ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মা-মেয়েকে ধর্ষণ: দুজনের যাবজ্জীবন, একজনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা
আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গুলিস্তান
১৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২ লাশ: আনোয়ারায় গৃহবধূ ও জেলের রহস্যজনক মৃত্যু
মাদ্রাসাছাত্রকে বছরজুড়ে শিক্ষক ও ৩ ছাত্রের ধর্ষণ: ‘ইসলামের স্বার্থে’ আপোস মীমাংসায় অভিভাবকদের সম্মতি
ফুটপাতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণ, বিএনপিকর্মী ল্যাংড়া খোকন পলাতক
সোনাগাজীতে যুবদল নেতার নেতৃত্বে অর্ধকোটি টাকার মাছবোঝাই ট্রাক ছিনতাই
বিএনপির চাঁদাবাজ সন্ত্রাসে আবারও রক্তাক্ত সংখ্যালঘু পরিবার—যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে জখম!
যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকায় চাঁদা না দেওয়ায় সোমা সাহা (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বনানী রোড এলাকায় এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আহত সোমা সাহা ওই এলাকার অখিল কুমার বিশ্বাসের স্ত্রী এবং বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
সোমা সাহার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে সে কাঠের লাঠি দিয়ে সোমা সাহার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই ঘটনা আবারও
প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।
প্রমাণ করে—বিএনপির পুরনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ রাজনীতি নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখানো, চাঁদা দাবি করা এবং হামলা চালানো যেন তাদের পুরোনো কৌশলই আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশ একসময় দেখেছে বিএনপির সেই অন্ধকার শাসনামল, যখন সংখ্যালঘু পরিবারগুলো প্রতিনিয়ত হামলা, লুটপাট ও নির্যাতনের শিকার হতো। আজ যশোরের এই ঘটনা সেই ভয়াবহ সময়ের কথাই আবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। দেশ কি আবার সেই সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আর সংখ্যালঘু নির্যাতনের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে? যশোরের এই হামলা শুধু একটি পরিবারের ওপর আক্রমণ নয়, এটি আইনের শাসন ও মানবিক নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আঘাত।



