চুকনগর গণহত্যা ১৯৭১ঃ ৪ ঘন্টায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬

চুকনগর গণহত্যা ১৯৭১ঃ ৪ ঘন্টায় প্রায় ২০ হাজার মানুষকে হত্যা করে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ মার্চ, ২০২৬ |
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একদিনের হিসেবে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল ২০ মে চুকনগর গণহত্যা। এই দিন মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে অন্তত ২০ হাজার নিরীহ মানুষকে। চুকনগর ছিলো সাতক্ষীরা হয়ে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে যাওয়ার পরিচিত পথ। ভারতের শরনার্থী শিবিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে খুলনা, যশোর, পিরোজপুর, বাগেরহাটসহ কয়েকটি জেলার মানুষ ২০ মে চুকনগরে উপস্থি হয়েছিলেন। এর আগে এপ্রিল মাসের শেষদিক থেকে এই অঞ্চলের বিভিন্ন জেলার হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় গণহত্যা চালিয়েছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। সেই নৃশংসতা থেকে যারা বাঁচতে পেরেছিলেন তারাই নিরাপদ আশ্রয়ের আসায় চুকনগর হয়ে ভারত যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে আর থাকার স্থান না থাকায় বাজারে, দোকানে,

স্কুলের বারান্দায় যে যেখানে পেরেছে রাত কাটিয়েছে। প্রায় ৩০ হাজারের মত মানুষ সেদিন চুকনগরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই সুযোগটাই পাকিস্তান সেনারা লুফে নেয়। ২০ মে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত প্রায় ১ বর্গকিলোমিটার এলাকায় নিরবিচ্ছিন্ন ও বাধাহীনভাবে গুলিবর্ষণ করে এক প্লাটুন পাকিস্তানি সৈন্য। দেশীয় রাজাকারদের সহায়তায় তারা গ্রামের ভেতরে ঢুকে হত্যাযজ্ঞ চালায়। নদীর পাড়ে দাঁড় করিয়ে, পুকুরে লুকানো অবস্থায়, নদী সাঁতরে পালানোর সময়, গাছের ডালে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় যেভাবে পেয়েছে সেভাবেই মেরেছে পাকিস্তানিরা। নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ কেউই রেহাই পায়নি। চুকনগরের গণহত্যার একটি বর্ণনা পাওয়া যায় পাশের গ্রাম রুস্তমপুরের শিক্ষক সরদার মুহাম্মদ নূর আলীর কাছে। তিনি বলেন, ‘সে এক নারকীয় দৃশ্য! ভোলা যায় না। আমাদের

এলাকায় প্রায় ৪ মাইলব্যাপী এই হত্যাযজ্ঞ চলে। কিছু লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। দুর্গন্ধ এড়াতে কিছু লাশ মাটিচাপা দেওয়া হয়। এলাকার লোক ২ মাস পর্যন্ত ওই নদীর মাছ খায়নি। ভয়ে লোকজন ৫-৬মাস পর্যন্ত বাজারেও আসেনি।’ পাকিস্তানি বাহিনী চলে যাওয়ার পর একটি ছয় মাসের শিশুকে পাওয়া যায়, মৃত মায়ের স্তন্যপান করছিলো সে। গনহত্যার নীরব সাক্ষী সেই শিশু, রাজকুমারি সুন্দরি, আজও বেঁচে আছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ভারত থেকে ২০০ রেলকোচ ক্রয়: শেখ হাসিনা সরকারের করা চুক্তি বাতিল নয়, বাস্তবায়ন করছে বিএনপি, এ মাসেই আসছে ২০টি কোচ ঋণ খেলাপিদের ১ লাখ কোটি টাকা সুদ মওকুফ: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তের সমালোচনা সাবেক প্রধান বিচারপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল যা-ই ঘটুক না কেন, মাথা উঁচু করে বিদায় নেব: রোনালদো নাহিদের রেকর্ড ম্লান, হারারেতে বেহাল ব্যাটিংয়ে হারল বাংলাদেশ ইয়ামাল: মুসলিম হওয়ায় আমি শরীরে ট্যাটু আঁকাতে পারব না প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারি নির্দেশনায় রাজনীতির চর্চা: বাধ্যতামূলক হচ্ছে জিয়া পরিবারের ৩ বই পানছড়িতে ইউপিডিএফ-জেএসএস গোলাগুলিতে নিহত ৩ ৫৫ লাখ গ্রাহক ২৬৪ কোটি টাকার ফাঁদে: প্রিপেইড মিটার ভাড়া নিয়ে বিএনপির প্রচারণা ছিলো গুজব ব্যালোগানের শাস্তি স্থগিতের ঘটনায় ফিফা ‘সব সীমা ছাড়িয়ে গেছে’: উয়েফা রোহিঙ্গাদের হাতে ৮ হাজার একর বনভূমি উজাড়ের ফল: পাহাড় ধসে ৩ ঘণ্টায় ঝরল ৯টি প্রাণ অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহকারীর থাপ্পড়, সুপ্রিম কোর্টে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের দ্বন্দ্ব চরমে আওয়ামী লীগ আমলে গুরুত্বপূর্ণ পদে অবদান রাখা ৩৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দুই বিদেশি নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যসহ আটক ৪ একই গ্রাহকের একই ব্যবহারে প্রি-পেইড মিটারে জুনে বিদ্যুৎ বিল দ্বিগুণ-তিন গুণ! পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করবে সরকার মালয়েশিয়ায় রাতভর সাঁড়াশি অভিযানে বাংলাদেশিসহ আটক ২০০ রাষ্ট্রপতি: গ্রামবাংলা আমাদের শিকড়, শক্তি ও সম্ভাবনার আধার জুলাই নিয়ে মন্তব্য: আনিস আলমগীর, পিয়া সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ট্রাম্পের এক ফোন কলেই বদলে গেল ফিফার নিয়ম, বিতর্কের ঝড়