ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা
বিদেশিদের অপরাধের জাল
পুলিশের বিতর্কিত কর্মকর্তারা ফিরছেন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে
‘বিদেশের বন্ধু নিয়ে শোকাতুর ইউনূস নিজের দেশের শিশুদের গণমৃত্যুতে নির্বিকার’
হিমাগারে সংরক্ষন ব্যায়বহুল বিধায় আলু ফেলে দিচ্ছেন চাষিরা, সামনে কৃষি সংকটের আশঙ্কা
ইউনূস-নুরজাহানের সৃষ্ট হামের টিকা সংকট ও শিশুমৃত্যুঃ সাবেক মুখপাত্র শফিকুল ইউনিসেফ-আওয়ামী লীগের ঘাড়ে চাপালেন দুর্নীতির দায়
বাংলাদেশে ধর্ষণ মহামারি: মাদ্রাসা থেকে রাজপথ — নিরাপদ নয় কোনো শিশু, কোনো নারী
বাংলাদেশ একটা ক্রিটিক্যাল সময় পার করছে: আব্দুল্লাহ তাহের
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে আর ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই। তবে বাংলাদেশ একটা ক্রিটিক্যাল সময় পার করছে। এখানে সকলকে ধৈর্য এবং ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে আমাদেরকে ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমানে যারা দায়িত্বে আছেন, যারা অন্য পেশায় আছেন বা রাজনীতিবিদ আছেন প্রত্যেকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেবেন। এমন কোনো ভূমিকা বা বক্তব্য দেওয়া উচিত হবে না; যাতে নতুন করে উত্তেজনা এবং দেশের সমস্যা সৃষ্টি হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়োজিত স্নাতকোত্তর ডাক্তারদের সম্মাননা ২০২৫ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এদেশে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার
সম্ভাবনা নাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা অস্বাভাবিক নয় বিভিন্ন দলের কিছুটা মতপার্থক্য থাকবে। তবে এটা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যদি ডিসেম্বরে নির্বাচন করে জামায়াতের কোনো আপত্তি নেই। দুই মাস পরে করলেও জামায়াতের আপত্তি নেই। তবে সরকারের উচিত একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দেওয়া। জামায়াত দুটি রোডম্যাপ চেয়েছে- একটি হচ্ছে নির্বাচনের রোডম্যাপ অপরটি হচ্ছে সংস্কারের রোডম্যাপ। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা করা। তার পাশাপাশি কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন আছে। যেটা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এবং সঠিক রাজনীতি করার জন্য
সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. হুমায়ুন কবির, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজী নুর উদ্দিন, কলেজের অধ্যক্ষ ডা.সফিকুর রহমান পাটোয়ারী, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল হক, ডা. ফজলুল হক, মেডিকেল কলেজের ডিজিএম বেলাল হোসাইনসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে স্নাতকোত্তর ডাক্তারদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।
সম্ভাবনা নাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা অস্বাভাবিক নয় বিভিন্ন দলের কিছুটা মতপার্থক্য থাকবে। তবে এটা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যদি ডিসেম্বরে নির্বাচন করে জামায়াতের কোনো আপত্তি নেই। দুই মাস পরে করলেও জামায়াতের আপত্তি নেই। তবে সরকারের উচিত একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ দেওয়া। জামায়াত দুটি রোডম্যাপ চেয়েছে- একটি হচ্ছে নির্বাচনের রোডম্যাপ অপরটি হচ্ছে সংস্কারের রোডম্যাপ। নির্বাচনের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় বিষয়। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান কাজ হচ্ছে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন ব্যবস্থা করা। তার পাশাপাশি কিছু সংস্কার করার প্রয়োজন আছে। যেটা একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এবং সঠিক রাজনীতি করার জন্য
সহায়ক হবে। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ডা. মো. শাহিনুল আলম। উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার প্রফেসর ডা. মো. হুমায়ুন কবির, সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজী নুর উদ্দিন, কলেজের অধ্যক্ষ ডা.সফিকুর রহমান পাটোয়ারী, কুমিল্লা মেডিকেল সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. জহিরুল হক, ডা. ফজলুল হক, মেডিকেল কলেজের ডিজিএম বেলাল হোসাইনসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে স্নাতকোত্তর ডাক্তারদের মধ্যে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়।



