ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কক্সবাজারে শিশু মৃত্যুর মিছিল, কিন্তু ঢাকায় কি সেটা টের পাচ্ছে কেউ?
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে এ পর্যন্ত শাহজালালে বাতিল ৯৭২ ফ্লাইট
বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি কৃষক আহত, পাল্টা ধরে আনা হলো ভারতীয় কৃষককে, সীমান্তে উত্তেজনা
চন্দনাইশে অলির বিরুদ্ধে ঝাড়ুমিছিল: তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদ
গণভোট না মানলে মোনাফেক হয়ে যাবে, জামায়াত নেতা শিশির মনিরের নয়া ‘ফতোয়া’
থানায় ঢুকে ৯ পুলিশ সদস্যকে প্রহার, প্রধান আসামিসহ জামায়াতের আরও দুই নেতা গ্রেপ্তার
বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট, জ্বালানির অভাবে সমুদ্রে যেতে পারছে না মাছ ধরার ট্রলার
বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে মুক্তি মিলল ছেলের: জানাজায় অংশ নিতে বাড়ি ফিরলেন সামি
গাজীপুর কারাগারে বন্দী ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় দীর্ঘ ছয়টি মাস প্রহর গুনেছেন বাবা। আশা ছিল, জামিনে মুক্তি পেয়ে ছেলে ফিরবে, শেষ বয়সে ছেলের কাঁধে হাত রাখবেন। কিন্তু সেই আশা আর পূরণ হলো না। ছেলের দুশ্চিন্তা আর বুকভাঙা কষ্ট নিয়ে পৃথিবী থেকেই বিদায় নিলেন বাবা ওমর আলী। বাবার মৃত্যুর পর অবশেষে আইনি জটিলতা কাটিয়ে আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন একমাত্র পুত্র মো. আবু সামা (সামি)।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মো. আবু সামা ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। দেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর গত ২০২৫ সালের ২৩ আগস্ট একটি রাজনৈতিক মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি
গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, উচ্চ আদালত থেকে আগেই সামির জামিন হয়েছিল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে তাঁর মুক্তি আটকে ছিল। এর মধ্যেই গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন সামির বাবা ওমর আলী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। বাবার মৃত্যুর খবর কারাগারে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের আকুতি ছিল, অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। মানবিক দিক বিবেচনায় এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে আজ তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। আজকের কণ্ঠ-এর
হাতে আসা ছবিতে দেখা যায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন সামি। এ সময় তাঁর চোখেমুখে ছিল স্বজন হারানোর বেদনা আর দীর্ঘ কারাবাসের ক্লান্তি। পাশে ছিলেন তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা। পরিবারের এক সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় ভাই (ওমর আলী) ধুঁকে ধুঁকে শেষ হয়ে গেছেন। ছেলে ফিরল, কিন্তু বাবা তো আর নেই। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, অন্তত শেষ সময়ে বাবার কবরে মাটি দেওয়ার সুযোগটুকু সামি পেলেন। এই সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সামি এখন তাঁর নিজ জেলা ঝিনাইদহের পথে, যেখানে বাবার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। একমাত্র ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রাখা কফিনের পাশে যখন সামি পৌঁছাবেন, তখন এক করুণ দৃশ্যের
অবতারণা হবে—এমনটাই ভাবছেন এলাকাবাসী।
গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে বন্দী ছিলেন। সামির আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জানান, উচ্চ আদালত থেকে আগেই সামির জামিন হয়েছিল। কিন্তু আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা ও কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কারণে তাঁর মুক্তি আটকে ছিল। এর মধ্যেই গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন সামির বাবা ওমর আলী (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। স্বজনেরা জানান, বাবার খুব ইচ্ছা ছিল ছেলেকে একবার দেখার। কিন্তু সেই ইচ্ছা অপূর্ণ রেখেই তিনি চলে গেলেন। বাবার মৃত্যুর খবর কারাগারে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। পরিবারের আকুতি ছিল, অন্তত বাবার জানাজায় যেন ছেলে অংশ নিতে পারেন। মানবিক দিক বিবেচনায় এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন শেষে আজ তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়। আজকের কণ্ঠ-এর
হাতে আসা ছবিতে দেখা যায়, কারাগার থেকে বেরিয়ে আসছেন সামি। এ সময় তাঁর চোখেমুখে ছিল স্বজন হারানোর বেদনা আর দীর্ঘ কারাবাসের ক্লান্তি। পাশে ছিলেন তাঁর আইনজীবী ও স্বজনেরা। পরিবারের এক সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ছেলের মুক্তির অপেক্ষায় ভাই (ওমর আলী) ধুঁকে ধুঁকে শেষ হয়ে গেছেন। ছেলে ফিরল, কিন্তু বাবা তো আর নেই। তবুও আলহামদুলিল্লাহ, অন্তত শেষ সময়ে বাবার কবরে মাটি দেওয়ার সুযোগটুকু সামি পেলেন। এই সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।" সামি এখন তাঁর নিজ জেলা ঝিনাইদহের পথে, যেখানে বাবার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে। একমাত্র ছেলেকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রাখা কফিনের পাশে যখন সামি পৌঁছাবেন, তখন এক করুণ দৃশ্যের
অবতারণা হবে—এমনটাই ভাবছেন এলাকাবাসী।



