল কার্ডের তথ্য প্রযুক্তিগত ত্রুটি, তবে ম্যাচশেষে সংঘর্ষ তদন্তে ফিফা’র কমিটি
ব্যালন ডি’অর ২০২৬: বিশ্বকাপ ফাইনালের পারফরম্যান্সে ধাক্কা খেলেন মেসি, এগিয়ে ইয়ায়ামাল, হ্যারি কেইন
অবসরের ইঙ্গিত দিলেন মার্তিনেজ?
বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে ‘আজীবন’ বহিষ্কারের পিটিশন ভাঙতে চলেছিল ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, অতঃপর…
বিশ্বকাপে সুন্দর ফুটবল খেলে সমর্থকদের মন জয় করতে পারেনি আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বাধীন দলটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে পৌঁছালেও শুরু থেকেই তাদের নিয়ে ছিল নানা বিতর্ক এবং দক্ষিণ আমেরিকার এই দলটিকে ফিফা বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ।
এমনকি ফাইনালের আগেই আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে একটি পিটিশন বা গণস্বাক্ষর অভিযান শুরু হয়। পরবর্তীতে ফাইনাল শেষে খেলোয়াড়দের মধ্যকার অনাকাঙ্ক্ষিত মারামারি ও হাতাহাতির ঘটনা দলটির ভাবমূর্তিকে আরও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করে।
বন্ধ হওয়ার আগে এই পিটিশনে প্রায় ২ কোটি ৩৩ লাখের বেশি মানুষ স্বাক্ষর করেন, যা গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভাঙার একদম কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল।
টুর্নামেন্ট শেষে আর্জেন্টিনা সম্ভবত বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে অপ্রিয় দলে
পরিণত হয়। ম্যাচ শেষে লেয়ান্দ্রো পারেদেসের অনভিপ্রেত আচরণ—যার মধ্যে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারা এবং গাভিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা অন্তর্ভুক্ত—আর্জেন্টিনাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে একরকম ‘খলনায়কের’ চরিত্রে দাঁড় করিয়ে দেয়। ম্যাচের নির্ধারিত সময়েও পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। আর এই লাল কার্ডের ঘটনাটি আলবিসেলেস্তেদের ফাইনাল হারের অন্যতম বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। ‘আর্জেন্টিনা আউট’ পিটিশনের ঝড় ফাইনালে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিশৃঙ্খল আচরণের পর দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি করা পিটিশনটি দ্রুত আন্তর্জাতিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে ২ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ এতে স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংগৃহীত পিটিশনগুলোর একটি।
ইউরোপীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আর্জেন্টিনা আউট’ শীর্ষক এই পিটিশনে বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশ থেকে মোট ২,৩৩,১৬,১০৮টি ডিজিটাল স্বাক্ষর জমা পড়ে। পিটিশনটির প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৫০ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা, যা বহু আগেই অতিক্রম করে যায়। টুর্নামেন্টজুড়ে রেফারিদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে এই পিটিশনটি চালু করা হয়েছিল। পিটিশনের মূল বক্তব্য ছিল, ‘বিজয়ী কে হবে তা যদি আগেই জানা থাকে, তবে বাকি দলগুলো কেন টুর্নামেন্টে খেলবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিন এবং সবাইকে সমান ও সুষ্ঠু সুযোগ দিন।’ ফাইনালে আর্জেন্টিনার ১-০ ব্যবধানে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর পিটিশনের উদ্যোক্তারা বার্তা দিয়ে অভিযান শেষ ঘোষণা করেন। তারা লেখেন, ‘ফিফা আমাদের কথা উপেক্ষা করেছে,
কিন্তু স্পেন তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে... ধন্যবাদ, স্পেন।’ ইতিহাসে অফিশিয়ালি সবচেয়ে বেশি স্বাক্ষর পাওয়া পিটিশনের রেকর্ডটি রয়েছে ১৯৯৭ সালের ‘জুবিলি ২০০০’ আন্দোলনের নামে, যেখানে ২,৪৩,১৯,১৮১টি স্বাক্ষর সংগৃহীত হয়েছিল। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, আর্জেন্টিনা বিরোধী এই পিটিশনটি যদি আর দু-একদিন চালু থাকত, তবে তা পূর্বের সব বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ে ফেলত। সূত্র: এনডিটিভি
পরিণত হয়। ম্যাচ শেষে লেয়ান্দ্রো পারেদেসের অনভিপ্রেত আচরণ—যার মধ্যে স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারা এবং গাভিকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার ঘটনা অন্তর্ভুক্ত—আর্জেন্টিনাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে একরকম ‘খলনায়কের’ চরিত্রে দাঁড় করিয়ে দেয়। ম্যাচের নির্ধারিত সময়েও পাউ কুবার্সিকে ফাউল করে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ। আর এই লাল কার্ডের ঘটনাটি আলবিসেলেস্তেদের ফাইনাল হারের অন্যতম বড় প্রভাবক হিসেবে কাজ করে। ‘আর্জেন্টিনা আউট’ পিটিশনের ঝড় ফাইনালে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের বিশৃঙ্খল আচরণের পর দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবি করা পিটিশনটি দ্রুত আন্তর্জাতিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে ২ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি মানুষ এতে স্বাক্ষর করেন, যা ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সংগৃহীত পিটিশনগুলোর একটি।
ইউরোপীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ‘আর্জেন্টিনা আউট’ শীর্ষক এই পিটিশনে বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশ থেকে মোট ২,৩৩,১৬,১০৮টি ডিজিটাল স্বাক্ষর জমা পড়ে। পিটিশনটির প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল ৫০ লাখ স্বাক্ষর সংগ্রহ করা, যা বহু আগেই অতিক্রম করে যায়। টুর্নামেন্টজুড়ে রেফারিদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তুলে এই পিটিশনটি চালু করা হয়েছিল। পিটিশনের মূল বক্তব্য ছিল, ‘বিজয়ী কে হবে তা যদি আগেই জানা থাকে, তবে বাকি দলগুলো কেন টুর্নামেন্টে খেলবে? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিন এবং সবাইকে সমান ও সুষ্ঠু সুযোগ দিন।’ ফাইনালে আর্জেন্টিনার ১-০ ব্যবধানে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর পিটিশনের উদ্যোক্তারা বার্তা দিয়ে অভিযান শেষ ঘোষণা করেন। তারা লেখেন, ‘ফিফা আমাদের কথা উপেক্ষা করেছে,
কিন্তু স্পেন তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে... ধন্যবাদ, স্পেন।’ ইতিহাসে অফিশিয়ালি সবচেয়ে বেশি স্বাক্ষর পাওয়া পিটিশনের রেকর্ডটি রয়েছে ১৯৯৭ সালের ‘জুবিলি ২০০০’ আন্দোলনের নামে, যেখানে ২,৪৩,১৯,১৮১টি স্বাক্ষর সংগৃহীত হয়েছিল। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, আর্জেন্টিনা বিরোধী এই পিটিশনটি যদি আর দু-একদিন চালু থাকত, তবে তা পূর্বের সব বিশ্বরেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ে ফেলত। সূত্র: এনডিটিভি



