ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
টেন্ডার ভাগাভাগি নিয়ে দলীয় কোন্দল: ফেনী জেলা বিএনপির নেতাকে হত্যাচেষ্টা
হাওরের বাঁধের অর্থে শিবির নেতার বাড়ির সড়ক সংস্কারে ২৩ লাখ টাকার প্রকল্প উপহার সুনামগঞ্জের ডিসির!
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ
৩৪টা সইয়ে বন্দী একটা গ্রাম : হালাল মাইক, হারাম সাউন্ডবক্স
চাঁদাবাজি-ছিনতাই, বিএনপি, আর একটি রাষ্ট্রের নৈতিক দেউলিয়াত্ব
বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে মুক্তি মিলল ছেলের: জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফিরলেন সামি
গাজীপুর কারাগারে বন্দী ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় দীর্ঘ ছয়টি মাস প্রহর গুনেছেন বাবা। আশা ছিল, জামিনে মুক্তি পেয়ে ছেলে ফিরবে, শেষ বয়সে ছেলের কাঁধে হাত রাখবেন। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। ছেলের দুশ্চিন্তা আর বুকভাঙা কষ্ট নিয়ে পৃথিবী থেকেই বিদায় নিলেন বাবা ওমর আলী। বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে আইনি জটিলতা কাটিয়ে আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন একমাত্র পুত্র মো. আবু সামা (সামি)।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবু সামা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২০২৫ সালের ২৩ আগস্ট একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি
গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, উচ্চ আদালত থেকে আগেই সামির জামিন হয়েছিল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে তাঁর মুক্তি আটকে ছিল। এর মধ্যেই গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন সামির বাবা ওমর আলী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। বাবার মৃত্যুর খবর কারাগারে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের আকুতি ছিল, অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। মানবিক দিক বিবেচনায় এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে আজ তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। আজকের কণ্ঠ-এর
হাতে আসা ছবিতে দেখা যায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন সামি। এ সময় তাঁর চোখেমুখে ছিল স্বজন হারানোর বেদনা আর দীর্ঘ কারাবাসের ক্লান্তি। পাশে ছিলেন তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা। পরিবারের এক সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় ভাই (ওমর আলী) ধুঁকে ধুঁকে শেষ হয়ে গেছেন। ছেলে ফিরল, কিন্তু বাবা তো আর নেই। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, অন্তত শেষ সময়ে বাবার কবরে মাটি দেওয়ার সুযোগটুকু সামি পেলেন। এই সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সামি এখন তাঁর নিজ জেলা ঝিনাইদহের পথে, যেখানে বাবার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। একমাত্র ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রাখা কফিনের পাশে যখন সামি পৌঁছাবেন, তখন এক করুণ দৃশ্যের
অবতারণা হবে—এমনটাই ভাবছেন এলাকাবাসী।
গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, উচ্চ আদালত থেকে আগেই সামির জামিন হয়েছিল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে তাঁর মুক্তি আটকে ছিল। এর মধ্যেই গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন সামির বাবা ওমর আলী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। বাবার মৃত্যুর খবর কারাগারে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের আকুতি ছিল, অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। মানবিক দিক বিবেচনায় এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে আজ তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। আজকের কণ্ঠ-এর
হাতে আসা ছবিতে দেখা যায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন সামি। এ সময় তাঁর চোখেমুখে ছিল স্বজন হারানোর বেদনা আর দীর্ঘ কারাবাসের ক্লান্তি। পাশে ছিলেন তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা। পরিবারের এক সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় ভাই (ওমর আলী) ধুঁকে ধুঁকে শেষ হয়ে গেছেন। ছেলে ফিরল, কিন্তু বাবা তো আর নেই। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, অন্তত শেষ সময়ে বাবার কবরে মাটি দেওয়ার সুযোগটুকু সামি পেলেন। এই সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সামি এখন তাঁর নিজ জেলা ঝিনাইদহের পথে, যেখানে বাবার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। একমাত্র ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রাখা কফিনের পাশে যখন সামি পৌঁছাবেন, তখন এক করুণ দৃশ্যের
অবতারণা হবে—এমনটাই ভাবছেন এলাকাবাসী।



