কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬

কোহিনূর মিয়ার প্রত্যাবর্তন এবং ‘নারীবান্ধব’ বিএনপি সরকারের নারীবান্ধব পুরস্কার!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬ |
সাড়ে ষোলো বছর পর একজন বরখাস্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে ফিরিয়ে আনা হলো। শুধু ফিরিয়েই আনা হয়নি, বরখাস্তকালীন পুরো সময়টাকে "চাকরিকাল" হিসেবে গণ্য করে বকেয়া বেতন-ভাতাসহ সব সুবিধা দেওয়ার আদেশ হলো। রাষ্ট্রপতি নিজে তার আবেদন মঞ্জুর করলেন। এই মানুষটির নাম মো. কোহিনূর মিয়া। নামটা অনেকের কাছে পরিচিত। ২০০২ সালের ২৩ জুলাই রাতের কথা যারা মনে রাখেন, তারা এই নাম ভোলেননি। সেই রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হলের ফটক ভেঙে পুলিশ ঢুকে পড়েছিল। হলের ভেতরে তখন আন্দোলনরত ছাত্রীরা। সেই অভিযানে কী হয়েছিল, সেটা দেশবাসীর কারো জানতে বাকি নেই। সেই ঘটনায় আলোচনায় এসেছিল কোহিনূর মিয়ার নাম। এরপর ২০০৪ সালে ময়মনসিংহের নান্দাইলে পৌর নির্বাচনের দিন গোলাগুলিতে দুজন মানুষ মারা

যান। সেই ঘটনার মামলায়ও পরে তার নাম আসে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আসামি হন। সিআইডি ২০১১ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়। তারপর এই মামলাটা চলেছে বিশ বছরের বেশি সময় ধরে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে আদালত তাকে খালাস দিয়েছেন। সেই খালাসের রায়কে ভিত্তি করেই এখন বরখাস্ত বাতিল। আইনি দিক থেকে এটা হয়তো যুক্তিযুক্ত। আদালত যাকে নির্দোষ বলেছেন, তাকে চাকরিতে ফেরানো যায়। এই যুক্তিটা ফেলে দেওয়ার মতো না। কিন্তু প্রশ্নটা আইনের জায়গায় না, প্রশ্নটা বিবেচনার জায়গায়। শামসুন্নাহার হলে যা হয়েছিল, সেটা কোনো আদালতে বিচার হয়নি, কাউকে দায় নিতে দেখা যায়নি। সেই রাতে যে মেয়েরা হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন, তাদের কী হয়েছে? তাদের জন্য বিচার কোথায়? সেই ঘটনার

সঙ্গে যাদের নাম জুড়েছিল, তারা সময়ের সঙ্গে পুরস্কৃত হয়েছেন, না শাস্তিপ্রাপ্ত হয়েছেন? এরও পরে, একটা স্টেডিয়ামের ভেতরে এক বয়োজ্যেষ্ঠ সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায়ও তার নাম উঠেছিল। সেটাও মানুষ ভোলেনি। এই প্রেক্ষাপটে তাকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্তটা কেবল একটা প্রশাসনিক আদেশ হয়ে থাকে না। এটা একটা বার্তা হয়ে ওঠে। সেই বার্তাটা কী, সেটা নিয়েই মানুষের মাথায় প্রশ্ন ঘুরছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ইতিহাস নতুন না। কিন্তু যখন বিতর্কিত অতীতের মানুষদের ফিরিয়ে আনা হয়, তখন সাধারণ মানুষের মনে যে প্রশ্নটা জাগে সেটা হলো, কার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত? নারীর নিরাপত্তা নিয়ে, নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে যারা কথা বলেন, তাদের কাছেও এই প্রশ্নটা রইল। শামসুন্নাহার হলের ঘটনা ইতিহাসের

পাতায় আছে। সেই ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত একজনকে ফিরিয়ে আনার সময় সেই অন্ধকার ইতিহাসটাও ফিরে আসে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এনসিটিবিতে দুর্নীতির পাহাড়: এক বছরে ২৭১১ কোটি টাকার মহালুটপাট আইএফএবের স্বীকারোক্তি: আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলার লাল কার্ডটি ভুল ছিল অধিনায়কত্ব হারাচ্ছেন মিরাজ, ওয়ানডের নেতৃত্বও পাচ্ছেন লিটন ফ্রান্সের কোচ হয়ে জিদান বললেন, ‘এটাই আমি চাইছিলাম’ জুলাই সহিংসতার চট্টগ্রাম ট্র্যাজেডি: ভুয়া আসামি, সাজানো এজাহার, বিদেশে থেকেও আসামি রামুর বনাঞ্চলে তাণ্ডব: জবরদখল উচ্ছেদ করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের হামলায় রক্তাক্ত ৫ বনকর্মী টেকনাফে চায়ের দোকান থেকে সাবেক ইউপি সদস্যকে অপহরণ: কুপিয়ে জখম করে ফেলে গেল সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ-কে মবযোগ্য/হত্যাযোগ্য করে তোলা জুলাইয়ের ‘কালচারাল বয়ান’ এবং অতঃপর…… মোহাম্মদপুরে টানা তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র গ্যাস সংকট: জাপান গার্ডেন সিটিসহ আশপাশের এলাকায় জীবন নির্বাহে চরম ভোগান্তি আসামে ভয়াবহ বন্যা: ৬৮ জনের মৃত্যু, ৭ লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত; কোন সতর্কতা-আগাম প্রস্তুতি নেই বাংলাদেশে ঢাবি শিক্ষার্থীকে উদ্ধারে গিয়ে তৃতীয় লিঙ্গদের হেনস্তার শিকার এ বি জুবায়ের ক্ষমতার পাঁচ মাসেই ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক আন্ডারওয়ার্ল্ডে ভাড়াটে খুনিদের দাপট পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল টানা তিন দিনে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমল ১৭ শতাংশ উৎপাদন কর্মসংস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ দেশের ৮ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত অস্ট্রেলিয়া সিরিজ বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জিং যশোরে জামায়াত এমপি অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও, মহাসড়ক অবরোধ টেকনাফে চাঞ্চল্যকর একরামুল হক হত্যাকাণ্ড: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ সেনা হেফাজতে