ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তেলের লাইনে মৃত্যু—এটা কি শুধু একটি দুর্ঘটনা, নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার নির্মম প্রতিচ্ছবি?
নড়াইলে প্রাচীর তুলে ২৫ হিন্দু পরিবারের রাস্তা অবরুদ্ধ
বিএনপির পর এবার এনসিপিতে যোগ দিলেন পুরান ঢাকার কুখ্যাত চাঁদাবাজ ইসহাক সরকার
বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ঝিনাইদহ সীমান্তে আফগান নাগরিকের লাশ উদ্ধার: “বাংলাদেশে এলেন কীভাবে?”; রহস্যময় ঘটনা সীমান্ত এলাকায়
ঢাকা জেলার অংশ হলো পূর্বাচল
রাজধানীর যেসব এলাকায় আজ গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকবে
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ফেনীতে দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় হাজীর মিষ্টিমেলা এন্ড রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও দুই লাখ টাকা লুট করেছে দুই যুবদলকর্মী এবং তাদের সশস্ত্র সহযোগীরা।
গত ১৭ই মার্চ, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ফেনী শহরের হাসপাতাল মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে ফেনীর ব্যবসায়ীদের মাঝে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন ফেনীর পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম।
জানা গেছে, শহর যুবদলের মনির হোসেন ও ইকবাল হোসেন সম্প্রতি হাজীর মিষ্টিমেলা এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মোহাম্মদ রিয়াদের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদাদাবি করে। দাবিকৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মঙ্গলবার রাতে ওই দুই যুবদলকর্মী তাদের অনুসারি ১০/১২ জন সশস্ত্র ক্যডার
নিয়ে রেস্টুরেন্টে হামলা করে ক্যাশ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়। এতে বাধা দেওয়ায় স্টাফদের মারধর ও রেষ্টুরেন্টে ব্যপক ভাঙচুর করে। হাজীর মিষ্টিমেলা এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, তারা বারবার চাঁদাদাবি করে। একজন ব্যবসায়ী কতবার, কত গ্রুপকে চাঁদা দিবে। এভাবে চলতে থাকলে তো আমাদেরকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমি বিএনপির কর্মী হয়েও চাঁদাবাজদের হাত থেকে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। অন্যদের অবস্থা তো আরও করুণ। জেলা যুবদলের সদস্যসচিব বরাত চৌধুরী বলেন, ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। তবে জড়িতদের কেউই যুবদলের কোন পদে নেই। ফেনী থানার ওসি গাজী ফৌজুল আজিম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিফুটেজ দেখে দুজনকে
শনাক্ত করা হয়েছে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।
নিয়ে রেস্টুরেন্টে হামলা করে ক্যাশ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা লুট করে নেয়। এতে বাধা দেওয়ায় স্টাফদের মারধর ও রেষ্টুরেন্টে ব্যপক ভাঙচুর করে। হাজীর মিষ্টিমেলা এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক মোহাম্মদ রিয়াদ বলেন, তারা বারবার চাঁদাদাবি করে। একজন ব্যবসায়ী কতবার, কত গ্রুপকে চাঁদা দিবে। এভাবে চলতে থাকলে তো আমাদেরকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে। আমি বিএনপির কর্মী হয়েও চাঁদাবাজদের হাত থেকে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। অন্যদের অবস্থা তো আরও করুণ। জেলা যুবদলের সদস্যসচিব বরাত চৌধুরী বলেন, ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি। তবে জড়িতদের কেউই যুবদলের কোন পদে নেই। ফেনী থানার ওসি গাজী ফৌজুল আজিম বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিফুটেজ দেখে দুজনকে
শনাক্ত করা হয়েছে। জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।



