ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
তোফাজ্জল হত্যা মামলা: প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরকে বাদ দিয়েই মামলার চার্জশিট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হল–এ চোর সন্দেহে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তোফাজ্জল হোসেন–কে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ২৮ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের দেওয়া সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।
তবে আলোচিত এই মামলায় প্রধান দুই অভিযুক্ত হিসেবে আলোচনায় থাকা বাকের ও আব্দুল কাদেরকে অভিযোগপত্রে রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা–র আদালত অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেন।
একই সঙ্গে পলাতক থাকা ২২ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হান্নানুল ইসলাম, যিনি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)–এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, গত ২০২৫
সালের ১৮ই ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার চার্জশিটে মোট ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন এবং দুজন জামিনে রয়েছেন। বাকিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ এবং আল হোসেন সাজ্জাদ। অন্যদিকে মো. আহসান উল্লাহ বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট ১০ সেকেন্ডে তোফাজ্জল হলের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর হলের মাঠে বসলে
কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে চোর সন্দেহে মারধর শুরু করেন। পরে তাকে হলের মূল ভবনের দিকে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘ সময় জেরা ও নির্যাতন করা হয়। আরও দেখুন সাংবাদিকতা বিষয়ক কোর্স ইউনূস জীবনী আইন বিষয়ক পরামর্শ একপর্যায়ে কিছু শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন, মোবাইল চুরির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এরপর তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু খাওয়া শেষে আবার তাকে মারধর করা হয়। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও প্রথমে ব্যর্থ হন। পরে রাত ১০টা ৫২ মিনিটের দিকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার
মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার একই ঘটনায় আরও একটি মামলার আবেদন করলে আদালত তা আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পূরক চার্জশিটে প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরের নাম না থাকায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মামলার তদন্তে কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হলো।
সালের ১৮ই ডিসেম্বর ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার চার্জশিটে মোট ২৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন এবং দুজন জামিনে রয়েছেন। বাকিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মো. জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন শাহ এবং আল হোসেন সাজ্জাদ। অন্যদিকে মো. আহসান উল্লাহ বিপুল শেখ ও ওয়াজিবুল আলম বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট ১০ সেকেন্ডে তোফাজ্জল হলের মূল ফটক দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর হলের মাঠে বসলে
কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে চোর সন্দেহে মারধর শুরু করেন। পরে তাকে হলের মূল ভবনের দিকে নিয়ে গিয়ে দীর্ঘ সময় জেরা ও নির্যাতন করা হয়। আরও দেখুন সাংবাদিকতা বিষয়ক কোর্স ইউনূস জীবনী আইন বিষয়ক পরামর্শ একপর্যায়ে কিছু শিক্ষার্থী বুঝতে পারেন, মোবাইল চুরির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এরপর তাকে হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু খাওয়া শেষে আবার তাকে মারধর করা হয়। অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষকরা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও প্রথমে ব্যর্থ হন। পরে রাত ১০টা ৫২ মিনিটের দিকে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় মামলা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার
মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে নিহতের ফুফাতো বোন মোসাম্মৎ আসমা আক্তার একই ঘটনায় আরও একটি মামলার আবেদন করলে আদালত তা আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পূরক চার্জশিটে প্রধান দুই অভিযুক্ত বাকের ও আব্দুল কাদেরের নাম না থাকায় বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, মামলার তদন্তে কী কারণে তাদের বাদ দেওয়া হলো।



