ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ ফিরল, উৎস নিয়ে প্রশ্নও তোলা যাবে না
দেশে বিনিয়োগ কমলেও জিডিপি বেড়েছে
বাজেটে কমছে ও বাড়ছে যেসব পণ্যের দাম
ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহারের পর শেয়ারে বড় পতন
জনগণের ওপর বাড়তি ঋণ ও করভার চাপিয়ে বড় হচ্ছে বাজেটের আকার
১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি: চাপে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার, মিলছে না আয়-ব্যয়ের খেরোখাতা
২০২৬-২৭ বাজেট: বাড়তে পারে যেসব পণ্যের দাম
ছাপানো টাকার সংকট, বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোটও ছাড়তে হচ্ছে
মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ অনেক বেড়ে গেছে। এতে ছাপানো টাকার তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। যে কারণে ব্যাংকে গিয়ে মিলছে ছেঁড়া-ফাটা নোট। বেশির ভাগ এটিএম বুথে টাকা না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে গ্রাহকদের অনেকেই উদ্বেগ জানিয়েছেন। সংকট কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের সই করা বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়া হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন নকশার নোট ছাপানো কার্যক্রম জোরদারের মাধ্যমে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের সভায় পুরোনো নকশার নোট ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে কার্যবিবরণীতে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। আবার এ নিয়ে বিস্তর কোনো
আলোচনাও করা হয়নি। তবে দুয়েকদিনের মধ্যে এই নির্দেশনা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনকে জানানো হবে। এসব নোট এলে ছাপানো নোটের সংকট কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, কোরবানির ঈদে ছাপানো টাকার চাহিদা অনেক বেড়েছিল। চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়। তবে টাকশাল দিতে পেরেছে অর্ধেকেরও কম। আবার ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ বেড়ে সংকট বেড়েছে। ঈদের পর শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ছাপানো নোটের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয়
ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার একেবারে প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ছাপানো নোট পড়ে আছে। এসব নোট আপাতত ছাড়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ঈদ উপলক্ষে নগদ অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং ঈদের পরপরই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুদ্রা সাময়িকভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। যে কারণে ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থের প্রবাহে সাময়িক চাপ পরিলক্ষিত হতে পারে। তবে এটি একটি স্বাভাবিক ও সাময়িক পরিস্থিতি। ঈদ-পরবর্তী সময়ে অর্থ পুনরায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে
আসার মাধ্যমে তারল্য ও মুদ্রা সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে
তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে নতুন নোট বাজারে আসছে না। বর্তমানে যেসব নোট রয়েছে তার বড় অংশই পুরোনো। সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না। ছাপানো নোটের সংকট আর তারল্য সংকট এক না। সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে ছাপা নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক
নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়। এতে করে চাহিদার সঙ্গে জোগানে বড় পার্থক্য তৈরি হয়ে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ব্যাংকাররা আরও জানান, ছাপা নোটের বড় একটি অংশ ব্যবসায়িক কাজে কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মানুষের কাছে থাকে। আর সারাদেশে ব্যাংকগুলোর ১২ হাজারের মতো শাখার ভল্টে থাকে ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিনিময় করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট ও সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখার কাছে থাকে ১৪ হাজার
থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব হলো বাজার থেকে প্রতিনিয়ত পুরোনো, ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগ বা ময়লাযুক্ত টাকা তুলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকে জমা দেওয়া। তবে ব্যাংকগুলো অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা মতো নোট না পাওয়ায় এখন বাজারে প্রচুর ছেঁড়া-ফাটা নোট পাওয়া যাচ্ছে।
আলোচনাও করা হয়নি। তবে দুয়েকদিনের মধ্যে এই নির্দেশনা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনকে জানানো হবে। এসব নোট এলে ছাপানো নোটের সংকট কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে। সংশ্লিষ্টরা জানান, কোরবানির ঈদে ছাপানো টাকার চাহিদা অনেক বেড়েছিল। চাহিদা মেটাতে ঈদের আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকশালের কাছে ১৬ হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়। তবে টাকশাল দিতে পেরেছে অর্ধেকেরও কম। আবার ঈদের পর ইসলামী ব্যাংক নিয়ে সংকটের কারণে টাকা উত্তোলন বেড়ে গেছে। মানুষের হাতে টাকার পরিমাণ বেড়ে সংকট বেড়েছে। ঈদের পর শুধু ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা হয়েছে ৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। সব মিলিয়ে ছাপানো নোটের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এই সংকট মেটাতে কেন্দ্রীয়
ব্যাংক বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত পুরোনো নকশার একেবারে প্রস্তুত অবস্থায় থাকা ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশনে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত সব মিলিয়ে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকার ছাপানো নোট পড়ে আছে। এসব নোট আপাতত ছাড়া হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ঈদ উপলক্ষে নগদ অর্থের চাহিদা বেড়ে যাওয়া এবং ঈদের পরপরই বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বেতন-ভাতা পরিশোধের কারণে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মুদ্রা সাময়িকভাবে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। যে কারণে ব্যাংকগুলোতে নগদ অর্থের প্রবাহে সাময়িক চাপ পরিলক্ষিত হতে পারে। তবে এটি একটি স্বাভাবিক ও সাময়িক পরিস্থিতি। ঈদ-পরবর্তী সময়ে অর্থ পুনরায় ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ফিরে
আসার মাধ্যমে তারল্য ও মুদ্রা সরবরাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রত্যাশা করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনীয় মুদ্রা সরবরাহ নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিচ্ছে। ব্যাংকাররা জানান, ব্যাংকের কোনো শাখা নির্দিষ্ট অঙ্কের বেশি টাকা ভল্টে রাখতে পারে না। বেশি হলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা দেয়। আবার যখন দরকার হয় বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত চলতি হিসাবের বিপরীতে উত্তোলন করে নিয়ে যায়। এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। সব সময় ছেঁড়াফাটা, ক্রটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে
তা আলাদা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে দিয়ে থাকে। এ ধরনের নোট পুড়িয়ে ফেলে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সমমূল্যের নতুন নোট দিয়ে থাকে। তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর নতুন নকশা প্রণয়নসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘদিন ধরে নতুন নোট বাজারে আসছে না। বর্তমানে যেসব নোট রয়েছে তার বড় অংশই পুরোনো। সাধারণভাবে পুরোনো নোট এটিএম বুথে দেওয়া যায় না। ছাপানো নোটের সংকট আর তারল্য সংকট এক না। সব মিলিয়ে এখন সঞ্চয় রয়েছে ২৪ লাখ কোটি টাকার মতো। অথচ ছাপানো নোট রয়েছে তিন লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে ছাপা নোটের চাহিদা বাড়ে। যে কারণে এ সময় সর্বোচ্চ সংখ্যক
নতুন নোট বাজারে দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্দোলনের মুখে বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত নোট ছাড়া স্থগিত করা হয়। একযোগে নতুন নকশার নোট আনার উদ্যোগের পর ১০ থেকে ১৮ মাস সময় লেগে যায়। এতে করে চাহিদার সঙ্গে জোগানে বড় পার্থক্য তৈরি হয়ে এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ব্যাংকাররা আরও জানান, ছাপা নোটের বড় একটি অংশ ব্যবসায়িক কাজে কিংবা দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে মানুষের কাছে থাকে। আর সারাদেশে ব্যাংকগুলোর ১২ হাজারের মতো শাখার ভল্টে থাকে ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার কোটি টাকা। এছাড়া ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বিনিময় করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্ট ও সোনালী ব্যাংকের চেস্ট শাখার কাছে থাকে ১৪ হাজার
থেকে ১৮ হাজার কোটি টাকা। ব্যাংকগুলোর দায়িত্ব হলো বাজার থেকে প্রতিনিয়ত পুরোনো, ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগ বা ময়লাযুক্ত টাকা তুলে তা বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকে জমা দেওয়া। তবে ব্যাংকগুলো অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা মতো নোট না পাওয়ায় এখন বাজারে প্রচুর ছেঁড়া-ফাটা নোট পাওয়া যাচ্ছে।



