ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নেত্রকোণায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে জুলাই স্তম্ভে আগুন, ভিডিও বিশ্লেষণ করছে পুলিশ
নোয়াখালীতে শিশুসহ নির্বিচারে গ্রেপ্তার: জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর জরুরি নোটিশ
দলীয় পদ নেই, মামলাও নেই; শুধু আওয়ামী লীগ করার অভিযোগে যশোরে কলেজ অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার
কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী
কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী
কক্সবাজারে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, প্রবাসীর স্ত্রী-কন্যাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
পাবনায় সর্বহারা পার্টির নেতাকে গুলি করে হত্যা
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় সোমা সাহা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানী রোড এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সোমা সাহা ওই এলাকার অখিল কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী এবং বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমা সাহার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কাঠের লাঠি দিয়ে সোমা সাহার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনা আবারও
প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।
প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।



