ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মো-সা-দ এজেন্ট’ বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল সুপ্রিম কোর্টে
ডাকাতি মামলায় বিএনপির ৯ নেতাকর্মী কারাগারে
৩ লাখের মুলা ঝুলিয়ে অসহায় পরিবারের হাতে ৭০০ টাকা দিয়ে নাসির-সারজিসের ফুটেজ খাওয়া, নিন্দা সাধারণের
পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্রলীগ নেতার ওপর ছাত্রদল-শিবিরের মবের পর পুলিশে সোপর্দ, পুলিশের প্রতি ধিক্কার শিক্ষার্থীদের
তুরাগে আওয়ামী লীগের ৩ কর্মীর লাশ উদ্ধার: পরিবারের দাবি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, সরকারের ‘না’
প্রেমের ফাঁদে ফেলে পর্নোগ্রাফি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল: চট্টগ্রামে শিবির নেতা গ্রেপ্তার
তুরাগে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ
এসএসসি পরীক্ষার্থী বান্ধবীর সব পরীক্ষায় প্রটোকল, কেন্দ্রে খবরদারি: এনসিপি নেতাকে ধোলাই দিয়ে কক্ষে অবরুদ্ধ
গার্লফ্রেন্ড এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন, সেই সুবাদে প্রতিটি পরীক্ষায় কেন্দ্রে ঢুকছেন, পরিদর্শন করছেন, হম্বিতম্বি-খবরদারিও করছিলেন এনসিপি নেতা। কর্মীদের সাথে নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে এমন উৎপীড়নের কারণে বিক্ষুব্ধ ছিলেন শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবকরাও। কিন্তু এনসিপি নেতার দাপটের কারণে কিছুই করা যাচ্ছিল না।
এভাবে এসএসসি পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে, চলছে ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ পর্যায়ে এসে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সাথে বাদানুবাদের জেরে সেই এনসিপি নেতাকে ধোলাই দিয়ে কক্ষে আটকে রাখলেন শিক্ষার্থীরা।
আজ ১১ই জুন, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পৌরসভার কাজী শামসুন্নেসা বালিকা উচ্চবিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
পিটুনি খাওয়া এনসিপির ওই নেতার নাম আশরাফ হোসেন (২৮)। তিনি ভাঙ্গা উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক। ভাঙ্গা
পৌরসভার নূরপুর মহল্লার বাসিন্দা বলে জানান স্থানীয়রা। কেন্দ্রে হম্বিতম্বি আর খবরদারির জেরে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরুর আগেই এনসিপির কর্মীদের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনার পর আশরাফ হোসেনকে ধোলাই দিয়ে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এসময় এনসিপি কর্মীদের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত। পরীক্ষার্থীদের তোপের মুখে আশরাফকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে শিক্ষকদের কক্ষে থাকা এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীরা ওই নেতাকে গ্রেপ্তারের জন্য পরীক্ষা বর্জন করে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরীক্ষা
শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, সকালে জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরুর আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ অন্য সব পরীক্ষার মত কেন্দ্রে প্রবেশ করেন তার দলবল নিয়ে। তার গার্লফ্রেন্ড এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন, সেই সুবাদে সব পরীক্ষার দিন তিনি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর খবরদারি করেন। আজ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক ছাত্রকে আশরাফ ঘুষি মারেন। এরপর ছাত্ররা তাকে ধোলাই দেন। অবস্থা বেগতিক দেখে দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন আশরাফ। তাকে রক্ষায় এনসিপির কর্মীরা এসে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করলে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন ইটের আঘাতে আহত হন। আহত পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলাম জানান, এনসিপির ওই নেতা প্রতি পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে এসে তার গার্লফ্রেন্ডকে
অনৈতিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করতেন। এজন্য পরীক্ষার্থীরা আগে থেকেই তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। আজ আমাদের মারপিট করায় পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাই তারা প্রতিবাদ করেছে। আহত প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফের ঝামেলা হলে সে একপর্যায়ে আমার কক্ষে আশ্রয় নেয়। আমার হাতের কনুইতে ইট এসে পড়ে। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ আশরাফকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এসসিপি নেতার সাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীর পরিচয় আছে। সব পরীক্ষার দিন তিনি ওই পরীক্ষার্থীকে আনা-নেওয়া করতেন। আজ পরীক্ষা শুরুর
আগে হলে ঢোকায় শিক্ষার্থীদের সাথে আশরাফের ঝামেলা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আশরাফকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা আশরাফ দাবি করেন, আমার বান্ধবীকে পরীক্ষার হলে দিতে গেলে ছাত্রলীগের কিছু কর্মী- যারা পরীক্ষা দিতে এসেছিল, তারা ওকে ইভটিজিং করে। আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমাকে পেটায়। আমি এর বিচার চাই। তবে ছাত্রলীগ কর্মীরা পরীক্ষা দিচ্ছেন- এমন দাবি হেসে উড়িয়ে দেন পরীক্ষার্থীরা। তারা জানান, ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর থেকে ছাত্রলীগ বলে কেউ নেই এখানে। পরীক্ষাও দিতে দেওয়া হচ্ছেনা তাদের। আশরাফ নিজের অপকর্মের দায় এড়াতে চাইছে ছাত্রলীগের নাম দিয়ে।
পৌরসভার নূরপুর মহল্লার বাসিন্দা বলে জানান স্থানীয়রা। কেন্দ্রে হম্বিতম্বি আর খবরদারির জেরে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরুর আগেই এনসিপির কর্মীদের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি ও বাকবিতণ্ডার ঘটনার পর আশরাফ হোসেনকে ধোলাই দিয়ে একটি কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এসময় এনসিপি কর্মীদের ছোড়া ইটের আঘাতে আহত হন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত। পরীক্ষার্থীদের তোপের মুখে আশরাফকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে শিক্ষকদের কক্ষে থাকা এনসিপির নেতাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থীরা ওই নেতাকে গ্রেপ্তারের জন্য পরীক্ষা বর্জন করে স্কুল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরীক্ষা
শুরু হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, সকালে জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরুর আগেই এনসিপি নেতা আশরাফ অন্য সব পরীক্ষার মত কেন্দ্রে প্রবেশ করেন তার দলবল নিয়ে। তার গার্লফ্রেন্ড এই কেন্দ্রে পরীক্ষা দিচ্ছেন, সেই সুবাদে সব পরীক্ষার দিন তিনি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর খবরদারি করেন। আজ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক ছাত্রকে আশরাফ ঘুষি মারেন। এরপর ছাত্ররা তাকে ধোলাই দেন। অবস্থা বেগতিক দেখে দৌড়ে পালিয়ে কেন্দ্র সচিবের কক্ষে আশ্রয় নেন আশরাফ। তাকে রক্ষায় এনসিপির কর্মীরা এসে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করলে স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ কয়েকজন ইটের আঘাতে আহত হন। আহত পরীক্ষার্থী সাজিদ ইসলাম জানান, এনসিপির ওই নেতা প্রতি পরীক্ষার দিন কেন্দ্রে এসে তার গার্লফ্রেন্ডকে
অনৈতিক সুবিধা প্রদানের ব্যবস্থা করতেন। এজন্য পরীক্ষার্থীরা আগে থেকেই তার উপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। আজ আমাদের মারপিট করায় পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। তাই তারা প্রতিবাদ করেছে। আহত প্রধান শিক্ষক অরুণ চন্দ্র দত্ত জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এনসিপির আহ্বায়ক মো. আশরাফের ঝামেলা হলে সে একপর্যায়ে আমার কক্ষে আশ্রয় নেয়। আমার হাতের কনুইতে ইট এসে পড়ে। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অবরুদ্ধ আশরাফকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, এসসিপি নেতার সাথে এসএসসি পরীক্ষার্থী এক কিশোরীর পরিচয় আছে। সব পরীক্ষার দিন তিনি ওই পরীক্ষার্থীকে আনা-নেওয়া করতেন। আজ পরীক্ষা শুরুর
আগে হলে ঢোকায় শিক্ষার্থীদের সাথে আশরাফের ঝামেলা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে আশরাফকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ প্রসঙ্গে এনসিপি নেতা আশরাফ দাবি করেন, আমার বান্ধবীকে পরীক্ষার হলে দিতে গেলে ছাত্রলীগের কিছু কর্মী- যারা পরীক্ষা দিতে এসেছিল, তারা ওকে ইভটিজিং করে। আমি প্রতিবাদ করায় তারা আমাকে পেটায়। আমি এর বিচার চাই। তবে ছাত্রলীগ কর্মীরা পরীক্ষা দিচ্ছেন- এমন দাবি হেসে উড়িয়ে দেন পরীক্ষার্থীরা। তারা জানান, ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের পর থেকে ছাত্রলীগ বলে কেউ নেই এখানে। পরীক্ষাও দিতে দেওয়া হচ্ছেনা তাদের। আশরাফ নিজের অপকর্মের দায় এড়াতে চাইছে ছাত্রলীগের নাম দিয়ে।



