ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ফসলহানির শঙ্কা
শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফের তৎপর
বিমানবন্দরের রানওয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে
যুক্তরাজ্যের ‘ইয়াং লিডারস অ্যাওয়ার্ড’ পাচ্ছেন ৪ বাংলাদেশি
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’ তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন
চট্টগ্রামে ‘গুপ্ত রাজনীতি’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ
লক্ষ্য আন্দোলনে লাশ বৃদ্ধি স্নাইপারের গুলির জোগানদাতা বরখাস্ত কর্নেল হাসিনুর!
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সহযোগী সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) ৩২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কন্যা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর সভাপতি জননেত্রী শেখ হাসিনার অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তা
স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের ৩২ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আমি স্বাচিপের চিকিৎসক ও এদেশের সকল চিকিৎসককে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। ১৯৯৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক সম্মেলনে মাত্র কয়েকজন চিকিৎসকের সমন্বয়ে এডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে স্বাচিপ তার যাত্রা শুরু করে। নানা চড়াই উৎরাই পেড়িয়ে সেবাব্রত এই সংগঠন ৩২ বছরে পা দিল। গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবায় আওয়ামীলীগ সরকার স্বাস্থ্যখাঁতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন এর মাইলফলক স্থাপন করে।দেশের প্রত্যান্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, বিনামূল্যে ঔষুধ বিতরন, বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপন, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বৃদ্ধি, দেশের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, জেলা সদর হাসপাতাল গুলোতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধিসহ দেশের
মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা স্বাস্থ্যসেবা হাঁতের নাগালে পৌঁছে দিতে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।এই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বাচিপের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। করোনা অতিমারির কালে চরম মানবিক সংকটে এই সংগঠনের চিকিৎসকরা যেভাবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আত্মনিবেদিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল তা এদেশের মানুষ আজীবন মনে রাখবে। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সর্বদা আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত। অসহায় মানুষের সহায় হওয়া, মানুষের সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে পথ চলতে চলতে স্বাচিপ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। শুধু নিরবে সেবার ব্রত নয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রয়োজনে মানুষের অধিকার আদায়ে সরব ভূমিকা পালন করেছে স্বাচিপ। সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে স্বাচিপের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। রাজপথে থমকে না গিয়ে সেখান
থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়েই সর্বদা নতুন উদ্যমে পথ চলেছে স্বাচিপ। কিন্তু দু:খের বিষয় অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে ক্ষমতা দখলের পর মানবাধিকার হরণ করে নিয়েছে। এর হাত থেকে রক্ষা পায়নি সেবাব্রত এই সংগঠনের নেতাকর্মীরাও। চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও নির্বিচারে করা হয়েছে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা, চাকুরিচূতি, চাকুরি হতে সাময়িক বরখাস্ত, পদোন্নতি বঞ্চিত, বাড়ি-ঘর, চেম্বার, হাসপাতালে চালানো হয়েছে হামলা। এটি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূচের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাঁত ধ্বংসের পায়তারা। এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ এর অধিক চিকিৎসক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, যারা কারাগারে রয়েছে তাদের নি:শর্ত মুক্তি, এবং যেসব চিকিৎসক অবৈধভাবে চাকুরিচূতি, সাময়িক
বরখাস্ত, পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছে তাদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাই। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূচ সরকার মানবতার ব্রত নিয়ে চলা এ সংগঠনের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না। প্রত্যাশা রাখি, সকল প্রতিবন্ধকতা,বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে স্বাচিপের চিকিৎসকরা বিগত দিনগুলির মত এদেশের সাধারন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছিতে কাজ করে যাবে এবং স্বমহিমায় এগিয়ে যাবে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। আমি স্বাচিপের সকল নেতাকর্মীকে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও এই অবৈধ দখলদার ইউনূচ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাই। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
মানুষের অন্যতম মৌলিক চাহিদা স্বাস্থ্যসেবা হাঁতের নাগালে পৌঁছে দিতে নানামুখী উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।এই উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্বাচিপের নেতাকর্মীদের ভূমিকা ছিল অপরিসীম। করোনা অতিমারির কালে চরম মানবিক সংকটে এই সংগঠনের চিকিৎসকরা যেভাবে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আত্মনিবেদিত হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল তা এদেশের মানুষ আজীবন মনে রাখবে। স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ সর্বদা আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত। অসহায় মানুষের সহায় হওয়া, মানুষের সেবা করার প্রত্যয় নিয়ে পথ চলতে চলতে স্বাচিপ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। শুধু নিরবে সেবার ব্রত নয়, প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রয়োজনে মানুষের অধিকার আদায়ে সরব ভূমিকা পালন করেছে স্বাচিপ। সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে স্বাচিপের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। রাজপথে থমকে না গিয়ে সেখান
থেকে শক্তি ও প্রেরণা নিয়েই সর্বদা নতুন উদ্যমে পথ চলেছে স্বাচিপ। কিন্তু দু:খের বিষয় অবৈধ দখলদার খুনি-ফ্যাসিস্ট ইউনূস গংরা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে ক্ষমতা দখলের পর মানবাধিকার হরণ করে নিয়েছে। এর হাত থেকে রক্ষা পায়নি সেবাব্রত এই সংগঠনের নেতাকর্মীরাও। চিকিৎসকদের বিরুদ্ধেও নির্বিচারে করা হয়েছে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মিথ্যা মামলা, চাকুরিচূতি, চাকুরি হতে সাময়িক বরখাস্ত, পদোন্নতি বঞ্চিত, বাড়ি-ঘর, চেম্বার, হাসপাতালে চালানো হয়েছে হামলা। এটি অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূচের ম্যাটিকুলাস ডিজাইনের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাঁত ধ্বংসের পায়তারা। এ পর্যন্ত প্রায় ১০০ এর অধিক চিকিৎসক এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, যারা কারাগারে রয়েছে তাদের নি:শর্ত মুক্তি, এবং যেসব চিকিৎসক অবৈধভাবে চাকুরিচূতি, সাময়িক
বরখাস্ত, পদোন্নতি বঞ্চিত হয়েছে তাদের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানাই। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী ইউনূচ সরকার মানবতার ব্রত নিয়ে চলা এ সংগঠনের পথ রুদ্ধ করতে পারবে না। প্রত্যাশা রাখি, সকল প্রতিবন্ধকতা,বাঁধা বিপত্তি অতিক্রম করে স্বাচিপের চিকিৎসকরা বিগত দিনগুলির মত এদেশের সাধারন মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছিতে কাজ করে যাবে এবং স্বমহিমায় এগিয়ে যাবে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ। আমি স্বাচিপের সকল নেতাকর্মীকে এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও এই অবৈধ দখলদার ইউনূচ সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানাই। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।



