ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিখোঁজ ছাত্রলীগকর্মীর হাত পা বাঁধা লাশ মিলল ট্যাংকে
ছোটখাটো মামলা, কেন ছাড়ল না? আমার… আপনারা কেমন? সে তো খুনি না, সে তো খুনি না
স্কুলে শিশুকে নির্যাতনের মামলায় ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার
এক ‘ভবঘুরের’ দায় স্বীকার, জবাব নেই কিছু প্রশ্নের
রাজধানীতে চালু হচ্ছে ই-টিকিট
বৈধতাহীন সরকারের কূটনৈতিক অক্ষমতার দাম চুকাচ্ছে সীমান্তের পঙ্গু মানুষেরা
ভ্যাকু দিয়ে ২০০ বছরের মন্দির ভাঙা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা পরিকল্পিত বার্তা—এই দেশে সংখ্যালঘুরা নিরাপদ নয়
বাগেরহাটে হৃদয়বিদারক ঘটনা: ফ্যানে ঝুলছিল মা, মেঝেতে পড়ে ছিল শিশুসন্তান
বাগেরহাটে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী শিশুপুত্রের নিথর দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার কাড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেকডাঙা গ্রাম থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাবার স্নেহবঞ্চিত অবুঝ শিশুটি আর তার মায়ের এমন করুণ মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতরা হলেন—বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী সুবর্ণা স্বর্ণালী (২২) এবং তাদের ৯ মাস বয়সী শিশুসন্তান নাজিফ।
গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন জুয়েল হাসান সাদ্দাম।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে নিজ ঘর থেকে মা ও ছেলের
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গৃহবধূ সুবর্ণা স্বর্ণালীর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে, তার কোলের শিশু নাজিফের নিথর দেহ পড়ে ছিল ঘরের মেঝেতে। বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, তা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষে এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।’
মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গৃহবধূ সুবর্ণা স্বর্ণালীর মরদেহ ফ্যানের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে, তার কোলের শিশু নাজিফের নিথর দেহ পড়ে ছিল ঘরের মেঝেতে। বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যার জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘এটি হত্যা না কি আত্মহত্যা, তা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছে। তদন্ত ও ময়নাতদন্ত শেষে এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রকৃত রহস্য জানা যাবে।’



