ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
বাজারে সামুদ্রিক মাছের সংকট, জ্বালানির অভাবে সমুদ্রে যেতে পারছে না মাছ ধরার ট্রলার
দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক মাছের জোগান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। চাহিদা থাকলেও সরবরাহ কম থাকায় বাজারে বেড়েছে দাম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডিজেলের সংকট ও উচ্চমূল্যের কারণে অধিকাংশ ট্রলার সমুদ্রে যেতে পারছে না। এতে মাছ ধরা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনার বিভিন্ন মাছঘাট ও বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। ইলিশ, রূপচাঁদা, লাল পোমফ্রেট, কোরাল, চিংড়িসহ বিভিন্ন মাছের দাম কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
কক্সবাজারের ফিশারিঘাট এলাকার আড়তদার মো. জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, “আগে প্রতিদিন ২০০-২৫০ মণ মাছ উঠত। এখন সেটি ৮০-১০০ মণে নেমে এসেছে। মাছ কম থাকায় দাম বাড়ছে,
কিন্তু এতে আমাদের ব্যবসাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।” একই এলাকার ট্রলার মালিক সমিতির সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “একটি মাঝারি ট্রলার সমুদ্রে যেতে ৮০০ থেকে ১ হাজার লিটার ডিজেল লাগে। বর্তমান দামে শুধু জ্বালানিতেই বিশাল খরচ। মাছ না পেলে পুরো বিনিয়োগই ডুবে যাবে। তাই অনেকেই ট্রলার নামাচ্ছেন না।” বরগুনার পাথরঘাটা এলাকার জেলে আবদুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা মাছ ধরেই সংসার চালাই। কিন্তু এখন ঘাটে বসে থাকতে হচ্ছে। ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর পেলেও দাম বেশি। অনেক দিন ধরেই আয়-রোজগার নেই।” পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্যবন্দরের আড়তদার খলিলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাইকারি বাজারে মাছ কম আসছে, ফলে
খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে। ক্রেতারাও চাপের মধ্যে পড়েছেন।” চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটের পাইকারি ব্যবসায়ী মো. কামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা আগের মতো মাছ পাচ্ছি না। বাজারে চাহিদা থাকলেও সরবরাহ কম। এতে ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।” সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু ডিজেলের দাম বাড়াই নয়, অনেক এলাকায় সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। ফলে ট্রলার মালিকরা লোকসানের আশঙ্কায় সমুদ্রে যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া ও গভীর সমুদ্রে নিরাপত্তা ঝুঁকিও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। বাংলাদেশ মৎস্য ট্রলার মালিক সমিতির সহসভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, “জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিন ধরে চললে সামুদ্রিক মৎস্যখাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। জেলেরা বেকার হয়ে পড়বেন, বাজারেও সংকট আরও বাড়বে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ
স্বাভাবিক করা এবং ট্রলার মালিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা না দিলে এই সংকট দ্রুত কাটবে না। এতে দেশের সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এবং খরচ কমাতে সহায়তা দেওয়া হলে ট্রলারগুলো আবার সমুদ্রে যেতে পারবে, ফলে বাজারেও স্বস্তি ফিরবে।
কিন্তু এতে আমাদের ব্যবসাও খুব একটা ভালো যাচ্ছে না।” একই এলাকার ট্রলার মালিক সমিতির সদস্য মো. সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, “একটি মাঝারি ট্রলার সমুদ্রে যেতে ৮০০ থেকে ১ হাজার লিটার ডিজেল লাগে। বর্তমান দামে শুধু জ্বালানিতেই বিশাল খরচ। মাছ না পেলে পুরো বিনিয়োগই ডুবে যাবে। তাই অনেকেই ট্রলার নামাচ্ছেন না।” বরগুনার পাথরঘাটা এলাকার জেলে আবদুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা মাছ ধরেই সংসার চালাই। কিন্তু এখন ঘাটে বসে থাকতে হচ্ছে। ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না, আর পেলেও দাম বেশি। অনেক দিন ধরেই আয়-রোজগার নেই।” পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্যবন্দরের আড়তদার খলিলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, “সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। পাইকারি বাজারে মাছ কম আসছে, ফলে
খুচরা বাজারে দাম বাড়ছে। ক্রেতারাও চাপের মধ্যে পড়েছেন।” চট্টগ্রামের ফিশারিঘাটের পাইকারি ব্যবসায়ী মো. কামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, “আমরা আগের মতো মাছ পাচ্ছি না। বাজারে চাহিদা থাকলেও সরবরাহ কম। এতে ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।” সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শুধু ডিজেলের দাম বাড়াই নয়, অনেক এলাকায় সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। ফলে ট্রলার মালিকরা লোকসানের আশঙ্কায় সমুদ্রে যেতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া ও গভীর সমুদ্রে নিরাপত্তা ঝুঁকিও পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। বাংলাদেশ মৎস্য ট্রলার মালিক সমিতির সহসভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, “জ্বালানি সংকট দীর্ঘদিন ধরে চললে সামুদ্রিক মৎস্যখাত বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। জেলেরা বেকার হয়ে পড়বেন, বাজারেও সংকট আরও বাড়বে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ
স্বাভাবিক করা এবং ট্রলার মালিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা না দিলে এই সংকট দ্রুত কাটবে না। এতে দেশের সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়তে পারে। এ অবস্থায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে এবং খরচ কমাতে সহায়তা দেওয়া হলে ট্রলারগুলো আবার সমুদ্রে যেতে পারবে, ফলে বাজারেও স্বস্তি ফিরবে।



