ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজেদের অপকর্ম ঢাকতেই ‘আওয়ামী লীগের ফেরা’ নিয়ে মাহফুজ-আসিফের ফেসবুক নাটক
আওয়ামী লীগ ছিলই, ‘ব্যাক’ করেছে তাদের দম্ভ: আসিফ নজরুল
শরীয়তপুরে ছেলে ছাত্রলীগ করায় পিতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ
‘হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন’
আ.লীগের ৮৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
গায়ে হাত দেওয়া লোকও কমিটিতে ক্ষোভে রাজনীতি ছাড়লেন এনসিপি নেত্রী
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মীরা, আত্মরক্ষার সাথে সাথে করছে মব হামলা প্রতিরোধ
বিএনপির বড় সংকট ‘গুপ্ত জামায়াত’, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করা আত্মঘাতী: আনিস আলমগীর
বিএনপির জন্য আগামী দিনে সবচেয়ে বড় সংকট হবে দলের ভেতরে থাকা ‘গুপ্ত জামায়াত’ সদস্যদের চিহ্নিত করা। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত দলটির জন্য ‘আত্মঘাতী’ হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আনিস আলমগীর।
সম্প্রতি দৈনিক কালের কণ্ঠ আয়োজিত ‘কালের সংলাপ’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
আনিস আলমগীর বলেন, বিএনপির ভেতরে এখন সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো—কে আসলে বিএনপি আর কে আসলে ‘গুপ্ত জামায়াত’। তিনি দাবি করেন, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী মহলের অনেকেই বিএনপির মুখোশ পরে থাকলেও আসলে তারা জামায়াত ঘরানার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এই ‘গুপ্ত’ সদস্যরা ভুল সময়ে ভুল পরামর্শ দিয়ে বিএনপিকে যেকোনো সময় বড় বিপদে
ফেলতে পারে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কারণ এটি করা হলে রাজনীতিতে কেবল বিএনপি ও জামায়াতই অবশিষ্ট থাকবে। সেক্ষেত্রে জামায়াতের উগ্র আদর্শ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি কলুষিত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকবে।” তাঁর মতে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই মূলত একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং তারা ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, কিন্তু আদর্শিক শত্রু নয়। বরং জামায়াতই হলো চূড়ান্ত আদর্শিক শত্রু। আলোচনায় আনিস আলমগীর সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আখতারুজ্জামানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তবে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা প্রকাশ্যে অন্য কোনো দলে
যোগ দেয়, তাদের চেয়ে যারা দলের ভেতর ‘গুপ্ত’ থেকে কাজ করে, তারা বেশি বিপজ্জনক। সাম্প্রতিক সময়ের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ‘হেলমেট বাহিনী’র মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এবারও সেই হেলমেট বাহিনীর সক্রিয়তা দেখা গেছে, যাদের অনেকের পরিচয় পরবর্তীতে ছাত্রশিবির হিসেবে সামনে এসেছে। বিপক্ষ শক্তির কঠোর সমালোচনা করে এই সাংবাদিক বলেন, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব বা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে না, তাদের এ দেশে রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার নেই। যারা জাতীয় সঙ্গীত বাজলে বসে থাকে কিংবা নিয়ম রক্ষার খাতিরে শহীদ মিনারে যায়, তারা আসলে একাত্তরের আদর্শকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আনিস আলমগীর আরও সতর্ক করে
বলেন, দেশে যদি উগ্রবাদী রাজনীতির উত্থান ঘটে, তবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত একে পুঁজি করবে। তারা একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের দেশে মুসলিম নির্যাতনের পথ প্রশস্ত করবে এবং নরেন্দ্র মোদি সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ পেয়ে যাবে। তিনি অভিমত দেন যে, কোনো রাজনৈতিক দল যদি রাষ্ট্র কাঠামোর পরিবর্তনের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কিংবা বাহাত্তরের সংবিধানকে অস্বীকার করে, তবে তারা জাতির জন্য হুমকি। তবে কোনো দল যদি তাদের অতীতের ভুলের জন্য অনুশোচনা করে এবং বাংলাদেশের মূল চেতনা ধারণ করে রাজনীতি করতে চায়, তবে জনগণ তাদের গ্রহণ করতে পারে।
ফেলতে পারে। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হবে একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। কারণ এটি করা হলে রাজনীতিতে কেবল বিএনপি ও জামায়াতই অবশিষ্ট থাকবে। সেক্ষেত্রে জামায়াতের উগ্র আদর্শ দিয়ে বিএনপির রাজনীতি কলুষিত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি থাকবে।” তাঁর মতে, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয়ই মূলত একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি এবং তারা ক্ষমতার প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে, কিন্তু আদর্শিক শত্রু নয়। বরং জামায়াতই হলো চূড়ান্ত আদর্শিক শত্রু। আলোচনায় আনিস আলমগীর সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আখতারুজ্জামানের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, তবে তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, যারা প্রকাশ্যে অন্য কোনো দলে
যোগ দেয়, তাদের চেয়ে যারা দলের ভেতর ‘গুপ্ত’ থেকে কাজ করে, তারা বেশি বিপজ্জনক। সাম্প্রতিক সময়ের আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সময় ‘হেলমেট বাহিনী’র মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এবারও সেই হেলমেট বাহিনীর সক্রিয়তা দেখা গেছে, যাদের অনেকের পরিচয় পরবর্তীতে ছাত্রশিবির হিসেবে সামনে এসেছে। বিপক্ষ শক্তির কঠোর সমালোচনা করে এই সাংবাদিক বলেন, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব বা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকে মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে না, তাদের এ দেশে রাজনীতি করার নৈতিক অধিকার নেই। যারা জাতীয় সঙ্গীত বাজলে বসে থাকে কিংবা নিয়ম রক্ষার খাতিরে শহীদ মিনারে যায়, তারা আসলে একাত্তরের আদর্শকে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আনিস আলমগীর আরও সতর্ক করে
বলেন, দেশে যদি উগ্রবাদী রাজনীতির উত্থান ঘটে, তবে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত একে পুঁজি করবে। তারা একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের দেশে মুসলিম নির্যাতনের পথ প্রশস্ত করবে এবং নরেন্দ্র মোদি সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার জন্য একটি ‘ট্রাম্প কার্ড’ পেয়ে যাবে। তিনি অভিমত দেন যে, কোনো রাজনৈতিক দল যদি রাষ্ট্র কাঠামোর পরিবর্তনের নামে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কিংবা বাহাত্তরের সংবিধানকে অস্বীকার করে, তবে তারা জাতির জন্য হুমকি। তবে কোনো দল যদি তাদের অতীতের ভুলের জন্য অনুশোচনা করে এবং বাংলাদেশের মূল চেতনা ধারণ করে রাজনীতি করতে চায়, তবে জনগণ তাদের গ্রহণ করতে পারে।



