ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
“রাজনীতি ভদ্রলোকদের খেলা, স্কাউন্ড্রেলদের নয়” – মাহবুব কামাল
সংসদের ভূমিকা নিয়ে বলতে গিয়ে সিনিয়র সাংবাদিক মাহবুব কামাল বলেন, "পার্লামেন্ট শুধু একটি প্রসিডিউর বা প্রক্রিয়া নয়, এটি পুরো জাতির স্বাধীনতার কাস্টোডিয়ান বা রক্ষক। এটি রাজনীতির আত্মা।"
সংসদে সংসদ সদস্যদের শিষ্টাচার নিয়ে তিনি বলেন, "পার্লামেন্ট ফাংশন করতে গেলে ধৈর্য, শালীনতা ও ভদ্রতা থাকতে হবে। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ২৫-২৬টি শব্দ নিষিদ্ধ, যেমন- পিগ, স্টুপিড, স্কাউন্ড্রেল ইত্যাদি। একজন পার্লামেন্টারিয়ানকে শুধু সময় দিলে হবে না, তার মাইন্ডকে স্যাক্রিফাইস করতে হবে। একজন এমপির বেডরুম না থাকলেও চলবে, কিন্তু স্টাডি রুম থাকতে হবে।" তিনি আরও বলেন, "রাজনীতি হচ্ছে জেন্টলম্যানদের গেম, এটা কোনো স্কাউন্ড্রেলদের গেম নয়।"
ড. ইউনূসের শাসনামলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "গত ১৮ মাস এই দেশ অভিভাবকহীন
ছিল। ড. ইউনূসের শাসনামলে নানা রকমের অপসংস্কৃতির জন্ম হয়েছে, গালিগালাজ যার মধ্যে একটি। উনি দেশ চালাতে পারেননি, উনি একটি দুষ্ট অভিভাবকের পাল্লায় পড়েছিলেন।" "বাধ্য করাও এক ধরনের স্বৈরাচার" – ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বর্তমান সময়ের 'সংস্কার' দাবির তীব্র সমালোচনা করে ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, "যারা সংস্কারের কথা বলছেন, তারা নিজেরাই বলছেন 'একদিনও শান্তিতে থাকতে দিব না', 'বাধ্য করব'। আপনি যখন কাউকে বাধ্য করেন, তখন আপনি নিজেও কি স্বৈরাচারী হয়ে গেলেন না?" তিনি জুলাই আন্দোলনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে বলেন, "জুলাই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন বলে আপনি অটোপাস দিয়ে দিবেন? তাদের আলাদা করে চাকরির সুযোগ দিবেন? তাহলে তো প্রশ্ন ওঠে, মুক্তিযোদ্ধারা যা চেয়েছিল,
আপনারা তো সেটাই করছেন। তাহলে বৈষম্যটা কোথায় দূর করলেন?" মব জাস্টিসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "কাউকে পছন্দ না হলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, পত্রিকা অফিসে হামলা করা হচ্ছে—এগুলোকে কি সংস্কার বলে? এগুলো হলো কু-রাজনীতির পুনরুৎপাদন।" "ড. ইউনূস একজন 'বায়াসড' বা দুষ্ট অভিভাবক" ড. ইউনূসকে 'বায়াসড গার্জিয়ান' আখ্যা দিয়ে ড. স্নিগ্ধা বলেন, "উনার কাছে মানুষের অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু উনি এমন সব বিষয় প্রমোট করেছেন যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। ঋণখেলাপিদের সমালোচনা করা হলো, কিন্তু এখন হাজার কোটি টাকার ট্যাক্স মওকুফ করা তো অপরাধ নয় বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।" ভারত-বিরোধিতা নিয়ে তিনি বলেন, "আমরা ভারতের ডিজেল আনছি, পেঁয়াজ আনছি, কিন্তু মুখে
বলছি 'দিল্লি না ঢাকা'। এই দ্বিচারিতা কেন?" "ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তির প্রশ্নে গণভোট দিন" জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে ড. স্নিগ্ধা বলেন, "জুলাই যোদ্ধাদের ইনডেমনিটির ব্যাপারে জাতীয় সম্মতি থাকতে হবে। প্রয়োজনে আপনারা গণভোট দিন। পুলিশকে মারা হলো, অথচ তাদের কোনো বিচার হবে না, এটা কেমন আইন? কারা জুলাই যোদ্ধা, তার কি কোনো লিস্ট আছে? যারা ভাঙচুর করেছে তাদেরও কি ইনডেমনিটি দেওয়া হবে?" রাষ্ট্রপতির অপসারণ বা তাকে পাশ কাটিয়ে চলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পুলিশ এবং ব্যুরোক্রেসি যদি তাদের ঊর্ধ্বতনদের কথা শুনে কাজ করে থাকে, তবে তাদের কেন চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে? তারা তো চেইন অব কমান্ড মেনেছে।" অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আলোচকরা
ঐক্যমত পোষণ করেন যে, অতিমাত্রায় গণতন্ত্রের নামে নৈরাজ্য এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করতে হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
ছিল। ড. ইউনূসের শাসনামলে নানা রকমের অপসংস্কৃতির জন্ম হয়েছে, গালিগালাজ যার মধ্যে একটি। উনি দেশ চালাতে পারেননি, উনি একটি দুষ্ট অভিভাবকের পাল্লায় পড়েছিলেন।" "বাধ্য করাও এক ধরনের স্বৈরাচার" – ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বর্তমান সময়ের 'সংস্কার' দাবির তীব্র সমালোচনা করে ড. রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা বলেন, "যারা সংস্কারের কথা বলছেন, তারা নিজেরাই বলছেন 'একদিনও শান্তিতে থাকতে দিব না', 'বাধ্য করব'। আপনি যখন কাউকে বাধ্য করেন, তখন আপনি নিজেও কি স্বৈরাচারী হয়ে গেলেন না?" তিনি জুলাই আন্দোলনের পর সৃষ্ট পরিস্থিতির উদাহরণ টেনে বলেন, "জুলাই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন বলে আপনি অটোপাস দিয়ে দিবেন? তাদের আলাদা করে চাকরির সুযোগ দিবেন? তাহলে তো প্রশ্ন ওঠে, মুক্তিযোদ্ধারা যা চেয়েছিল,
আপনারা তো সেটাই করছেন। তাহলে বৈষম্যটা কোথায় দূর করলেন?" মব জাস্টিসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "কাউকে পছন্দ না হলে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে, বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, পত্রিকা অফিসে হামলা করা হচ্ছে—এগুলোকে কি সংস্কার বলে? এগুলো হলো কু-রাজনীতির পুনরুৎপাদন।" "ড. ইউনূস একজন 'বায়াসড' বা দুষ্ট অভিভাবক" ড. ইউনূসকে 'বায়াসড গার্জিয়ান' আখ্যা দিয়ে ড. স্নিগ্ধা বলেন, "উনার কাছে মানুষের অনেক প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু উনি এমন সব বিষয় প্রমোট করেছেন যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর। ঋণখেলাপিদের সমালোচনা করা হলো, কিন্তু এখন হাজার কোটি টাকার ট্যাক্স মওকুফ করা তো অপরাধ নয় বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে।" ভারত-বিরোধিতা নিয়ে তিনি বলেন, "আমরা ভারতের ডিজেল আনছি, পেঁয়াজ আনছি, কিন্তু মুখে
বলছি 'দিল্লি না ঢাকা'। এই দ্বিচারিতা কেন?" "ইনডেমনিটি বা দায়মুক্তির প্রশ্নে গণভোট দিন" জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি বা ইনডেমনিটি দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে ড. স্নিগ্ধা বলেন, "জুলাই যোদ্ধাদের ইনডেমনিটির ব্যাপারে জাতীয় সম্মতি থাকতে হবে। প্রয়োজনে আপনারা গণভোট দিন। পুলিশকে মারা হলো, অথচ তাদের কোনো বিচার হবে না, এটা কেমন আইন? কারা জুলাই যোদ্ধা, তার কি কোনো লিস্ট আছে? যারা ভাঙচুর করেছে তাদেরও কি ইনডেমনিটি দেওয়া হবে?" রাষ্ট্রপতির অপসারণ বা তাকে পাশ কাটিয়ে চলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "পুলিশ এবং ব্যুরোক্রেসি যদি তাদের ঊর্ধ্বতনদের কথা শুনে কাজ করে থাকে, তবে তাদের কেন চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে? তারা তো চেইন অব কমান্ড মেনেছে।" অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আলোচকরা
ঐক্যমত পোষণ করেন যে, অতিমাত্রায় গণতন্ত্রের নামে নৈরাজ্য এবং ক্ষমতা কুক্ষিগত করার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করতে হবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।



