যন্তর-মন্তরের আন্দোলন মোদির জন্য এবার কেন আলাদা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২২ July, ২০২৬

যন্তর-মন্তরের আন্দোলন মোদির জন্য এবার কেন আলাদা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২২ July, ২০২৬ |
পুলিশের ধরপাকড়ের (সোমবার) পরদিনই (মঙ্গলবার) দিল্লির যন্তর-মন্তরে শিক্ষার্থী ও তরুণদের উপস্থিতি জানান দেয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবার শুধু একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী নয় বরং বৃহৎ জনস্বার্থকেন্দ্রিক আন্দোলনের মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর আগের মেয়াদের তুলনায় এই আন্দোলনের ধরনও আলাদা। একাধিক ব্যারিকেড, দিল্লির কয়েক’শ পুলিশ এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের বিপুল সদস্য থাকা সত্ত্বেও মঙ্গলবার দুপুরের পর যন্তর-মন্তরে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে শরীরে ব্যান্ডেজ বাঁধা অনেক তরুণ-তরুণীও ছিলেন। এ থেকে বোঝা যায়, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের একদিন পরও তারা আন্দোলনে ফিরে আসেন, থেমে যাননি। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকে আবার দিল্লি ও রাজধানীর বাইরে ভারতের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল থেকে এসেছেন। সোমবারের সহিংসতা ও পুলিশের লাঠিপেটার

ভিডিও দেখার পরও তারা এসেছেন। তাদের সামাজিক পরিচয় এবং অঞ্চলও বৈচিত্র্যময়। ইংরেজি ঘেঁষা তরুণ-তরুণী, নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, দিল্লির বাসিন্দা, বাইরে থেকে আসা মানুষ এমনকি অভিভাবকদের উপস্থিতিও দেখা গেছে। যাদের সন্তানরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা দিয়েছে কিংবা প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিহারের বাসিন্দা অভিজিৎ কুমার (পরিবর্তিত নাম) পাঞ্চাবে পড়াশোনা করেন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে তিনি বলেন, সোমবার সংসদ অভিমুখে মিছিলে মারধরের ভিডিও দেখার পর তিনি দিল্লি আসার সিদ্ধান্ত নেন। অভিজিতের পাশেই থাকা ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করা কয়েক তরুণ জানান, তারাও ভিডিও দেখার পর মুম্বাই থেকে এসেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। বিক্ষোভকারীদের মূল দাবি, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার। এই দাবি তরুণদের মন ছুঁয়ে

গেছে বলে মনে হচ্ছে। ফলে সবাই এখন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সমর্থনে আন্দোলনে যোগ দিচ্ছে বিষয়টা তেমন নয়। অন্যদিকে, নেতৃত্বহীন আন্দোলনে বাড়তি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন শিক্ষা ও জলবায়ু বিষয়ক অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। সোমবার দিল্লির সেই মিছিলে প্রায় ৫০ হাজার তরুণের জমায়েত হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। যা শুনে কেন্দ্রের এক মন্ত্রী বিস্ময় প্রকাশ করলেও ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুটি সূত্র বলেছে, ওই মিছিল সামগ্রিকভাবে যুবসমাজের প্রতিনিধিত্ব করে না। ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে হওয়া সংহতি খুব শিগগিরই মিলিয়ে যাবে। তবে বিজেপিরই একটি অংশ মনে করছে, কিছুটা হলেও ক্ষতি হয়েই গেছে। কারণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রার্থীদের অনেকে বিন্ধ্য অঞ্চলের (গুজরাট থেকে শুরু করে মধ্যপ্রদেশ হয়ে

উত্তরপ্রদেশের বেনারস পর্যন্ত)। এই শিক্ষার্থীদের পরিবার বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভোট ব্যাংক। সোনম ওয়াংচুকের অনশনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের প্রতি প্রথমদিকে কংগ্রেস প্রত্যক্ষভাবে তেমন একটা উৎসাহী ছিল না। দলটির কেউ কেউ ওয়াংচুকের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন। সম্প্রতি সোনিয়া গান্ধীর পরামর্শের পর কংগ্রেস আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াংচুকের প্রতি সংহতি জানিয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পক্ষ নিয়ে নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনের কাছে জবাব এবং দাবিও জানিয়েছে। মোদির জন্য কেন আলাদা ক্ষমতায় বসার পর এ ধরনের আন্দোলনের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি এখনও অপরিচিত। তিনি অনেক প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখলেও সেগুলো ছিল নির্দিষ্ট স্বার্থগোষ্ঠী কেন্দ্রিক। ২০০৭ সালে, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালে তিনি নর্মদা বাঁচাও আন্দোলনের মুখোমুখি হন। ওই আন্দোলন শুরু হয়েছিল

সরদার সরোবর বাঁধের উচ্চতা ১২২ মিটার পর্যন্ত বাড়ানোর পদক্ষেপের প্রতিবাদে। এছাড়া, গুজরাট দাঙ্গার সময় মোদির বিরুদ্ধে প্রচার শুরু হলেও তা রাজপথে গড়ায়নি। কেবল মানবাধিকার কর্মীদের বিবৃতির মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর মোদি যেসব আন্দোলনের মুখোমুখি হয়েছিলেন সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য, ২০১৯-২০ সালের নাগরিকত্ব সংশোধন আইন (সিএএ) এবং নাগরিকদের জাতীয় নিবন্ধন (এনআরসি) বিরোধী আন্দোলন। সিএএ পাস হলে সেটির আওতায় পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে যাওয়া অমুসলিম শরণার্থীদের দ্রুত নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ সুগম হয়। দিল্লির শাহিনবাগ এই প্রতিবাদের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। কিন্তু ওই প্রতিবাদটিকে তখন ‘মুসলিমদের আন্দোলন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ফলে সেটি সমাজের বিভিন্ন অংশকে নাড়া দিতে পারেনি। এছাড়া, সংসদে পাস হওয়া তিনটি

কৃষি আইনের বিরুদ্ধে ২০২০-২১ সালে প্রায় বছরব্যাপী আন্দোলন চলে। তখন দিল্লির সীমান্ত অবরুদ্ধ হওয়ার মুখে মোদি সরকার কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়। এগুলোর আগে ও পরে আরও কয়েকটি প্রতিবাদ সমাবেশ হলেও সেগুলো কোনোভাবেই চলমান আন্দোলনের চেয়ে বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ছিল না। তরুণদের এই লড়াই নির্দিষ্ট স্বার্থগোষ্ঠীর বদলে সমাজের বিস্তৃত অংশের কাছে আবেদন তুলেছে। তবে এটি এখনও মাত্র কয়েক দিনের পুরোনো। সামনের দিনগুলোতে কতটা গতি পাবে কিংবা সরকার অচলাবস্থা কাটানোর উপায় বের করবে কি না সেটাই এখন দেখার বিষয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের